শিরোনাম 24 ডেস্ক, ১৮ ডিসেম্বর: গ্রেফতারের কিছুক্ষণের মধ্যেই মুক্তি পেল কোচবিহারের সেলিব্রেটি সাংসদ নিশীথ প্রামানিক খগেন মুর্মু ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বুধবার সকালে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর সংলগ্ন ক্ষতিগ্রস্ত স্টেশন পর্যবেক্ষণ ও আক্রান্ত কর্মী-সমর্থকদের দেখতে এক বিরাট প্রতিনিধিদল যায়। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় মালদা জেলা পুলিশের তরফে বেরিকেট বিয়ে দেওয়া হলে তার সামনেই বসে পড়ে কুচবিহারের বিজেপির তরুণ সাংসদ নিশীথ প্রামানিক সহ খগেন মুর্মু ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। সেখানেই সোচ্চার হতে দেখা যায় কোচবিহার সাংসদ নিশীথ প্রামানিক কে। দীর্ঘদিন ধরে মানুষ ঘরছাড়া অবস্থায় রয়েছে , ফিরতে পারছে না স্বাভাবিক জীবনে। সরকারের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি জ্বালিয়ে ভাঙচুর করে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে' তখন পুলিশ রা বাঁচাতে পারিনি । অথচ শান্তির বার্তা নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যাওয়া বিজেপি দলকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুলিশ আটকে দিচ্ছে। পাশাপাশি সোচ্চার হতে দেখা যায় পার্শ্বশিক্ষকদের বিরুদ্ধে বঞ্চনা নিয়ে। এসব নিয়ে বেরি গেটের সামনে নিশিথ প্রামাণিক বলার পরেই পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।গ্রেফতার করে পরবর্তীতে তাদের মালদার ইংরেজবাজার থানায় নিয়ে আসে। নিশীথ প্রামানিক কে গ্রেফতার করে নিয়ে আসা মাত্রই কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক ভিড় জমাতে শুরু করে। থানা চত্বরে চলতে থাকে নানান স্লোগান। কিছুক্ষণের মধ্যে অবশেষে মুক্তি দেওয়া হয় নিশির প্রামাণিক সহ গ্রেফতার করে আনা বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের। নিশীথ প্রামানিক বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পেয়ে গেছেন। সেই কারণে পুলিশকে তার দল দাস বানিয়ে নিজের রাজনৈতিক ফায়দা লুটছেন। এমন জঘন্যতম কাজ এর কোন বর্ণনা হয় না। সাধারন মানুষদের অভাব-অভিযোগ বঞ্চনা শোনার জন্য এক পর্যবেক্ষণ দল মালদার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হরিশ্চন্দ্রপুর সহ একাধিক জায়গায় যাচ্ছিল সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুলিশ আমাদের আটকে দিয়ে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। মানুষ এর যোগ্য জবাব খুব শিগগিরই দিয়ে দেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
Wednesday, 18 December 2019
গ্রেফতার নিশীথ প্রামানিক
শিরোনাম 24 ডেস্ক, 18 ডিসেম্বর: গ্রেফতার হলো নিশীথ প্রামাণিক সহ দুই জন সাংসদ। রাজ্যজুড়ে এন আর সি ও সি এ বি নিয়ে চলছে ব্যাপক উত্তেজনা। এরইমধ্যে মালদার উত্তেজনাপূর্ণ এলাকাগুলি পর্যবেক্ষণে যায় নিশীথ প্রামানিক আরো একজন সাংসদ। এদিন সকালে বিজেপির তরফ এ একটি বিরাট মিছিল মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় ক্ষতিগ্রস্থদের দেখতে ও সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করতে যায়। সে সময় হরিশ্চন্দ্রপুর এ ঢোকার মুখে এক বিরাট ব্যারিকেড দিয়ে রাখে মালদা জেলা পুলিশ। সেই বেরিয়ে গেটের সামনে গিয়ে দাঁড়ানো মাত্রই পুলিশ কুচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক ও সাংসদ খগেন মুর্মু সহ বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থক কে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। মালদা জেলা পুলিশের তরফ থেকে দুইজন সাংসদসহ বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করে ইংরেজবাজার থানায় নিয়ে আসা হয়।
উত্তেজনার পারদ ক্রমেই বেড়ে চলেছে ইংরেজবাজার থানা চত্বরে। কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে মালদার ইংরেজবাজার থানা এলাকায়। বিস্তারিত পরবর্তীতে আসছে ..
উত্তেজনার পারদ ক্রমেই বেড়ে চলেছে ইংরেজবাজার থানা চত্বরে। কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে মালদার ইংরেজবাজার থানা এলাকায়। বিস্তারিত পরবর্তীতে আসছে ..
"এন আর সি বা সি এ বি র জেরে মৃত্যু হয়নি"- বললেন নিশীথ
শিরোনাম 24 ডেক্স: রাজ্য জুড়ে এখনো চলছে অশান্তির বাতাবরণ। জায়গায় জায়গায় বিভিন্ন দলের বিক্ষোভ এর পাশাপাশি পুড়ছে প্রধানমন্ত্রী সহ একাধিক মন্ত্রীর কুশপুতুল। আজও রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় বন্ধ রয়েছে মোবাইলের নেটওয়ার্ক পরিষেবা । বন্ধ রয়েছে রেল পরিষেবা। এরইমধ্যে এক ব্যক্তির মৃত্যু কে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিতে পারে রাজ্যে। জানা গেছে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া এলাকার বাসিন্দা নজরুল মিয়া (৫৯) গতকাল সন্ধ্যায় মারা যায়। পরিবারের লোকজনের দাবি, নাগরিকত্ব আইন পাস হওয়ার পর থেকেই বাড়ির ও জমির দলিল নিয়ে চিন্তায় ছিলেন নজরুল মিয়া। বেশ কয়েকদিন ধরে ইতিউতি খুঁজছিলেন হারিয়ে যাওয়া বাড়ি ও জমির দলিল। গতকাল সারাদিন স্থানীয় সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এর করণে জমির ওবাড়ির দলিলের জন্য ছিলেন। এর পরেই গতকাল সন্ধ্যায় মৃত্যু হয় নজরুল মিয়ার। বিরোধীরা নজরুল মিয়ার মৃত্যুর কারণ হিসেবে এন আর সি ও সি এ বি কেই দায়ী করছেন। যদিও বিজেপির তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। কোচবিহারের তরুণ বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামানিক বলেন, হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে নজরুল মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুর জন্য নাগরিকত্ব আইন দায়ী না। তিনি আরো বলেন, যারা নজরুল বাবুর মৃত্যু কে নিয়ে রাজনীতি করছে তাদের লজ্জা পাওয়া উচিত। নাগরিকত্ব আইন কখনোই কারণ মৃত্যুর কারণ হতে পারে না। দেশের যারা প্রকৃত নাগরিক তাদের সুবিধার্থেই এই আইন। এই আইনকে ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। এই আইন কে ভয় দেখিয়ে কিছু দুষ্টু লোক তাদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। যারা নানান গুজব ছড়াচ্ছে সেই সমস্ত লোকেদের চিহ্নিতকরণ করতে হবে। সংবিধানের বিরোধিতা করে কিছু রাজনৈতিক দল ভোটের রাজনীতি করছে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন।
Tuesday, 17 December 2019
কার্ফু প্রত্যাহার হল আসামে
শিরোনাম ২৪ ডেস্কঃ অশান্ত আসাম ক্রমশ শান্ত হতে চলেছে। মঙ্গলবার কার্ফু প্রত্যাহার করলো আসাম সরকার । আসামের অর্থ মন্ত্রী তথা নর্থ - ইস্ট ডেমোক্রেটিক এলায়েন্স এর চেয়ারম্যান হেমন্ত বিশ্বশর্মা এদিন আসাম থেকে কার্ফু প্রত্যাহার এর কথা ঘোষণা করেন । অসম পুলিশের এডীজী জী পী সিং বলেন , গুয়াহাটি সহ সমগ্র আসাম শান্ত হতে চলেছে । সে কারনেই দিনের কার্ফু তূলে নেওয়া হল বলে তিনি জানান । যদিও এখনো ইন্টারনেট পরিসেবা চালু হবে না বলে সাফ জানিয়ে ডেণ পুলিসের এঈ শীর্ষ কর্তা । বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার এর সাংসদ বলেন, আসামের এই পরিস্থিতি সত্যিই চিন্তার বিষয় ছিল। তবে অশান্ত আসাম ফের শান্ত হতে চলেছে । আসামের মানুষ বুঝতে পেরেছে কেন্দ্র তাদের পাশে আছে। এক শ্রেণীর কিছু দাদাল নেতা মানুষের মধ্যে ভূল তথ্য প্রচার করে দিকভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে । ক্যাব বিল মানুষের সুবিধের দিকে নজর রেখে পাশ হয়েছে । সংবিধান কখনো কাঊকে আঘাত করে না। মানুষের ন্যায্য বিচারের জন্য সংবিধান সেটা মনে রাখতে হবে বলে তিনি জানান।
আপামর বাঙালীর ঘরে ঘরে সাড়ম্বরে পুজো চলছে বাল গোপালের পূজো
পল মৈত্র,দক্ষিন দিনাজপুরঃ আজ গোপাল পূজা শ্রীকৃষ্ণের জন্ম ভূমি বৃন্দাবন থেকে শুরু করে সারা পৃথিবী জুড়ে বাঙালি অবাঙালি দেশী-বিদেশী প্রত্যেকের ঘরে ছোট বাল গোপালের পুজো হচ্ছে| বাঙালির ঘরে গোপাল পুজো এই পৌষ মাসের শুরুতে যথেষ্ট শোভা পায়| তা বলাই বাহুল্য দিন থেকে বলা হয় শুরু হয়ে যায় পৌষ মাসের সূচনা গোপাল পুজোর দিন সকলে ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে শুদ্ধ বস্ত্রে সুচি কাপড়ে মাল গোপালের পুজো করেন |
ফুল ফলাদি প্রসাদ সবকিছু থাকলেও গোপালের প্রিয় খাবার মাখন না থাকলে যেন শিবু যা তা সম্পূর্ণই হয় না তাই প্রত্যেক বাড়িতে গোপাল প্রতিমার সামনে বাটি ভর্তি মাখন রাখা থাকে| বাড়ির বড়রা বলে গোপাল ঠিক এ মাখন গুলো খেয়ে ফেলবে এই পুজো নিয়ে বাড়ির সদস্য থেকে শুরু করে ভক্তদের উদ্দীপনা থাকে চোখে পড়ার মতন। সারা দেশের পাশাপাশি শুধু দক্ষিণ দিনাজপুর ও রবিবার সাড়ম্বরে পালিত হলো গোপাল পুজো|
পুজো নিয়ে কিছু গল্প রয়েছে একটি জনশ্রুতি বা বলা যেতে পারে যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে হিন্দু বা সনাতন ধর্মের মধ্যে, কোন পূজা উপলক্ষে অনেকের বাড়িতে বড় করে অনুষ্ঠান করা হয় গরীব দুঃখীদের দান করা হয় সুদূর দক্ষিণ দিনাজপুরে ও নানান বাড়িতেই সকাল থেকে শুরু হয়েছে গোপাল পুজোর শঙ্খ ধ্বনি ও গোপাল মন্ত্র উচ্চারণে হিন্দু ধর্ম সনাতন ধর্মের পরম ভক্তি ও শ্রদ্ধার সাথে পূজিত হচ্ছেন বাল গোপাল পুজো শেষে সকলেই প্রসাদ নিতে ভিড় জমান পাড়ার বড় বড় মন্দির গুলোতে সাথে বাড়ির পুজো গুলো তো বেশ সুস্বাদু নিরামিষ খাবার গুলো তৈরি করা হয় এ গোপালপুর ব্লক অনেকে বলেন বাড়িতে ছোট গোপন রাখলে জীবনের চলার পথে সমস্যার সমাধান হয়ে যায় পালকি একটু মাখন মন ভরে ভক্তি সমাদর করলে গোপাল পরিপূর্ণ করে সে তার ভক্ত কে পরিপূর্ণ করে তুলবে তুলবে এই প্রসঙ্গে গোপাল পুজো নিয়ে একটি গল্প আছে। যশোদানন্দন গোপাল নীলমণি যখন হাটতে শিখল যশোদার আঙ্গিনায় তখন ঘর থেকে বাইরে, ব্রজের গোপালের অনেক বন্ধু হল, সুবল, বসুদাম, শ্রীদাম, মধুমঙ্গল, অংশুমান আদি অনেক মিত্র হল। সবাই মিলে প্রতিদিন মাখন চুরি করতে লাগল। শ্রীদামাদি সখা একটা চোরমন্ডলী তৈরি করল। ঐ চোরমন্ডলীর অধ্যক্ষ হলেন আমাদের মাখনচোর প্রধান স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ ।
সব জায়গায় তারা চুরি করে এবং নতুন পদ্ধতিতে চুরি করার কথা যোজনা বানায় এবং গোপীর ঘরে চুরি করে।
আজ গোপাল আর তার সখা চোরমন্ডলী চুরি করতে চলল চিকসৌলী গ্রামে। গোপাল গোপীর ঘরের পাশে সকল বন্ধুদের লুকিয়ে দিলেন। আর স্বয়ং গোপীর ঘরে পৌছে গেল। দরজায় আওয়াজ করতে লাগলেন । ভগবান নিজের মুখের কাজল ও চুল উলটাপালটা করে দিলেন। গোপী দরজা খুলতে দেখলেন কৃষ্ণ দাড়িয়ে আছে।
গোপী বলল- ” আরে লালা, আজ সকাল সকাল এখানে কেন ?
কানাইয়া বলল– “গোপী, কি বলব ! আজ সকাল উঠলে মা বলল, লালা তুই চিকসৌলী গোপীর ঘরে যা, ওকে বলল আজ আমাদের ঘরে সাধুসন্ত আসবে, আমি তো সকালে তাজা মাখন বের করি নি। ওতো রোজ তাজা মাখন বের করে। ওর থেকে তাজা মাখন বের করে । ওর থেকে তাজা মাখনের এক হাড়ি নিয়ে আয়। আমি পরে দুইটা মাখনে হাড়ি ওকে দিয়ে দেব। তাই এখানে এলাম গোপী।”
গোপী বলল, ” লালা, আমি মাখনের হাড়ি নিয়ে আসছি।আর মাকে বলবে, হাড়ি আমাকে দেবার প্রয়োজন নেই রে লালা। বলসি আমি হাড়ি দিয়ে সাধুসেবা করলাম।” তখন গোপী ভিতরে গিয়ে মাখনের হাড়ি নিয়ে এল আর সঙ্গে কিছু মিশ্রীও নিয়ে আসল আর বলল, লালা মাখন নও সঙ্গে এই মিশ্রীও নাও সাধুসেবায় দিও।”
মাখন নিয়ে কৃষ্ণ বাহিরে আসল। গোপী দরজা বন্ধ করে দিল। ভগবান তখন সকল সখাদের ডেকে শ্রীদাম, সুবল, মধুমঙ্গল তাড়াতাড়ি আয়। সব সখা তাড়াতাড়ি এলে সবাই ওখানে বসল। কানাইয়া বলল — যার ঘরের মাখন তার ঘরের সমানে বসে খাওয়ার আনন্দ আলাদা। ভগবান সবার পাতে মাখন মিশ্রী দিল। মাঝখানে বসে কানাইয়া আরাম করে মাখন মিশ্রী খেতে পটপট আওয়াজ আর মিশ্রী কটকট আওয়াজ হতে লাগল । যখন এই আওয়াজ শুনে, গোপী দরজা খুলল। দেখল গোপাল সখাদের সাথে আরাম করে মাখন খাচ্ছে আর হাসছে ।
গোপী বলল- ” কি রে কানাইয়া, মাখন কি সাধুসেবার জন্য ছিল, না তুই চুরি করলি রে?
তখন ভগবান বলল, দেখ গোপী, আমার সখারা কি কোন সাধু থেকে কম নাকি, সব নাগা সাধু তুমি দেখ, কারো বস্ত্র আছে, কারো নেই। এই দেখ এরা তো বড় সাধু এদের প্রণাম করো।
গোপী বলল– আচ্ছা কানাইয়া, এদের দন্ডবৎ প্রণাম করব, দাঁড়াও আমি দন্ডা নিয়ে আসছি, গোপী ঘরের ভিতর থেকে দন্ডা নিয়ে আসল।
গোপাল বলল, “বন্ধু সখা, পালাও। তা না হলে গোপী এখনই আমাদের পূজা করবে।”
গোপী চুরির কথা মা যশোদার কানে তুলল।
একদিন যখন মা নালিশ শুনতে শুনতে ক্লান্ত হয়ে গিয়ে আজ গোপালকে ঘরে বেঁধে রাখল। যে ভগবান যোগীদের সাধনার ধন, সেই ভগবানকে মা ঘরে বেধে রাখলেন।যখন আজ গোপীরা গোপালকে ব্রজের ঘরে গলিতে দেখল না। তখন নালিশ করার বাহনা নিয়ে আসল মা যশোদার আঙ্গিনায় । নন্দরাণীকে বলল–” যশোদা তোমার লালা খুব দুষ্ট গো, অসময়ে এসে গাভী বাছুরীদের খুলে দেয়। মাখন লুকিয়ে রাখে না জানি কি করে খুজে নেয়। আর যে দিন মাখন পায় না সে দিন ঘুমন্ত শিশুকে চিমটি কাটে চলে যায় । যদি মাখন খায়, মাখনের হাড়ি ভেঙ্গে দেয় ।”
যশোদা গোপালের হাত ধরে বললেন, ” দেখ লালা, গোপীর গলিতে তুই আর যাবি না। মাখন খাবি না।”
যখন গোপীরা এটা শুনল বলতে লাগল, ” যশোদা রে আমরা নালিশ করতে আসি নি। আজ লালাকে তুই বেঁধে রেখেছিস, তাই বেঁধে রেখেছিস, তাই লালাকে দেখতে পাই নি। তাই এলাম একটু দেখতে লালাকে। তাই নালিশের বাহনা দিয়ে এক ঝলক দেখতে আসলাম । যখন যশোদা তা শুনল শুনে বলল- গোপী, তোমরা আমার লালাকে এত ভালবাস, আজ থেকে গোপাল শুধু আমার না, গোপাল সারা বৃন্দাবনের লালা।
বন্ধ একাধিক ট্রেন উদ্বিগ্ন যাত্রীরা, কি বললেন নিশীথ ?
শিরোনাম ২৪ ডেস্ক, ১৭ ডিসেম্বরঃ উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের তরফে এদিন মোট ৪৭ টা ট্রেন বাতিলের নির্দেশিকায় চাপ বাড়লো পর্যটক থেকে শুরু করে সাধারন যাত্রীদের । এদিন উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের চিফ পাবলিক রিলেশন অফিসার শুভানন চন্দ্র বলেন , উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের থেকে দক্ষিন রেলের যোগাযোগ এর পথে বিরাট ক্ষতি হওয়ায় বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় রেল পথ থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্টেশন এমনকি রেলের কামরাও পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ হয়। মূলত এরই জেরে বন্ধ ৪৭ খানা ট্রেন। এর মধ্যে ১২০৪১ ও ১২০৪২ হাওড়া - নিউ জলপাইগুড়ি শতাব্দী এক্সপ্রেস , ১২৩৪৪ দার্জিলিং মেল, সরাইঘাট এক্সপ্রেস , পদাতিক এক্সপ্রেস , উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস, তিস্তা তোরষা এক্সপ্রেস, কাঞ্চন জংঘা এক্সপ্রেস, কাঞ্চন কন্যা এক্সপ্রেস সহ কলকাতা ও কাটিহার গামী প্রায় সব কয়টি ট্রেনই বাতিল। এবিষয়ে কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক বলেন , রেল সরকারি সম্পত্তি। কিছু রাজনৈতিক দল তাদের সার্থ চরিতার্থ করার কারনে মানুষ কে ভুল বুঝিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সহ বিভিন্ন রাজ্যে দাঙ্গা পাকানোর চেষ্টা করছে। এর জেরে বিভিন্ন রকমের অসুবিধের সম্মুখীন হতে হচ্ছে সাধারন যাত্রী থেকে শুরু করে আপামর জনসাধারণকে । এই অবস্থার বিরুদ্ধে জাতি ধর্ম বর্ন ভেদাভেদ ভুলে সকলকে একত্রীত হতে হবে। রাজ্য সহ দেশে যাতে আবার শান্তি ফিরে আসে তার জন্য সকলকে চক্রান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা তিনি বলেন। কোচবিহার সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক আর বলেন , বাংলায় যে চক্রান্তকারী রাজনৈতিক দল তাদের সার্থে দেশের ক্ষতি করছে তাদের খুব শীঘ্রই মানুষ ছুরে ফেলে দেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
Friday, 13 December 2019
সংসদে রেকর্ড গড়লো নিশীথ
শিরোনাম 24 ডেস্ক, ১৩ডিসেম্বর: শীতকালীন অধিবেশনে দিল্লির সংসদে নতুন রেকর্ড করল কুচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক। সংসদের এক বিবৃতিতে জানা গেছে, উপস্থিতির হার এ সর্বনিম্নে রয়েছে যুব তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা ডায়মন্ড হারবারের সংসদ অভিষেক ব্যানার্জি । জানা গেছে দিল্লির সংসদ ভবন ৫৪৩ জন সাংসদের মধ্যে উপস্থিতির হারে সবাইকে পেছনে ফেলে প্রথমে রয়েছে কুচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক সহ 3 জন সাংসদ 100% উপস্থিতির হার নিয়ে রেকর্ড করেছে। সাংসদ সূত্রে আরো জানা যায়, অভিষেক ব্যানার্জীর নাম সর্ব নিম্নে রয়েছে। যুব তৃনমূলের এই নেতার উপস্থিতির হার এতটাই কম যে তার নাম রয়েছে সর্বনিম্নে। পুরো দেশের মধ্যে নিশীথ প্রামাণিকের জন্য কুচবিহারের নাম রয়েছে প্রথম সারিতে। সেই কারণে ব্যাপক উল্লাস দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এদিন সংসদে এই রেকর্ড গড়ার পর নিশির প্রামাণিক বলেন, কুচবিহারের মানুষ তাদের সেবা করার জন্য আমাকে সুযোগ করে দিয়েছে। সেই কারণেই কুচবিহার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা পাওয়া না পাওয়া সহ নানাবিধ সমস্যা দেশের সামনে তুলে ধরার জন্য উপস্থিত হতেই হবে।
Saturday, 5 October 2019
পাহাড়ে ফের বন্ধ, বিপাকে সিকিম দার্জিলিংয়ের পর্যটকেরা
আবির ভট্টাচার্য, দার্জিলিং, ৪ অক্টোবর: পাহাড়ে ফের বন্ধের ডাক দিল চা বাগানের শ্রমিক সংগঠন। হঠাৎ করে এই বন্ধের জেরে পুজোর মরশুমে বিপাকে পড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকেরা। বন্ধ কে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ব্যাপক প্রভাব দেখা যায় কার্শিয়াং, কালিম্পং, মিরিক, চকবাজার, তিনধরিয়া, রহিনি সহ বিভিন্ন জায়গায়। দার্জিলিংয়ের এই বন্ধের জেরে সিকিমের সঙ্গে শিলিগুড়ির যোগাযোগ প্রায় বন্ধ। গুরুত্বপূর্ণ যানবাহন ছাড়া কোন গাড়ি দার্জিলিং বা সিকিম এর উদ্দেশ্যে শিলিগুড়ি থেকে যাচ্ছে না এমনকি আসছে ও না। একাধিক দাবি-দাওয়া নিয়ে চা বাগানের শ্রমিক সংগঠনের ডাকা এই বন্ধ কে সমর্থন জানায় বাম ডান সহ পাহাড়ের সব কয়টি রাজনৈতিক দল। 12 ঘন্টার জন্য এই বন্ধ ডাকা হলেও মালিকপক্ষ শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া মেনে না নিলে ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ডাক দেওয়ার পাশাপাশি বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বলে সাফ জানিয়ে দেয় চা বাগানের শ্রমিকরা। বন্ধের জেরে ব্যাপক বিপাকে পড়ে পুজোর ছুটি কাটাতে আসা পর্যটকেরা। শৈল রানী র টানে আসা পর্যটকদের শীতকে উপেক্ষা করে রীতিমত রাস্তায় বসে থাকতে দেখা যায়। পুজোর ছুটির মরশুমের এই বন্ধ কে সমর্থন জানায় পাহাড়ের ব্যবসায়ী সমিতি থেকে শুরু করে গাড়ি ব্যবসায়ীরা।
Wednesday, 2 October 2019
প্রধানমন্ত্রী র পছন্দের সংসদ কে দেখা গেলো স্বচ্ছ ভারত মিশনে
কলকাতা,২ অক্টোবর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পছন্দের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক কে দেখা গেল উত্তর কলকাতায় স্বচ্ছ ভারত মিশন এর প্রচার করতে। কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের একাধিকবার দেখা গেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছাকাছি যেতে। এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের প্রজেক্ট কে বাস্তব রূপ দিতে অফুরন্ত চেষ্টা করে কোচবিহারের সেলিব্রেটি তরুণ সংসদ নিশীথ প্রামানিক।
উত্তর কলকাতার পানিহাটি এলাকায় উত্তরের এই আইডিয়াল ফিগার নিশীথ প্রামানিক নিজে ঝাড়ু হাতে রাস্তা পরিষ্কার করতে দেখা যায়। পাশাপাশি প্লাস্টিক বন্ধের প্রচার চালান তিনি। বড় থেকে ছোট সমস্ত ব্যবসায়ীদের দোকান দোকান ঘুরে তাদের হাতে কাপড়ের ব্যাগ তুলে দেন সাংসদ নিজে। পাশাপাশি চলে প্লাস্টিক ব্যবহারের নানান খারাপ দিক নিয়ে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ক্রেতাদের বোঝানোর পালা। কার্যত পুরোটাই নিজের হাতে সামলান সাংসদ। এদিন প্লাস্টিক বিরোধী ও স্বচ্ছ ভারত মিশন এর প্রচার কালে প্লাস্টিকের থেকে আমাদের পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি মাটি জল সহ নানান প্রাকৃতিক পদার্থ দূষিত হওয়ার কারণ জনসমক্ষে তুলে ধরেন তিনি। পরবর্তীতে শুরু হয় পানিহাটি বাজারের রাস্তা ও আবর্জনা পরিষ্কার এর পালা। নিজের হাতেই ঝাড়ু তুলতে দেখা যায় কোচবিহারের সেলিব্রেটি সাংসদ প্রমানিক কে। বিজেপির এই সেলিব্রেটি সংসদ নিশির প্রামাণিক বলেন, মহাত্মা গান্ধীর জন্ম দিবস উপলক্ষে সারাদেশ বাসীর সঙ্গে আমি নিজেও স্বচ্ছ ভারত মিশন এ হাত লাগাই। যেই দেশে আমরা থাকছি যেই প্রকৃতি থেকে আমরা অক্সিজেন নিচ্ছি সেগুলো কে রক্ষা করা স্বচ্ছ রাখা আমাদের প্রথম কর্তব্য হওয়া উচিত।
উত্তর কলকাতার পানিহাটি এলাকায় উত্তরের এই আইডিয়াল ফিগার নিশীথ প্রামানিক নিজে ঝাড়ু হাতে রাস্তা পরিষ্কার করতে দেখা যায়। পাশাপাশি প্লাস্টিক বন্ধের প্রচার চালান তিনি। বড় থেকে ছোট সমস্ত ব্যবসায়ীদের দোকান দোকান ঘুরে তাদের হাতে কাপড়ের ব্যাগ তুলে দেন সাংসদ নিজে। পাশাপাশি চলে প্লাস্টিক ব্যবহারের নানান খারাপ দিক নিয়ে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ক্রেতাদের বোঝানোর পালা। কার্যত পুরোটাই নিজের হাতে সামলান সাংসদ। এদিন প্লাস্টিক বিরোধী ও স্বচ্ছ ভারত মিশন এর প্রচার কালে প্লাস্টিকের থেকে আমাদের পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি মাটি জল সহ নানান প্রাকৃতিক পদার্থ দূষিত হওয়ার কারণ জনসমক্ষে তুলে ধরেন তিনি। পরবর্তীতে শুরু হয় পানিহাটি বাজারের রাস্তা ও আবর্জনা পরিষ্কার এর পালা। নিজের হাতেই ঝাড়ু তুলতে দেখা যায় কোচবিহারের সেলিব্রেটি সাংসদ প্রমানিক কে। বিজেপির এই সেলিব্রেটি সংসদ নিশির প্রামাণিক বলেন, মহাত্মা গান্ধীর জন্ম দিবস উপলক্ষে সারাদেশ বাসীর সঙ্গে আমি নিজেও স্বচ্ছ ভারত মিশন এ হাত লাগাই। যেই দেশে আমরা থাকছি যেই প্রকৃতি থেকে আমরা অক্সিজেন নিচ্ছি সেগুলো কে রক্ষা করা স্বচ্ছ রাখা আমাদের প্রথম কর্তব্য হওয়া উচিত।
Sunday, 29 September 2019
রেলওয়ে মাল গুদাম শ্রমিক সংগঠনের তরফে বিরাট সম্মেলন কোচবিহারে
কোচবিহার ২৯ সেপ্টেম্বর: ভারতীয় রেলওয়ে মালগুদাম শ্রমিক সংগঠনের কার্যকর্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো কোচবিহারে। খাগড়াবাড়ি এলাকায় শালবনি ভবনে রবিবার এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের এই সম্মেলনের শুভ সূচনা করেন সংগঠনের সর্বভারতীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মনোরঞ্জন কুমার। এদিনের এই সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ন রেলওয় জোনের সভাপতি অভিষেক বর্মা, ইস্টার্ন রেলওয়ে জোনের সম্পাদক অরিন্দম তালুকদার, কাশীনাথ গায়েন, শানু কর্মকার, দীপায়ন পাল সহ আরো অনেকে। এদিনের এই সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সংগঠনের সর্বভারতীয় নেতা মনোরঞ্জন কুমার সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি আগামী দিনে কিভাবে সংগঠনকে আরও মজবুত করতে হবে সে বিষয়েও আলোচনা করেন। তিনি বলেন, আগামী দিনে রেলওয়ের শ্রমিক সংগঠনের বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে একাধিক কর্ম সূচী রয়েছে । যেমন আংশিক সময়ের কর্মীদের স্থায়ী করন , সম বেতন কাঠামো সহ বেশ কিছু দাবি নিয়ে খুব শীঘ্রই সোচ্চার হবেন তারা । রেলওয়ের শ্রমিক সংগঠনের কর্তা মনোরঞ্জন কুমার সাহেব আরো বলেন , খুব শীঘ্রই সংগঠনের সন্মেলনে ভারতীয় রেল মন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন । তিনি আশাবাদী রেল মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বেশ কিছু নতুন দাবী দাওয়ায় সরকারি স্বীকৃতি দেবেন । যদিও ইতিমধ্যেই সংগঠনের একাধিক দাবি দাওয়া মেনে নিয়েছে রেল দপ্তর । সে জন্য সংগঠনের এই শীর্ষ নেতা মনোরঞ্জন কুমার ধন্যবাদ জানান।
Saturday, 7 September 2019
বিধায়ক কে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেলেন নুরমোহাম্মদ প্রামানিক
শিরোনাম 24 ডেস্ক, ৭ সেপ্টেম্বর: বিধায়কের থেকেও জনপ্রিয়তার শীর্ষে সিতাইয়ের প্রতিবাদী নেতা নূর মোহাম্মদ প্রামাণিকের। সম্প্রতি এমনই এক তথ্য উঠে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। ফেসবুকের বিভিন্ন পেজে এক সমীক্ষার জেরে দেখা গেছে প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষের সমর্থন জুটিয়েছেন সিতাইয়ে র এই প্রতিবাদী নেতা নূর মোহাম্মদ প্রামানিক। দিনহাটা মহকুমা র সিতাইয়ের "চামটা" ফেসবুক পেজে আগামীদিনের টি এম সি নেতা হিসেবে আপনি কাকে দেখতে চান তা জানতে চাওয়া হলে প্রায় তিন শতাংশ হারে এগিয়ে থাকতে দেখা যায় এই নেতা কে। ফেসবুকের ওই পোস্টে সিতাই এর বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া ও সিতাই এর প্রতিবাদী টি এম সি নেতা নুর মোহাম্মদ প্রামানিক কে নির্বাচনের সুযোগ দেওয়া হয়। ফলাফলে দেখা যায় বিধায়ক কে পেছনে ফেলে ৬৫শতাংশ পায় নুর মোহাম্মদ প্রামানিক ও মাত্র ৩৫ শতাংশ ভোট পায় বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। তথ্য বিজ্ঞ মহলের মতে ফেসবুকের মত গুরুত্বপূর্ণ একটি সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠে আসা এই চাঞ্চল্যকর তথ্য র প্রভাব পড়তে পারে আগামী নির্বাচনে। বিষয়টা নিয়ে নূর মোহাম্মদ প্রামাণিক বলেন, মানুষের জন্য এতদিন কাজ করে গেছি আগামীতেও তাদের সুখ দুঃখ আনন্দ-ফুর্তিতে পাশে থাকবো। সিতাই এর বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া কে বিষয়টি নিয়ে ফোন করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
Sunday, 11 August 2019
चाय पर चर्चा मैं सेलिब्रिटी सांसद निशिथ
शिरोनाम २४, आबीर भट्टाचार्य कुचबिहार, ११अगस्त: कुचबिहार कि सेलिब्रिटी सांसद निशित प्रामाणिक को चाय पर चर्चा करते हुए देखा गया शहर की 8 नंबर वार्ड की एक चाय की दुकान में। साथ ही साथ इस सेलिब्रिटी सांसद को आम आदमियों की तरह टोटो पर सवार हुए आते हुए नजर आया। आम आदमियों की तरह इस सेलिब्रिटी सांसद को रस्ते पर देखने के लिए भारी मात्रा मैं इलाका में भीड़ हुए थे। रस्ते पर खड़े हुए हर किसी के साथ सांसद को बातें भी करते हुए देखा गया। टोटो में सवार होकर सांसद निशित प्रमाणिक ने शोहर की ज्यादा इलाका घूमते हुए देखा गया।
इन दिनों चर्चा में सबसे ऊपर में रहते हुए निशित प्रमाणिक को आंखों के सामने पाके उसके फैन लोगों का होश उड़ने का परिस्थिति हो गया था। तृणमूल युवा कांग्रेस में रहने के समय से ही कूचबिहार तथा उत्तर बंगाल का सबसे सेलिब्रिटी पॉलीटिकल लीडर है निशित प्रमाणिक। ज्यादा से ज्यादा जगह में युवा संप्रदाय का आइडियल पर्सन है भाजपा की सांसद निशित प्रमाणिक। ऑटोग्राफ से लेकर सेल्फी सब कुछ ठंडे दिमाग से बहुत दिनों से संभालते नजर आ रहे हैं यह युबा नेता। उच्च जीवन यापन करने वाले ऐसी सेलिब्रिटी युवा नेता को पहले भी आम आदमियों की तरह खीर में मिलते हुए कई बार नजर आए। रविवार को फिर से पुराने स्टाइल में आम आदमियों की तरह टोटो में सवार होकर शहर की आठ नंबर वार्ड की एक चाय दुकान पर चाय पर चर्चा करते हुए देखा गया। राजनीतिक विश्लेषकों की मतवाद, इन दिनों तीनों मूल कांग्रेस की मुख्यमंत्री ममता बनर्जी की दीदी के बोलो प्रचार लेकर तृणमूल कांग्रेस की नेताओं को आम आदमियों के साथ मुलाकात करते हुए नजर आ रहे हैं। इसी के खिलाफ आम आदमी को बीजेपी मुखी करने के लिए ही उत्तर बंगाल की यह सेलिब्रिटी सांसद निशित प्रमाणिक ने यह कदम उठाया। इसी बारे में कूचबिहार की सांसद मिसिज प्रमाणिक ने बताया, आम आदमियों ने दोनों हाथों से मुझे चुनाव के समय जो आशीर्वाद दिए थे उसके वजह से ही भारी मात्रा में कुचबिहार में भाजपा ओं की जीत हुई। मैं पहले ही बता चुका हूं मैं आम आदमियों की एक साधारण सेवक हूं। आम आदमियों ने जो सेवा करने की मौका मुझे दिए हैं उसके लिए ही मैं सब कुछ कर सकता हूं। आम आदमियों की चाहत किया है उन लोगों की कष्ट किया है पुलोक क्या कुछ मुझे बोलना चाहते हैं यह सब जानने के लिए ही आज मैं उनके घर की लड़के की तरह उनके सामने हाजिर हुआ हूं। आगे भी ऐसे ही उन लोगों की सेवा मैं करता रहूंगा। सेलिब्रिटी सांसद निशित प्रमाणिक ने और भी बताया, हो सकता है दूर से मेरे घर में या मेरा ऑफिस में जाने के लिए किसी को कुछ परेशान । लेकिन मैं सबके सेवा के लिए हमेशा तत्पर रहता हूं। जब कभी भी किसी को भी कोई समस्या कोई कष्ट कुछ भी हो जाए एक बार जैसे भी हो मेरे कानों तक खबर पहुंचा दो मैं तुरंत आपके सेवा की चेष्टा करूंगा।
इन दिनों चर्चा में सबसे ऊपर में रहते हुए निशित प्रमाणिक को आंखों के सामने पाके उसके फैन लोगों का होश उड़ने का परिस्थिति हो गया था। तृणमूल युवा कांग्रेस में रहने के समय से ही कूचबिहार तथा उत्तर बंगाल का सबसे सेलिब्रिटी पॉलीटिकल लीडर है निशित प्रमाणिक। ज्यादा से ज्यादा जगह में युवा संप्रदाय का आइडियल पर्सन है भाजपा की सांसद निशित प्रमाणिक। ऑटोग्राफ से लेकर सेल्फी सब कुछ ठंडे दिमाग से बहुत दिनों से संभालते नजर आ रहे हैं यह युबा नेता। उच्च जीवन यापन करने वाले ऐसी सेलिब्रिटी युवा नेता को पहले भी आम आदमियों की तरह खीर में मिलते हुए कई बार नजर आए। रविवार को फिर से पुराने स्टाइल में आम आदमियों की तरह टोटो में सवार होकर शहर की आठ नंबर वार्ड की एक चाय दुकान पर चाय पर चर्चा करते हुए देखा गया। राजनीतिक विश्लेषकों की मतवाद, इन दिनों तीनों मूल कांग्रेस की मुख्यमंत्री ममता बनर्जी की दीदी के बोलो प्रचार लेकर तृणमूल कांग्रेस की नेताओं को आम आदमियों के साथ मुलाकात करते हुए नजर आ रहे हैं। इसी के खिलाफ आम आदमी को बीजेपी मुखी करने के लिए ही उत्तर बंगाल की यह सेलिब्रिटी सांसद निशित प्रमाणिक ने यह कदम उठाया। इसी बारे में कूचबिहार की सांसद मिसिज प्रमाणिक ने बताया, आम आदमियों ने दोनों हाथों से मुझे चुनाव के समय जो आशीर्वाद दिए थे उसके वजह से ही भारी मात्रा में कुचबिहार में भाजपा ओं की जीत हुई। मैं पहले ही बता चुका हूं मैं आम आदमियों की एक साधारण सेवक हूं। आम आदमियों ने जो सेवा करने की मौका मुझे दिए हैं उसके लिए ही मैं सब कुछ कर सकता हूं। आम आदमियों की चाहत किया है उन लोगों की कष्ट किया है पुलोक क्या कुछ मुझे बोलना चाहते हैं यह सब जानने के लिए ही आज मैं उनके घर की लड़के की तरह उनके सामने हाजिर हुआ हूं। आगे भी ऐसे ही उन लोगों की सेवा मैं करता रहूंगा। सेलिब्रिटी सांसद निशित प्रमाणिक ने और भी बताया, हो सकता है दूर से मेरे घर में या मेरा ऑफिस में जाने के लिए किसी को कुछ परेशान । लेकिन मैं सबके सेवा के लिए हमेशा तत्पर रहता हूं। जब कभी भी किसी को भी कोई समस्या कोई कष्ट कुछ भी हो जाए एक बार जैसे भी हो मेरे कानों तक खबर पहुंचा दो मैं तुरंत आपके सेवा की चेष्टा करूंगा।
হাতের নাগালে সেলিব্রেটি সাংসদ নিশীথ
আবির ভট্টাচার্য, শিরোনাম 24, 11 আগস্ট: কুচবিহার এর সাংসদকে দেখা গেল চায় পে চর্চা করতে। রবিবার সন্ধ্যায় কোচবিহারের সেলিব্রেটি সাংসদ নিশিথ প্রামাণিককে দেখা গেল একেবারে সাধারণ মানুষের মতো টোটো তে চেপে চায়ের দোকানে এসে আড্ডা দিতে। এদিন নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে টোটো তে চোরে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করতে দেখা যায় জেলার বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতৃত্ব কে। হাতের নাগালের মধ্যে এই সেলিব্রেটি সংসদ তথা তরুণ নেতা নিশিথ প্রামাণিককে দেখতে ভিড় জমান বহু উৎসুক জনতা। প্রত্যেকের সঙ্গে সে ভাবে কথা না বলতে পারলেও দীর্ঘক্ষন শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চায়ের দোকানে আড্ডা দিতে দেখা যায় কোচবিহারের সাংসদ নিশিথ প্রামাণিককে।
উচ্চ জীবন যাপন করলেও বিজেপির এই সাংসদকে এর আগেও দেখা গেছে সাধারণের মধ্যে একেবারে মিশে যেতে। অনেকের মতেই কোচবিহার লোকসভা তথা উত্তরবঙ্গের সকল সংসদ এর মধ্যে থেকে এর জনপ্রিয়তা গগনচুম্বী। অটোগ্রাফ থেকে শুরু করে সেলফি সবকিছুতেই সাংসদ নিশিত প্রামানিক ওরফে বিট্টু দা কে দেখা গেছে হাসিমুখে সামাল দিতে। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের থাকাকালীন সময় থেকেই রয়েছে তার অগাধ ফ্যান। বিশেষ করে যুবক যুবতীদের আইডিয়াল হিসেবে নিশীথ প্রামাণিকের নাম বারংবার উঠে এসেছে। কোচবিহার জেলা তথা উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ সেলুনে দেখা যায় বিট্টু কাট দাড়ি বানাতে। সেরকম একজন সেলিব্রেটি সাংসদকে একেবারে সাধারণ মানুষের মতো সাধারণ টোটো তে চেপে এসে চায়ের দোকানে আড্ডা মানে তার ফ্যানেদের কাছে বিরাট পাওনা। দীর্ঘক্ষন এই পরিক্রমা সহ চায় পে চরচা তে সাধারণ মানুষের দাবীদাওয়া দুঃখ হতাশা সবকিছুই জানতে চায় জেলার এই দাপুটে তথা সেলিব্রেটি সাংসদ নিশিত প্রামানিক। যদিও রাজনৈতিক মহলের মতেমুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিদিকে বল প্রচারে জনসাধারণের মধ্যে ছুটে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব কে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষকে বিজেপি মুখি করার প্রয়াসেই চায় পে চরচা বা শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। যদিও নিশিথ প্রামানিক বলেন, যেই সাধারণ মানুষেরা আমায় দুহাত ভরে আশীর্বাদ দিয়ে বিপুল সংখ্যক ভোটে তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে সেই সেবক হিসেবেই তাদের পাওয়া না পাওয়া দুঃখ কষ্ট জানতেই এদিন শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা সহ চায়ের দোকানে আড্ডা হয়। যদিও সর্বক্ষণ সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ পাওয়া না পাওয়া জানার জন্য আমি অপেক্ষা করি। তবু অনেক সময় দেখা যায় তারা নানান কারণবশত আমার বাড়ি বা কার্যালয়ে আসতে দ্বিধা বোধ করতেই পারে। সে কারণে আজকে যাতে তাদের কোনো রকম অসুবিধে না হয় সেজন্য তাদের দরবারেই আমি উপস্থিত হয়েছি। ভবিষ্যতেও তাদের সেবা করার জন্য সব সময় তারা আমাকে পাশে পাবে।
উচ্চ জীবন যাপন করলেও বিজেপির এই সাংসদকে এর আগেও দেখা গেছে সাধারণের মধ্যে একেবারে মিশে যেতে। অনেকের মতেই কোচবিহার লোকসভা তথা উত্তরবঙ্গের সকল সংসদ এর মধ্যে থেকে এর জনপ্রিয়তা গগনচুম্বী। অটোগ্রাফ থেকে শুরু করে সেলফি সবকিছুতেই সাংসদ নিশিত প্রামানিক ওরফে বিট্টু দা কে দেখা গেছে হাসিমুখে সামাল দিতে। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের থাকাকালীন সময় থেকেই রয়েছে তার অগাধ ফ্যান। বিশেষ করে যুবক যুবতীদের আইডিয়াল হিসেবে নিশীথ প্রামাণিকের নাম বারংবার উঠে এসেছে। কোচবিহার জেলা তথা উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ সেলুনে দেখা যায় বিট্টু কাট দাড়ি বানাতে। সেরকম একজন সেলিব্রেটি সাংসদকে একেবারে সাধারণ মানুষের মতো সাধারণ টোটো তে চেপে এসে চায়ের দোকানে আড্ডা মানে তার ফ্যানেদের কাছে বিরাট পাওনা। দীর্ঘক্ষন এই পরিক্রমা সহ চায় পে চরচা তে সাধারণ মানুষের দাবীদাওয়া দুঃখ হতাশা সবকিছুই জানতে চায় জেলার এই দাপুটে তথা সেলিব্রেটি সাংসদ নিশিত প্রামানিক। যদিও রাজনৈতিক মহলের মতেমুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিদিকে বল প্রচারে জনসাধারণের মধ্যে ছুটে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব কে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষকে বিজেপি মুখি করার প্রয়াসেই চায় পে চরচা বা শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। যদিও নিশিথ প্রামানিক বলেন, যেই সাধারণ মানুষেরা আমায় দুহাত ভরে আশীর্বাদ দিয়ে বিপুল সংখ্যক ভোটে তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে সেই সেবক হিসেবেই তাদের পাওয়া না পাওয়া দুঃখ কষ্ট জানতেই এদিন শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা সহ চায়ের দোকানে আড্ডা হয়। যদিও সর্বক্ষণ সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ পাওয়া না পাওয়া জানার জন্য আমি অপেক্ষা করি। তবু অনেক সময় দেখা যায় তারা নানান কারণবশত আমার বাড়ি বা কার্যালয়ে আসতে দ্বিধা বোধ করতেই পারে। সে কারণে আজকে যাতে তাদের কোনো রকম অসুবিধে না হয় সেজন্য তাদের দরবারেই আমি উপস্থিত হয়েছি। ভবিষ্যতেও তাদের সেবা করার জন্য সব সময় তারা আমাকে পাশে পাবে।
Monday, 29 July 2019
পুজোর খুঁটি পুজো কে ঘিরে সাজো সাজো রব
দিনহাটা, 29 জুলাই: পুজোর খুঁটি উদ্বোধন কে ঘিরে সাজো সাজো রব দিনহাটায়। হাতে গোনা মাত্র কয়েক দিন বাকি দুর্গাপূজার তারই আগে দিনহাটা সিতাই এর ড্রিমল্যান্ড ক্লাবের খুঁটি পুজো ও পোস্টার ওপেনিং কে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেল স্থানীয় বাসিন্দাদের। এদিন সিতাই এর ড্রিমল্যান্ড ক্লাব ও ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে এক সভার মাধ্যমে দুর্গোত্সবের শুভ সূচনা করে। এদিনের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবী নুর মোহাম্মদ প্রামানিক, পরিমল রায়, ক্লাব কর্তৃপক্ষ তাপস দাস ব্যবসায়ী সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরঞ্জন কুন্ডু সহ এলাকার বিশিষ্ট জনেরা। সভা মঞ্চ থেকে বিশিষ্ট সমাজসেবী নুর মোহাম্মদ প্রামানিক, পরিমল রায় বলেন সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি অটুট মেল বন্ধনে দুর্গাপুজোর উৎসবে মেতে ওঠে আপামর বঙ্গবাসী তথা বাঙালির জাতীয় এই উৎসব কোন হিন্দু না মুসলিম না উৎসব সকলের।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে নুর মোহাম্মদ মানিক বলেন, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব এ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সাথে সকলের এক অপূর্ব মেলবন্ধন সৃষ্টি হয়। হাতে গোনা মাত্র কয়েকদিন বাদেই মায়ের আগমন। তারই আয়োজনের এদিন শুভ সূচনা করে এলাকাজুড়ে উৎসবের বার্তা তিনি সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আবেদন জানান। সমাজসেবী পরিমল রায় বলেন, হিন্দু মুসলিম সৌভ্রাতৃত্বের এই উৎসবে সকলকে শুভেচ্ছার পাশাপাশি এই উৎসব এর সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করেন।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে নুর মোহাম্মদ মানিক বলেন, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব এ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সাথে সকলের এক অপূর্ব মেলবন্ধন সৃষ্টি হয়। হাতে গোনা মাত্র কয়েকদিন বাদেই মায়ের আগমন। তারই আয়োজনের এদিন শুভ সূচনা করে এলাকাজুড়ে উৎসবের বার্তা তিনি সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আবেদন জানান। সমাজসেবী পরিমল রায় বলেন, হিন্দু মুসলিম সৌভ্রাতৃত্বের এই উৎসবে সকলকে শুভেচ্ছার পাশাপাশি এই উৎসব এর সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করেন।
Sunday, 28 July 2019
কাট মানি ফেরতের ভয়ে পালালেন বিধায়ক, বলছে বিজেপি
কুচবিহার, 28 জুলাই: কাঠ মানির টাকা ফেরতের ভয় বাড়ি ছেড়ে পালালেন বিধায়ক । এমনই অভিযোগ তুলে সোচ্চার হলো সিতাই এর বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। রবিবার দুপুরে কুচবিহারের দিনহাটা সিতাই বিধানসভা এলাকায় বেসিক স্কুলের মাঠে প্রায় দশ হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে এক বৈঠকের পর পথে নামল বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা।
এদিনের এই বৈঠক ও মিছিলে কার্যত তুলোধোনা করে সিতাই এর বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া কে । এদিনের বিজেপির তরফে আয়োজিত এই সভা সহ মিছিল এর পরিচালনায় দেখা যায় নূর মোহাম্মদ প্রামানিক পরিমল বর্মন কে । এলাকার 2 প্রভাবিত বিজেপি নেতার নেতৃত্বে কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক এ দিন সভাসহ মিছিলে পা মেলান। এলাকার দাপট এ বিজেপি নেতা নূর মোহাম্মদ প্রামানিক ও পরিমল বর্মন এর নেতৃত্বে প্রায় 10 হাজার কর্মী সমর্থক নিয়ে এক মিছিল সিতাই বিধানসভা বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। পথ পরিক্রমা কালে সীতাই এর তৃণমূল বিধায়ক জার্মানির বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির স্লোগান শুনতে পাওয়া যায়। দিন কয়েক আগে দীর্ঘদিন ঘরছাড়া এই তৃণমূল বিধায়ক বিরাট পুলিশি পাহারা নিয়ে সিতাই এর হাসপাতাল সংলগ্ন নিজ বাসভবনে আসে। কিন্তু গতকাল মধ্যরাত থেকেই সিতাই এর বিধানসভার বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া কে তার নিজস্ব বাসভবনে দেখা যায়নি। বিজেপির সিতাই বিধানসভা দুই নেতা নূর মোহাম্মদ প্রামাণিক ও পরিমল বর্মণ বলেন, সিতাই এর আপামর জনসাধারণের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া বিভিন্নভাবে কাট মানির টাকা তুলেছেন। দীর্ঘদিন ধরেই সিতাই এর বিধায়ক সিতাই এ নিজের বাড়ি ছেড়ে অজ্ঞাতবাসে ছিলেন।
সে সময় কয়েক হাজার প্রতারিত রা বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া কে সীতাই ফিরে এসে তাদের কাট মানির টাকা ফেরতের জন্য এক মিছিল করেন। সেই মিছিল হওয়ার কয়েক মাস পর সিতাই এর বিধায়ক জগদিশ বর্মা বসুনিয়া যখন তার নিজ বাসভবনে ফিরে আসেন তখন প্রতারিত তার কাছে কাট মানির টাকা ফেরত চাইলে জন চক্ষুর অন্তরালে নিজের বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান বলে তারা উল্লেখ করেন। এমনকি বিজেপির এই দুই নেতা আরো বলেন, সাধারণ মানুষ চাইছে আবার বিধায়ক ফিরে তাদের কাট মানি টাকা ফেরত দিক। এমন কি নূর মোহাম্মদ প্রামানিক ও পরিমল বর্মন আরো বলেন, জগদীশবাবু যেদিন সিতাই এ আসবেন প্রতারিত না সেদিন থেকে তার বাড়ির সামনে কাট মানি টাকা ফেরতের দাবিতে অনশনে বসবে বলে সাফ জানিয়ে দেন। বিষয়টি নিয়ে সিতাই এর বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া কে ফোন করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। তৃণমূলের সংশ্লিষ্ট নেতৃত্ব বলেন, বিজেপি লোকসভা নির্বাচনে জয় লাভের পর নিজেদের গায়ের জোর দেখিয়ে নানান সমাজ বিরোধী কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ কে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেয় সংশ্লিষ্ট তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব।
Tuesday, 16 July 2019
ধর্ষণের বিরুদ্ধে পথে নামল সমাজসেবী সংগঠন এ কেএস
শিরোনাম 24, দিনহাটা সুদীপ্ত রায় , ১৬ জুলাই : গত 10 ই জুলাই অন্তঃসত্বা অবস্থায় দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন গোসানিমারি কালিয়াগঞ্জ গ্রামের একটি 13 বছরের নাবালিকা কন্যা। হাসপাতলে ভর্তি হওয়ার সময় সে সাত মাসের অন্তঃসত্তা ছিলো । ঘটনার বিবরণে তার মা সন্ধ্যা সূত্রধরের কাছ থেকে জানা যায়,গত 7 মাস আগে মানিক মোদক ও জগদিশ মোদক নামে প্রতিবেশী দুই যুবক মেয়েটিকে প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে মায়ের বাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে। মেয়েটির বাবা গত দু'বছর থেকে নিখোঁজ।ভয়ে মেয়েটির মুখ না খুললেও তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনা ছড়িয়ে পড়তেই মানিক ও জগদিশ এর নাম বেরিয়ে আসে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দিনহাটা পুলিশ থানায় জানালেও এখনো অধরাই থেকে গেছে দোষী রা। এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ গোসানিমারি জুড়ে AKS সংস্থার তরফ থেকে প্রায় শতাধিক যুবক-যুবতীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। পুলিশের বিরুদ্ধে ধিক্কার জানিয়ে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানায় তারা।এই বিক্ষোভ মিছিল গোসানিমারি বাজার ঘুরে আদাবারি ঘাটের দিকে যায়।
সমাজসেবী সংগঠন এ কেএস এর তরফে মরণ মন্ডল বলেন, দিনকে দিন ধর্ষণের মতো ভয়ানক অপরাধ সমাজে বেড়েই চলেছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় দোষীরা ক্ষমতা অথবা টাকার জোরে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সেরকম ঘটনা যাতে গোসানিমারি বুকে না ঘটে তার জন্য তারা অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
Thursday, 11 July 2019
বিজেপির সভা ঘিরে প্রস্তুতি কুচবিহারের চার জায়গায়
শিরোনাম 24 ডেস্ক , 11 জুলাই: বিজেপির সভা পথসভা সহ বেশ কয়েকটি কর্মসূচিকে ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী 13 জুলাই কোচবিহারের মাথাভাঙ্গা শীতলকুচি সিতাই সহ দিনহাটা য় সভা পথ সভা সহ বেশ কিছু কর্মসূচি পালন করতে চলেছে বিজেপি। বিজেপির এই কর্মসূচি তে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, কোচবিহারের নব্য সাংসদ নিশিত প্রামানিক, বিজেপির জেলা সভাপতি মালতি রাভা সহ দলীয় নেতৃত্ব অশোক মন্ডল, দীপ্তিমান সেনগুপ্ত, নূর মোহাম্মদ প্রামানিক, পরিমল রায় সহ একাধিক নেতৃত্ব ও দলীয় কর্মী সমর্থকরা থাকবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। দিনহাটার বিজেপি নেতা অশোক মন্ডল বলেন, দিনহাটা শহরে সংহতি ময়দানে জনসভা করার ইচ্ছে থাকলেও রথের মেলা চলার দরুণ মাঠ খালি না পাওয়ায় শহরের পাঁচমাথা মোড়ে পথসভার আয়োজন করা হয়েছে। এই পথসভা কার্যত জনসভায় পরিণত হবে বলে তিনি আশাবাদী। পাশাপাশি এই কর্মসূচিকে সফল করতে ইতিমধ্যেই প্রচারে নেমে গেছে দিনহাটার বিজেপি নেতৃত্ব। কার্যত তৃণমূলের গড় সিতাই এ র তামাক হাটি এলাকায় বিজেপির জনসভাকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি দেখা যায়। সিতাই এর বিজেপি নেতা নুর মোহাম্মদ প্রামানিক , পরিমল রায়, নুর ইসলাম বাবু বলেন, কয়েক হাজার লোকের জমায়েত হবে আগামী 13 তারিখ। রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও কোচবিহারের সেলিব্রেটি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের এই জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করা হবে। সিতাই তথা কোচবিহারে র মধ্যে এত লোক নিয়ে এরকম জনসভা খুব কম হয়েছে। তারই প্রস্তুতি চলছে বলে জানান। পাশাপাশি বিজেপির এই কর্মসূচিতে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কড়া পুলিশি পাহারার ব্যবস্থা থাকবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
Tuesday, 9 July 2019
তৃণমূলের গড়ে একের পর এক দখল বিজেপির
শিরোনাম 24 , 9 জুলাই: প্রায় 35 হাজার ভোটে লিড পাওয়ার পরেও সিতাই বিধানসভা এলাকায় একের পর এক গ্রাম পঞ্চায়েত দখল বিজেপি র। গতকাল সিতাই এর বিজেপি নেতা নূর মহম্মদ প্রামানিক ও পরিমল রায়ের নেতৃত্বে এক নং গ্রাম পঞ্চায়েত দখলের পর এদিন 2 নং গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করলো বিজেপি। জানা গিয়েছে সিতাই 2 নং গ্রাম পঞ্চায়েত এর দুই জন পঞ্চায়েত সদস্য বাদে বাকি পঞ্চায়েত সদস্য সহ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান কুসুম বর্মন বিজেপি তে যোগদান করায় এই গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে চলে যায়। এদিন গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয় চত্বরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ শুরু করতে দেখা যায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন , বিজেপি নেতা নূর ইসলাম বাবু , মনোরঞ্জন , কৃষ্ণ দাস , সহ একাধিক বিজেপি নেতা ও কর্মী। নব্য বিজেপিতে যোগদান কারী এই গ্রাম পঞ্চায়েত বলেন , দেশের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উন্নয়নে মুদ্ধ হয় বিজেপিতে যোগদান করে আজ থেকে কাজ শুরু হলো। কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ তথা দাপুটে যুব নেতা নিশীথ প্রামানিক বিজেপি তে যোগদানের পর জেলায় বিজেপি চাঙ্গা হয় ওঠে। রাজনীতি বিমুখ ব্যক্তিরা ও নিশীথ প্রামানিক বিজেপি তে যোগ দানের পর বিজেপি তে যোগদান করছে বলে দলীয় নেতা র বলেন। কোচবিহারের কম বেশি অনেক বিধানসভায় বিজেপি লোকসভা নির্বাচনে লিড করলেও সিতাই বিধানসভা এলাকায় মুখ থুবড়ে পড়ে বিজেপি। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতে না হতেই সিতাই বিধানসভায় বিজেপির বিজয় মিছিল সহ একাধিক ঘটনা খবরের শিরোনামে আসে। শুরু হয়ে যায় একের পর এক বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষের ঘটনা। আহত হয় একাধিক দুই পক্ষের কর্মী সমর্থক। লোকসভা নির্বাচনে প্রায় 35 হাজার ভোটে তৃণমূল লিড করলেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে বিজেপি । এলাকার ছাড়ে তৃণমূল বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়া। ভাঙচুর করা হয় শাসক দলের বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়া র বাড়ি। এক সপ্তাহের মধ্যেই ফের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসে কোচবিহারের দিনহাটার সিতাই বিধানসভা। এর পরেই এলাকার বিজেপি নেতা তথা নিশীথ প্রামানিক অনুগামী নূর মহ: প্রামানিক , পরিমল বর্মন ও এলাকার বিজেপি নেতৃত্তে একের পর এক গ্রাম পঞ্চায়েত নিজেদের দখলে নিতে দেখা যায় বিজেপি কে। নূর মোহাম্মদ প্রামানিক বলেন , সাংসদ নিশীথ প্রামানিক ও দেশের বিজেপি নেতৃত্তের শিষ্টাচার ও শৃঙ্খলা পরায়নতা দেখে একাধিক প্রাক্তন তৃণমূল নেতৃত্ব ও গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান সহ একাধিক পঞ্চায়েত কর্মী ও কর্মী সমর্থক বিজেপিতে যোগদান করছে। যেহেতু পঞ্চায়েত কর্মী সহ প্রধান উপপ্রধান বিজেপিতে যোগদান করছে সেই কারণে ই একের পর এক গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দলে আসছ। তিনি আরো বলেন, সিতাই এর তৃণমূল নেতৃত্ব তথা বিধায়ক সাধারণ মানুষকে দীর্ঘদিন নিপীড়ন করেছে। সেই কারণেই সিতাই বাসী তাকে তার যোগ্য জবাব দিয়েছে। বিধায়কের অত্যাচারে অত্যাচারিত প্রতিটি মানুষ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি হচ্ছে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন। পরিমল বর্মন বলেন , জগদীশ বসুনিয়া তার হার্মাদ বাহিনী দিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসের রাজত্ব স্থাপন করেছিলো। কিন্তু বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই মানুষ প্রতিবাদ শুরু করে। তিনি উল্লেখ করেন , এলাকার অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত আগে তৃণমূলের দখলে থাকলেও বর্তমানে বিজেপির দখলে আসে বলে তিনি জানান।
Saturday, 6 July 2019
বেকারত্বের সমস্যা ঘুচবেই : নিশীথ
শিরোনাম 24, দিনহাটা, 6জুলাই : নবনির্বাচিত বিজেপির তরুণ সাংসদ নিষেধ প্রামাণিককে সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হলো বড়শাক দল এলাকায়। শনিবার এই সংবর্ধনা সভা কে কেন্দ্র করে এলাকায় সকাল থেকেই সাজো সাজো রব দেখা যায়। বিজেপির নেতাকর্মীদের এই সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, দীপ্তিমান সেনগুপ্ত, মদন মোহন গোস্বামী সহ প্রমুখ বিজেপি নেতৃত্ব। এই সংবর্ধনা সভায় বিজেপির যুব মোর্চার কর্মী শুকদিপ সাহা সহ একাধিক কর্মী সমর্থক। প্রবল বৃষ্টি কে উপেক্ষা করে এই সংবর্ধনা সভায় কয়েক্ হাজার কর্মী সমর্থক ভিড় জমান। এদিনের এই সংবর্ধনা সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সোচ্চার হতে দেখা যায় তরুণ সাংসদ নিশিথ প্রামাণিক কে। পাশাপাশি নাম না করে একাধিকবার পিসি ভাইপো প্রাইভেট কোম্পানি বিরুদ্ধে কাট মানির অভিযোগ তুলতে দেখা যায় জেলার এই তরুণ নেতা কে। এদিনের এই সভামঞ্চ এই বিজেপির শিক্ষা সেলে একাধিক শিক্ষক যোগদান করে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জেলার অন্যতম বিজেপি নেতা তথা কুচবিহার সাংসদ নিশিথ প্রামানিক বলেন, প্রথমবার লোকসভা অধিবেশন এ যোগদান করে তিনি কোচবিহারের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি নারায়ণী সেনা র প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি আরো বলেন, গুজরাট রাজস্থান দিল্লি কিংবা দক্ষিণের বিভিন্ন শহরে তিনি যখন কুচবিহারের ছেলেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে দেখেন তখন তার খুব কষ্ট হয়। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এতদিন ক্ষমতায় থেকেও কুচবিহার থেকে কাকদ্বীপ কোন এলাকার বেকার যুবক সম্প্রদায়ের কষ্টের কথা তারা ভাবেন নি। তাই নির্বাচনের প্রাক্কালে তিনি বলেছিলেন বিশেষ করে কুচবিহার জেলায় বেকার সমস্যা কমানোর তিনি চেষ্টা করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি রাখতেই তিনি লোকসভার বাদল অধিবেশনে একাধিকবার বেকার সমস্যার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি নারায়ণী সেনা খুব শীঘ্রই শুরু হতে পারে বলে তিনি জানান।
বিধায়ক কে কাট মানি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ফিরে আসার আমন্ত্রণ জানাল বিজেপি
শিরোনাম 24, সিতাই, 6 জুন: বিধায়কের গড়েই বিধায়কের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখা গেল কাট মানি ইস্যুকে কেন্দ্র করে। গতকাল সিতাই এর বিজেপি নেতা নূর মোহাম্মদ প্রামানিক ও পরিমল রায় কে দেখা যায় কাঠ মানি ইস্যুকে কেন্দ্র করে আজকের বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিতে। শনিবার হাজার হাজার কর্মী সমর্থক নিয়ে সিতাই এর বিজেপি নেতা নূর মোহাম্মদ প্রামানিক ও পরিমল রায়ের নেতৃত্বে এক বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। এদিনের এই বিক্ষোভ মিছিল চলাকালীন সিতাই এর বিধায়ক জগদীশবাবু সোনিয়ার বিরুদ্ধে কাট মানি র অভিযোগ তুলে সোচ্চার হয়। যদিও সিতাই এর তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়ার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মিছিল চলাকালীন এলাকার বিজেপি নেতা নূর মোহাম্মদ প্রমানিক বলেন, " দীর্ঘদিন ধরে সিতাই বাসিকে অত্যাচার করেছিলেন বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়া। সম্প্রতি অত্যাচারিত সাধারণ মানুষ কার্যত তার বিরুদ্ধে তোপ দাগে। তারপর থেকেই এলাকাছাড়া হয়েছেন জগদীশবাবু। কিন্তু আজ সিতাই এর বিধায়ক কাট মানি র টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য পুনরায় সিতাই তে আমন্ত্রণ।" পাশাপাশি যদি দিনে কাঠ মানিক টাকা ফেরত না দেন তাহলে প্রতারিতদের নিয়ে বিজেপি ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন। পাশাপাশি বিজেপি নেতা পরিমল বর্মণ বলেন, " সিতাই এর বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়া তার হার্মাদ বাহিনী দিয়ে দিনের পর দিন সাধারণ মানুষকে অকথ্য অত্যাচার করে গেছেন। যার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ যখন সোচ্চার হয় তখন তিনি পালিয়ে যান। কিন্তু তিনি যদি কাট মানির টাকা ফেরত না দেন তাহলে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে প্রতারিত রা" বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন। এদিনের এই প্রতিবাদ মিছিল কে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা যায় সিতাই ব্লক জুড়ে। পাশাপাশি মিছিলকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য সিতাই থানা থেকে পুলিশ ও রে ফ নামানো হয়। যদিও মিছিলকে কেন্দ্র করে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গেছে। পাশাপাশি এদিন ভারত কেশরী ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির 119 তম জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান এর পাশাপাশি জাতীয় পতাকা ও বিজেপির দলীয় পতাকা সিতাই এর বিভিন্ন এলাকায় উত্তোলন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে শাসকদলের সিতাই বিধায়ক জগদিশ বসুনিয়া কে ফোন করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
Friday, 5 July 2019
বিজেপির একাধিক কর্মসূচির পাশাপাশি আগামীকাল বিক্ষোভের ডাক সীতাইয়ে
সীতাই , ৫ জুলাই : শুক্রবার সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রে একাধিক বিজেপি কার্যালয় উদ্বোধন এর পাশাপাশি নানা জায়গায় সভাকে ঘিরে কার্যত চাঞ্চল্য শুরু হয় সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রে।
শুক্রবার সকাল থেকেই শুরু হয় সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির কর্মযজ্ঞ অনুষ্ঠান সেই অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে ছিল সীতাই এ একাধিক বিজেপি কার্যালয়ের উদ্বোধন, এছাড়াও পাশাপাশি কয়েকটি সভা করা হয় এই সভায় নেতৃত্ব দেন নূর মোহাম্মদ প্রামানিক এবং পরিমল রায় সহ আরো অনেকে। এদিনের এই সভায় প্রচুর লোকের সমাবেশ দেখা যায়। সীতাই এর এই সভাকে ঘিরে উত্তেজনা ছিল প্রচুর।
এই সব কিছুর সাথে সাথে সিতাই এর বি আর চাত্রা অঞ্চলের প্রধান, পঞ্চায়েত সহ তৃণমূলের কিছু কর্মী বিজেপির দলীয় পতাকা হাতে তুলে নিয়ে শুক্রবার থেকে বিজেপির হয়ে খাতায়-কলমে বি আর চাতরা গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজ শুরু করেন।
এছাড়াও এই সভা থেকেই আরেকটি কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ নেয় সিতাই এর বিজেপির দলীয় কর্মীরা ,জানা যায়,তৃণমূলের বিধায়ক জগদিশ বর্মা বসুনিয়া কে সীতাইয়ে ফিরে আসার চাপ দিচ্ছে বিজেপি কর্মী সদস্যরা , শনি বার জগদীশ বর্মা বসুনিয়া র কাছে কাটমানি
ফেরতের ডাক দেবে বিজেপি সহ সাধারণ মানুষ। এই ঘটনাকে ঘিরে কার্যত চাপানউতোর শুরু হয় তাদের রাজনৈতিক মহলে।
শুক্রবার সকাল থেকেই শুরু হয় সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির কর্মযজ্ঞ অনুষ্ঠান সেই অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে ছিল সীতাই এ একাধিক বিজেপি কার্যালয়ের উদ্বোধন, এছাড়াও পাশাপাশি কয়েকটি সভা করা হয় এই সভায় নেতৃত্ব দেন নূর মোহাম্মদ প্রামানিক এবং পরিমল রায় সহ আরো অনেকে। এদিনের এই সভায় প্রচুর লোকের সমাবেশ দেখা যায়। সীতাই এর এই সভাকে ঘিরে উত্তেজনা ছিল প্রচুর।
এই সব কিছুর সাথে সাথে সিতাই এর বি আর চাত্রা অঞ্চলের প্রধান, পঞ্চায়েত সহ তৃণমূলের কিছু কর্মী বিজেপির দলীয় পতাকা হাতে তুলে নিয়ে শুক্রবার থেকে বিজেপির হয়ে খাতায়-কলমে বি আর চাতরা গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজ শুরু করেন।
এছাড়াও এই সভা থেকেই আরেকটি কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ নেয় সিতাই এর বিজেপির দলীয় কর্মীরা ,জানা যায়,তৃণমূলের বিধায়ক জগদিশ বর্মা বসুনিয়া কে সীতাইয়ে ফিরে আসার চাপ দিচ্ছে বিজেপি কর্মী সদস্যরা , শনি বার জগদীশ বর্মা বসুনিয়া র কাছে কাটমানি
ফেরতের ডাক দেবে বিজেপি সহ সাধারণ মানুষ। এই ঘটনাকে ঘিরে কার্যত চাপানউতোর শুরু হয় তাদের রাজনৈতিক মহলে।
Thursday, 4 July 2019
বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের একশ্রেণীর নেতৃত্তের ওপর ক্ষোভ
শিরোনাম 24 ডেস্ক, 3 জুলাই: বিজেপি কর্মীদের মধ্যে কার্যত চাপা অন্তর্দ্বন্দ্ব দেখা যাচ্ছে । কোচবিহার জেলা বিজেপির এক শ্রেণীর নেতৃত্বে বিরুদ্ধে চাপা ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যাচ্ছে পুরনো বিজেপির কর্মীসহ এক শ্রেণীর নেতৃত্বে র ।
একদিকে নব্য বিজেপির কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে যখন পুরোনো বিজেপি কর্মী সমর্থকদের একাধিক বার খবরের শিরোনামে আসে ঠিক তার পাশাপাশি পুরনো বিজেপির কর্মী সমর্থকদের ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যাচ্ছে একশ্রেণীর জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী পুরনো বিজেপি কর্মী সমর্থক দের কথায়, বেশ কিছু জেলা পর্যায়ের নেতৃত্ব যারা এতদিন সাইকেল কিংবা মোটর বাইকে যাতায়াত করতো তারা এখন নামিদামি ব্র্যান্ডের গাড়ি নিয়ে ঘুরতে দেখা যাচ্ছে। অনেকের মতে জেলা সহ রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর একশ্রেণীর নেতৃত্ব তাদের জীবনশৈলীর আমূল পরিবর্তন করে ফেলেছে। এমন কি কোচবিহার জেলায় বিজেপির ঝরে কয়েকজন পুরনো বিজেপির জেলা নেতৃত্ব কোচবিহার সহ বিভিন্ন শহরে সম্পত্তি ও করে ফেলেছে রাতারাতি বলে অভিযোগ। পাশাপাশি বেশ কিছু বিজেপি নেতৃত্তের কথায়, নব্য ও পুরাতন বিজেপি কর্মী সমর্থকদের প্রচেষ্টায় বিপুল সংখ্যক ভোটে কোচবিহার লোকসভা নিজেদের দখলে নেয়। পাশাপাশি চলে একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত সহ দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার। কিন্তু সেই সমস্ত সাধারণ কর্মী সমর্থকদের জেলা নেতৃত্ব কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না বলেই জানা গেছে। পাশাপাশি এদিন কোচবিহারের সিতাই এ পুরাতন বিজেপি কর্মী সমর্থক এদের মধ্যেই কার্যত দ্বন্দ্বের সূত্রপাত দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে কোচবিহার জেলা বিজেপি সভাপতি মালতি রাভা বলেন, দল ক্ষমতায় আসার পর নেতৃত্তের দায়িত্ব অনেক বেড়েছে। সে কারণেই তারা সাইকেল বা বাইক বদলে গাড়ি কিনেছেন। তিনি আরো বলেন, বিষয়টি তার সেভাবে জানা নেই। খোঁজ নিয়ে তিনি দেখবেন বলে উল্লেখ করেন।
একদিকে নব্য বিজেপির কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে যখন পুরোনো বিজেপি কর্মী সমর্থকদের একাধিক বার খবরের শিরোনামে আসে ঠিক তার পাশাপাশি পুরনো বিজেপির কর্মী সমর্থকদের ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যাচ্ছে একশ্রেণীর জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী পুরনো বিজেপি কর্মী সমর্থক দের কথায়, বেশ কিছু জেলা পর্যায়ের নেতৃত্ব যারা এতদিন সাইকেল কিংবা মোটর বাইকে যাতায়াত করতো তারা এখন নামিদামি ব্র্যান্ডের গাড়ি নিয়ে ঘুরতে দেখা যাচ্ছে। অনেকের মতে জেলা সহ রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর একশ্রেণীর নেতৃত্ব তাদের জীবনশৈলীর আমূল পরিবর্তন করে ফেলেছে। এমন কি কোচবিহার জেলায় বিজেপির ঝরে কয়েকজন পুরনো বিজেপির জেলা নেতৃত্ব কোচবিহার সহ বিভিন্ন শহরে সম্পত্তি ও করে ফেলেছে রাতারাতি বলে অভিযোগ। পাশাপাশি বেশ কিছু বিজেপি নেতৃত্তের কথায়, নব্য ও পুরাতন বিজেপি কর্মী সমর্থকদের প্রচেষ্টায় বিপুল সংখ্যক ভোটে কোচবিহার লোকসভা নিজেদের দখলে নেয়। পাশাপাশি চলে একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত সহ দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার। কিন্তু সেই সমস্ত সাধারণ কর্মী সমর্থকদের জেলা নেতৃত্ব কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না বলেই জানা গেছে। পাশাপাশি এদিন কোচবিহারের সিতাই এ পুরাতন বিজেপি কর্মী সমর্থক এদের মধ্যেই কার্যত দ্বন্দ্বের সূত্রপাত দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে কোচবিহার জেলা বিজেপি সভাপতি মালতি রাভা বলেন, দল ক্ষমতায় আসার পর নেতৃত্তের দায়িত্ব অনেক বেড়েছে। সে কারণেই তারা সাইকেল বা বাইক বদলে গাড়ি কিনেছেন। তিনি আরো বলেন, বিষয়টি তার সেভাবে জানা নেই। খোঁজ নিয়ে তিনি দেখবেন বলে উল্লেখ করেন।
Wednesday, 3 July 2019
পুরনো বিজেপি কর্মীদের মধ্যে কার্যত দ্বন্দ্বের শুরু সিতাই এ
শিরোনাম 24 ডেস্ক, 3 জুলাই: কার্যত পুরনো বিজেপি কর্মী ও পদাধিকারীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হল সিতাই এ। বুধবার সিতাই এর বেসিক হাইস্কুলে বিজেপির তরফে এক সাধারন সভার পাশাপাশি পদাধিকারী বৈঠক এর আয়োজন করা হয়। অভিযোগ, এদিনের এই পদাধিকারী বৈঠকে এলাকার বিজেপির মন্ডল সভাপতি তথা পুরনো বিজেপি কর্মী নারায়ণ বর্মন জেড পি একুশের সাধারণ সম্পাদক জ্যোতি প্রকাশ রায় সহ বহু পুরনো কর্মীদের আমন্ত্রণ জানায়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেসিক স্কুলের মাঠে ক্ষোভে ফেটে পড়তে দেখা যায় জেড পি একুশের সাধারণ সম্পাদক জ্যোতি প্রকাশ রায় সহ একাধিক বিজেপি কর্মীকে। পাশাপাশি নারায়ণ বর্মন এর বিরুদ্ধে টাকার বিনিময় পদ বন্টন এর অভিযোগে সোচ্চার হোন জ্যোতি প্রকাশ বাবু।
যদিও এই বিষয়ে নারায়ন বর্মনের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। যদি প্রকাশ বাবু বলেন, তিনি পুরনো বিজেপি কর্মী পাশাপাশি মন্ডল সভাপতি নারায়ণ বর্মন পুরনো বিজেপি কর্মী। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে সংশ্লিষ্ট এলাকায় জ্যোতিপ্রকাশ বাবুর নেতৃত্বে নাকি বিজেপির তরফে ব্যাপক প্রচার চালানো হয়। যার জেরে ওনার বুথে বিজেপি বেশকিছু ভোটে লিড পেয়েছিল। তবুও পুরাতন বিজেপি কর্মী তথা মন্ডল সভাপতি নারায়ণ বর্মন তাকে কার্যত অপমান করে পদাধিকারী বৈঠকে আমন্ত্রণ জানায়নি। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন, প্রায় 10 জন বিজেপি কর্মী কে মন্ডল সভাপতি নারায়ণ বর্মন টাকার বিনিময় শক্তি প্রমুখসহ বিভিন্ন পদ পাইয়ে দিয়েছেন। যদিও এই বিষয়ে একাধিকবার নারায়ণ বর্মন কে একাধিকবার ফোন করা হলে ও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
যদিও এই বিষয়ে নারায়ন বর্মনের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। যদি প্রকাশ বাবু বলেন, তিনি পুরনো বিজেপি কর্মী পাশাপাশি মন্ডল সভাপতি নারায়ণ বর্মন পুরনো বিজেপি কর্মী। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে সংশ্লিষ্ট এলাকায় জ্যোতিপ্রকাশ বাবুর নেতৃত্বে নাকি বিজেপির তরফে ব্যাপক প্রচার চালানো হয়। যার জেরে ওনার বুথে বিজেপি বেশকিছু ভোটে লিড পেয়েছিল। তবুও পুরাতন বিজেপি কর্মী তথা মন্ডল সভাপতি নারায়ণ বর্মন তাকে কার্যত অপমান করে পদাধিকারী বৈঠকে আমন্ত্রণ জানায়নি। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন, প্রায় 10 জন বিজেপি কর্মী কে মন্ডল সভাপতি নারায়ণ বর্মন টাকার বিনিময় শক্তি প্রমুখসহ বিভিন্ন পদ পাইয়ে দিয়েছেন। যদিও এই বিষয়ে একাধিকবার নারায়ণ বর্মন কে একাধিকবার ফোন করা হলে ও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
দিনহাটা শহরে বোমা উদ্ধার, চাঞ্চল্য এলাকায়
শিরোনাম 24, দিনহাটা , ৩জুলাই : দিনহাটা শহরের এক্সচেঞ্জ মোড় এলাকায় বোমা উদ্ধার ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো। এদিন দুপুরে এক্সচেঞ্জ মোড়ের নর্দমায় বোমা পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা। পরবর্তীতে দিনহাটা থানার থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি বোমা উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
Friday, 28 June 2019
একাধিক মামলায় গ্রেফতার সিতাই এর প্রশান্ত
শিরোনাম 24 ডেস্ক, ২৮ জুন: একাধিক মামলায় অভিযুক্ত সিতাই এর প্রশান্ত বর্মন কে গ্রেফতার করল সিতাই থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাই থানার পুলিশ সিতাই বাজার পার্শস্থ একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে প্রশান্ত বর্মন কে। সে নিজেকে বিজেপির সিতাই এর নেতৃত্ব হিসেবে পরিচয় দিলেও বিজেপির জেলা নেতৃত্ব এ বিষয়ে কিছু উল্লেখ করেনি। জানা গেছে, সিতাই এর বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রশান্ত বর্মন এর নামে অভিযোগ জমা পড়ায় শুক্রবার গভীর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শনিবার সকালে অভিযুক্ত প্রশান্ত বর্মন কে পুলিশের যেই প্রিজন ভ্যান করে সিতাই থানা থেকে দিনহাটা কোর্টে নিয়ে আশা হচ্ছিল সেই প্রিজন ভ্যান সিতাই থানা চত্বরে আটকে দেয় তার কিছু অনুগামী। দীর্ঘক্ষন চলে তার অনুগামীদের সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ডা। নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বেশ কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখায় প্রশান্তর অনুগামীরা। পরবর্তীতে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে প্রশান্ত কে দিনহাটা কোর্টে নিয়ে আসা হলে তাকে পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। জানা গেছে, সিতাই এর বিজেপি নেতা নূর মোহাম্মদ প্রামাণিকের গাড়িতে হামলা সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এদিন প্রশান্তর গ্রেপ্তারের পর সিতাই এর বেশ কিছু জায়গায় আবির খেলতে দেখা যায় সাধারণ মানুষকে। এলাকার বাসিন্দারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সিতাই এ নানা রকমের ঝামেলা অশান্তি সৃষ্টি করছিল প্রশান্ত বর্মন। পাশাপাশি সিতাই এর তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়ার সঙ্গে যোগসাজশ করে সিতাই কে উত্তপ্ত করার কথা উল্লেখ করে এলাকার বাসিন্দারা। যদিও এই বিষয়ে সিতাই এর বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়া ও প্রশান্ত বর্মন এর কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সিতাই এ বিজেপি নেতা গ্রেফতার, উল্লাস জনতার
শিরোনাম 24 ডেক্স, 28 জুন: গতকাল মধ্যরাতে একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার হয় প্রশান্ত বর্মন নামে এক যুবক। জানা যায় তিনি বিজেপি নেতা যদিও জেলা বিজেপির তরফে তা স্বীকার করেনি। শুক্রবার সকাল থেকেই সিতাই এর বেশ কিছু এলাকায় চলে আবির খেলা। আবিরের রঙে মেতে উঠতে দেখা যায় আট থেকে আশি। জানা গেছে, গতকাল মধ্যরাতে সিতাই এর বিজেপি নেতা প্রশান্ত বর্মন কে পুলিশ না না রকমের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে। যদিও বিজেপির জেলা নেতৃত্ব প্রশান্ত বর্মন এর বিষয় মুখ খুলতে চায়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সিতাই এর তৃণমূল বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়া র হয়ে সিতাই এ কাজ করতো প্রশান্ত বর্মন । দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রকম অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। গতকাল মধ্যরাতে সিতাই থানার পুলিশ বিভিন্ন রকম অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশান্ত বর্মন কে গ্রেফতার করা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন তারা বলে উল্লেখ করেন।
Thursday, 27 June 2019
সাংবাদিককে খুনের অভিযোগ সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে
শিরোনাম ২৪ ডেস্কঃ সত্য ধামাচাপা দিতে সাংবাদিক কে
পুড়িয়ে মারল সরকারি আধিকারিক ।মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার শাহগড় এলাকার কৃষি দফতরের
আধিকারিক আমন চৌধুরির বাড়ির বাইরে হিন্দি দৈনিকের সিনিয়র জার্নালিস্ট চক্রেশ
জৈনের অর্ধদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। পরবর্তীতে তিনি মারা যান। অভিযোগ
বেআইনি কার্যকলাপ ধামাচাপা দিতে নির্ভিক সাংবাদিক চক্রেশ জৈন কে পুড়িয়ে মেরেফেলে ঐ
সরকারি আধিকারিক। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , বুধবার সকালে কৃষি দফতরের আধিকারিক
আমন চৌধুরির বাড়ির বাইরে শরীরের ৯০ শতাংশ অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় পরে থাকতে দেখে এলাকার
লোকেরা । পরবর্তিতে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয় সাংবাদিক চক্রেশ জৈন এর ।
সাংবাদিকের পরিবারের অভিযোগ, একটি মামলার ব্যাপারে কাজের সুবাদে আমন চৌধুরির সঙ্গে চক্রেশের বছর দুয়েক আগে যোগাযোগ হয়। আমনের বেআইনি কার্যকলাপ নিয়ে ওই মামলা হয়। কিছুদিন পরেই ওই মামলার শুনানি ছিল। সেই ব্যাপারেই আমনের বাড়িতে চক্রেশ কে ডেকে পাথানো হয় । এরপরই আমনের বাড়ির বাইরে থেকে তাঁর আধপোড়া দেহ উদ্ধার হয়। সত্যিটা যাতে সামনে না চলে আসে, তার জন্যই চক্রেশকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে বলে উল্লেখ করে পরিবারের লোকেরা । অন্যদিকে ওই সরকারি আধিকারিকের দাবি, সকাল আটটা নাগাদ চক্রেশ তাঁর বাড়িতে যান। কথা চলার মাঝেই নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন চক্রেশ। আধিকারিকের এই কথা উরিয়ে দিয়ে এলাকার পুলিশ আধিকারিক বলেন , সাংবাদিক আত্মহত্যা করেন নি , তাকে খুন করা হয়েছে । পুলিশের এখ শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, সাংবাদিকের পরিবার আমন চৌধুরি ও আরও একজনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, পুড়িয়েই মারা হয়েছে চক্রেশ জৈনকে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট থানা ।
সাংবাদিকের পরিবারের অভিযোগ, একটি মামলার ব্যাপারে কাজের সুবাদে আমন চৌধুরির সঙ্গে চক্রেশের বছর দুয়েক আগে যোগাযোগ হয়। আমনের বেআইনি কার্যকলাপ নিয়ে ওই মামলা হয়। কিছুদিন পরেই ওই মামলার শুনানি ছিল। সেই ব্যাপারেই আমনের বাড়িতে চক্রেশ কে ডেকে পাথানো হয় । এরপরই আমনের বাড়ির বাইরে থেকে তাঁর আধপোড়া দেহ উদ্ধার হয়। সত্যিটা যাতে সামনে না চলে আসে, তার জন্যই চক্রেশকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে বলে উল্লেখ করে পরিবারের লোকেরা । অন্যদিকে ওই সরকারি আধিকারিকের দাবি, সকাল আটটা নাগাদ চক্রেশ তাঁর বাড়িতে যান। কথা চলার মাঝেই নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন চক্রেশ। আধিকারিকের এই কথা উরিয়ে দিয়ে এলাকার পুলিশ আধিকারিক বলেন , সাংবাদিক আত্মহত্যা করেন নি , তাকে খুন করা হয়েছে । পুলিশের এখ শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, সাংবাদিকের পরিবার আমন চৌধুরি ও আরও একজনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, পুড়িয়েই মারা হয়েছে চক্রেশ জৈনকে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট থানা ।
Sunday, 23 June 2019
শপথ গ্রহণের তিন দিনের মাথায় চাপা পোড়া ফাইল খোলাল নিশীথ
কোচবিহার 23 শে জুন: শপথ গ্রহণ পর্ব শেষ হতেই কোচবিহার বিমানবন্দর পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিল সাংসদ নিশিথ প্রামানিক। এদিন এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার আধিকারিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে দীর্ঘ ক্ষণ বৈঠক করতে দেখা যায় কুচবিহারের তরুণ সংসদ নিশিথ প্রামাণিককে। জানা গিয়েছে, শপথ গ্রহণ পর্বের তিন দিনের মাথায় কোচবিহার বিমানবন্দর সংক্রান্ত ফাইল খুলে পুনরায় বিমানবন্দর চালু করার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই কোচবিহার উত্তরবঙ্গের বাসিন্দারা। পূর্বেও কয়েকবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে কোচবিহার কলকাতা উড়ান পরিষেবা চালু হলেও পরবর্তীতে কিছুদিনের মধ্যেই তা বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি কোচবিহার বিমানবন্দর ব্যবহার না করায় বেশ কিছু ত্রুটি নজর পড়ে সাংসদের। কার্যত এই বিষয়ে এদিন বিজেপির এই তরুণ সাংসদ সহ বিজেপি নেতৃত্ব কোচবিহার বিমানবন্দর পরিদর্শনে যায়। সম্প্রতি 3 দিন আগে দিল্লির লোকসভায় শপথ গ্রহণ নিতে দেখা যায় কোচবিহারের সাংসদ নিশিথ প্রামাণিককে। তার 72 ঘন্টা পেরোতে না পেরোতেই কাজ শুরু করে দিয়েছে সাংসদ নিশিথ প্রমানিক। এদিন তিনি বলেন, কোচবিহারের মূল সমস্যা বেকারত্ব। তার কারণ ভৌগলিক গত অবস্থার কারণে কোচবিহারে গড়ে ওঠেনি ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব বা কোন কোম্পানি। পাশাপাশি কোচবিহার সহ উত্তর বঙ্গের বিপুল অংশের মানুষের দীর্ঘদিনের চাহিদা ছিল এই কোচবিহার বিমানবন্দর থেকে নিয়মিত বিমান ওঠানামা করবে। এর ফলে বাইরের থেকে ব্যবসায়ীরা এসে কোচবিহারের তাদের ব্যবসার শ্রীবৃদ্ধি ঘটানোর পাশাপাশি বেকারত্ব কিছুটা কমবে বলে তিনি মনে করেন। তরুণ সাংসদ নিশিত প্রামানিক বলেন, কোচবিহার জেলার মানুষ আমাকে তাদের সেবা করার যে সুযোগ করে দিয়েছে তার একচুলও ঘাটতি কোনদিনও হতে দেবো না। পাশাপাশি উদ্যমী সাংসদের এহেন কর্মকাণ্ডকে সাধুবাদ জানিয়েছে কোচবিহার জেলার আপামর বাসিন্দারা। নিশীথ প্রামাণিকের এই উদ্যোগকে ঘিরে কার্যত সাজো সাজো রব জেলা জুড়ে। এয়ারপোর্ট অথরিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লির লোকসভায় সংসদ নিশীথ প্রামাণিকের অনুরোধে দুদিন আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রীর নির্দেশে কোচবিহার এয়ারপোর্টের চাপা পড়া ফাইল পুনরায় খুলে এয়ারপোর্ট চালু করার বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করতে চলেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর বলে জানা গিয়েছে।
Friday, 21 June 2019
Thursday, 20 June 2019
সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকার করে ফেরার পথে হামলার অভিযোগ সিতাইয়ে
শিরোনাম ২৪ ডেস্ক , ২০ জুন: বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দিনহাটা মহকুমার সিতাই এর বিভিন্ন এলাকা। জানা গিয়েছে বুধবার রাতে স্থানীয় বিজেপি নেতা নূর মোহাম্মদ প্রামাণিকের নেতৃত্বে পরিমল রায়, মহিলা মোর্চার নেত্রী মিনা বর্মন সহ প্রমূখ বিজেপি কর্মী সমর্থকরা সিতাই এর আদাবাড়ি সংলগ্ন এলাকার বিজেপি কর্মী
গোপাল বর্মন এর বাড়িতে সৌজন্য সাক্ষাৎকারে যায়।
অভিযোগ, সে সময় স্থানীয় বিজেপি নেতা প্রশান্ত বর্মন এর নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। ঘটনার জেরে কয়েকজন বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত হয়। পাশাপাশি বিজেপি কর্মী গোপাল বর্মন এর বাড়ি ভাংচুরসহ বিজেপি নেতৃত্ব র একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। যদিও বিষয়টি নিয়ে বিজেপি নেতা প্রশান্ত বর্মন কে ফোন করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। সিতাই এর বিজেপি নেতৃত্ব নুরমহমদ প্রামানিক পরিমল রায় সহ প্রমুখ বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় তৃণমূলের চক্রান্তে র শিকার হয়ে প্রশান্ত বর্মন সহ প্রায় 70 জনের একটি দল আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। ঘটনার জেরে গোপাল বর্মন, রবীন্দ্র নাথ বর্মন গুরুতর আহত অবস্থায় সিতাই ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন। বিষয়টি সিতাই থানায় জানানো হয়েছে। তারা বলেন এরপর পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুশিয়ারি ও দেন।
গোপাল বর্মন এর বাড়িতে সৌজন্য সাক্ষাৎকারে যায়।
অভিযোগ, সে সময় স্থানীয় বিজেপি নেতা প্রশান্ত বর্মন এর নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। ঘটনার জেরে কয়েকজন বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত হয়। পাশাপাশি বিজেপি কর্মী গোপাল বর্মন এর বাড়ি ভাংচুরসহ বিজেপি নেতৃত্ব র একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। যদিও বিষয়টি নিয়ে বিজেপি নেতা প্রশান্ত বর্মন কে ফোন করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। সিতাই এর বিজেপি নেতৃত্ব নুরমহমদ প্রামানিক পরিমল রায় সহ প্রমুখ বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় তৃণমূলের চক্রান্তে র শিকার হয়ে প্রশান্ত বর্মন সহ প্রায় 70 জনের একটি দল আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। ঘটনার জেরে গোপাল বর্মন, রবীন্দ্র নাথ বর্মন গুরুতর আহত অবস্থায় সিতাই ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন। বিষয়টি সিতাই থানায় জানানো হয়েছে। তারা বলেন এরপর পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুশিয়ারি ও দেন।
Sunday, 16 June 2019
সিতাই এ পুলিশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ এনে গর্জে উঠল বিজেপি
শিরোনাম 24 ডেস্ক: সিতাই ব্লকের প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপি কর্মীদের পুলিশি সন্ত্রাসে বিরুদ্ধে মনোবল চাঙ্গা করতে উদ্যোগ নিল নেতৃত্ব। শনিবার সকাল থেকে রাত্রি প্রায় দশটা পর্যন্ত চলে এই কর্মসূচি। সিতাই এর বিজেপি নেতা নূর মোহাম্মদ প্রামানিক ও পরিমল বর্মন সহ প্রমুখের নেতৃত্বে বেশ কিছু বিজেপি কর্মী কে নিয়ে সিতাই ব্লকের বিভিন্ন জায়গায় সভা করতে দেখা যায়। এদিনের এই সচেতন সভায় পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যায় সিতাই এর লড়াকু বিজেপি নেতা নুর মহাম্মদ প্রামাণিককে। তিনি বলেন, দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে সিতাই থানার পুলিশ অভিযান না চালিয়ে বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের হেনস্তা করছে ও মারধর চালাচ্ছে। সম্প্রতি সিতাই এর তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক জগদিশ বসনিয়ার বাড়ি ভাঙচুর এর ঘটনায় যারা প্রকৃত দোষী তাদের না ধরে তিনজন নিরপরাধ বিজেপি কর্মীদের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। অবিলম্বে ধৃত 3 বিজেপি কর্মী কে ছাড়ার দাবি করতে দেখা যায় নূর মোহাম্মদ প্রামাণিককে। পাশাপাশি এদিনের এই কর্মসূচিতে নূর মোহাম্মদ প্রামাণিক পরিমল বর্মন সহ প্রমূখ নেতৃত্ব ধৃত 3 বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি সহ সব ভাবে সহযোগিতার আশ্বাস তাদের দিতে দেখা যায়।
সম্প্রতি, তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্বে একটি দল কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে কোচবিহার জেলার বিভিন্ন জায়গায় পরিদর্শনে আসেন। বেশ কিছুদিন ধরে সিতাই এর বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়া সিতাই এ না থেকে অন্যত্র থাকছিলেন। পাঁচ সদস্যের ওই দলের সাথে সিতাই এর বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়া কে সিটাইতে নিয়ে ঢুকবে জানতে পেরে এলাকার বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। যদিও পরবর্তীতে পাঁচ সদস্যের ওই দল সহ জগদিশ বসুনিয়া সিতাই এ যায় না। সেদিন সন্ধ্যায় বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়ার বাড়িতে পুলিশি পাহারা থাকা সত্ত্বেও ব্যাপক ভাঙচুর চলে বলে অভিযোগ। জগদীশ বসু নিয়া বলেন, বিজেপি রাজনীতির নাম করে সিতাই এ উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। পাশাপাশি বিজেপি কর্মীরা তার বাড়ি ভাঙচুর করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অভিযোগের তির বিজেপির বিরুদ্ধে থাকায় ঘটনার দিন রাতেই তিন বিজেপি কর্মীকে সিতাই থানার পুলিশ গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে সাধারন বিজেপি কর্মীদের ওপর পুলিশি অত্যাচার বাড়তে থাকে বলে এদিন নূর মোহাম্মদ প্রামাণিক সহ পরিমল বর্মন ও একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব উল্লেখ করে। এমনকি পরবর্তীতে কোন বিজেপি কর্মীকে পুলিশ হেনস্থা করলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন বলে জানান।
সম্প্রতি, তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্বে একটি দল কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে কোচবিহার জেলার বিভিন্ন জায়গায় পরিদর্শনে আসেন। বেশ কিছুদিন ধরে সিতাই এর বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়া সিতাই এ না থেকে অন্যত্র থাকছিলেন। পাঁচ সদস্যের ওই দলের সাথে সিতাই এর বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়া কে সিটাইতে নিয়ে ঢুকবে জানতে পেরে এলাকার বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। যদিও পরবর্তীতে পাঁচ সদস্যের ওই দল সহ জগদিশ বসুনিয়া সিতাই এ যায় না। সেদিন সন্ধ্যায় বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়ার বাড়িতে পুলিশি পাহারা থাকা সত্ত্বেও ব্যাপক ভাঙচুর চলে বলে অভিযোগ। জগদীশ বসু নিয়া বলেন, বিজেপি রাজনীতির নাম করে সিতাই এ উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। পাশাপাশি বিজেপি কর্মীরা তার বাড়ি ভাঙচুর করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অভিযোগের তির বিজেপির বিরুদ্ধে থাকায় ঘটনার দিন রাতেই তিন বিজেপি কর্মীকে সিতাই থানার পুলিশ গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে সাধারন বিজেপি কর্মীদের ওপর পুলিশি অত্যাচার বাড়তে থাকে বলে এদিন নূর মোহাম্মদ প্রামাণিক সহ পরিমল বর্মন ও একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব উল্লেখ করে। এমনকি পরবর্তীতে কোন বিজেপি কর্মীকে পুলিশ হেনস্থা করলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন বলে জানান।
Tuesday, 4 June 2019
তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙ্গন ধরাতে উদ্যোগ নিল কোচবিহারের সাংসদ
শিরোনাম২৪ ডেস্ক: বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের হাত ধরে দলবদল প্রধানসহ 28 জন পঞ্চায়েত সদস্যের। সোমবার রাতে কোচবিহার ভেটাগুড়ি তে তরুণ সাংসদ নিষেধ প্রামাণিককে এক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করে বিজেপি। সেই সংবর্ধনা মঞ্চে থেকেই কার্যত ভেটাগুড়ি নিজেদের দখলে নেয় ভারতীয় জনতা পার্টি। এদিনের এই সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিল, কোচবিহারের বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি ব্রজ গোবিন্দ বর্মন , অশোক মন্ডল সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব। এদিনের এই সংবর্ধনা সভায় নাম না করে তৃণমূলের একাধিক নেতৃত্বে র উদ্দেশ্যে সভার মাঝেই তীব্র কটাক্ষ করতে দেখা যায় সদ্য নির্বাচিত দাপুটে বিজেপি নেতা তথা তরুণ সাংসদ নিশিথ প্রামাণিককে।
ভিভিও দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিশিথ প্রামাণিক বলেন, অনেক লম্বা চওড়া তৃণমূলের নেতা ভেটাগুড়ি র পবিত্র মাটিকে সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর বানানোর চেষ্টা করলেও ভেটাগুড়ির মানুষ সেই চেষ্টা রুখে দেয়। বক্তব্য শেষ এরপর তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে গ্রাম প্রধান সহ 28 জন পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নিশীথ প্রামাণিকের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করে। এদিকে রাজ্যে যখন মুকুল রায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে একের পর এক নেতৃত্ব বিজেপিতে যোগদান করছে ঠিক তখনই কুচবিহারের অসংখ্য তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক থেকে শুরু করে নেতৃত্বকে নিশীথ প্রামাণিকের হাত ধরে বিজেপিতে যুক্ত হতে দেখা যাচ্ছে বলে তথ্য বিজ্ঞ মহল এর মত। যদিও নিশিথ প্রামানিক বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান হচ্ছে তাদের বিজেপির দলীয় নেতৃত্বের নির্দেশ অনুসারেই নেওয়া হচ্ছে। এমনকি ভবিষ্যতে কুচবিহার জেলার একাধিক বিধায়ক সহ রাজ্যজুড়ে আরো সাংসদ ও বিধায়ক বিজেপিতে যোগদান করবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন।
ভিভিও দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিশিথ প্রামাণিক বলেন, অনেক লম্বা চওড়া তৃণমূলের নেতা ভেটাগুড়ি র পবিত্র মাটিকে সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর বানানোর চেষ্টা করলেও ভেটাগুড়ির মানুষ সেই চেষ্টা রুখে দেয়। বক্তব্য শেষ এরপর তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে গ্রাম প্রধান সহ 28 জন পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নিশীথ প্রামাণিকের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করে। এদিকে রাজ্যে যখন মুকুল রায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে একের পর এক নেতৃত্ব বিজেপিতে যোগদান করছে ঠিক তখনই কুচবিহারের অসংখ্য তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক থেকে শুরু করে নেতৃত্বকে নিশীথ প্রামাণিকের হাত ধরে বিজেপিতে যুক্ত হতে দেখা যাচ্ছে বলে তথ্য বিজ্ঞ মহল এর মত। যদিও নিশিথ প্রামানিক বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান হচ্ছে তাদের বিজেপির দলীয় নেতৃত্বের নির্দেশ অনুসারেই নেওয়া হচ্ছে। এমনকি ভবিষ্যতে কুচবিহার জেলার একাধিক বিধায়ক সহ রাজ্যজুড়ে আরো সাংসদ ও বিধায়ক বিজেপিতে যোগদান করবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন।
Sunday, 2 June 2019
সিতাই থেকে দুই হাজার বাইক র্যলি গিয়ে অভিনন্দন জানলো সাংসদ কে
শিরোনাম ২৪ ডেস্ক : নিশীথ প্রামানিক জ্বরে ভুগছে কোচবিহার জেলা। কোচবিহার লোকসভার এই "সেলিব্রেটি" সংসদ কে ঘিরে আট থেকে আশি সকলের উন্মাদনা চোখে পড়ার মতো। তরুণ সংসদ নিশীথ প্রামানিক লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভের পর দিল্লী থেকে ফেরার পর চলছে একের পর এক সংবর্ধনা জ্ঞাপন। কখনো দেখা যাচ্ছে 2000 মোটর বাইক রেলি করে গিয়ে সংবর্ধনা দিচ্ছে। আবার কখনো বা দূরদূরান্ত থেকে পায়ে হেঁটে এসে একবার ছুঁয়ে দেখতে চাইছে নিশীথ প্রামাণিককে। হাজার হাজার লোকের সঙ্গে সেলফি তোলার পাশাপাশি আলিঙ্গন করতে দেখা যাচ্ছে সদ্য নির্বাচিত এই তরুণ সংসদ কে। কার্যত নিজের নাওয়া-খাওয়া ভুলে ভোরবেলা থেকে শুরু করে রাত্রি তিনটে পর্যন্ত চলে লোকের ভিড়। এত কিছুর মধ্যেও খোশমেজাজে দেখা যায় নিশীথ প্রামাণিককে। কখনো বয়স্ক মানুষের পায়ে হাত আবার কখনো বা শিশু কিশোরদের কোলে তুলে খোশমেজাজে চলছে গল্প। এরই মধ্যে কোচবিহারের সিতাই থেকে নূর মোহাম্মদ প্রামাণিকের নেতৃত্বে 2000 বাইক সহ প্রায় 500 গাড়ি ভর্তি দলীয় কর্মী সমর্থকরা নিশীথ প্রামাণিকের লাটাগুড়ির বাড়িতে গিয়ে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়ে আসে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে বিভিন্ন এলাকা থেকে সংবর্ধনা জানাতে আসে নিশীথ প্রামাণিকের ভক্তরা। লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেখা গেছিল সিতাই বিধানসভা তে ৩৬হাজারের বেশী ভোটে এগিয়েছিল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এর পরেই শুরু হয় বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষ। ভাঙচুর হয় উভয় দলের নেতাকর্মীদের বাড়ি। ঘটনার জেরে গুরুতর জখম হয় এক বিজেপি কর্মী। সিতাই এর তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও স্থানীয় বিজেপি নেতা নূর মোহাম্মদ প্রামানিক অভিযোগ অস্বীকার করে। পরবর্তীতে দিল্লি থেকে নিশিথ প্রামাণিক ফিরে আসার পর কিছুটা হলেও স্বস্তির হাওয়া বইতে শুরু করে সিতাইয়ে।
ভিদিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এসবের মধ্যে ও এই দাপুটে নেতা প্রভাব একচুলও কমেনি। কখনো তাকে দেখা যায় অটোগ্রাফ দিতে আবার কখনো বা কর্মী-সমর্থকদের সাথে সেলফি তে। " মানুষের জন্য করে গেছি, মানুষের জন্য করে যাব। সব সময় সবার পাশে ছিলাম আছি এবং ভবিষ্যতে থাকার চেষ্টা করব।" বলে উল্লেখ করেন বিজেপি র এই তরুণ সাংসদ। পাশাপাশি সাংসদ নিশীথ প্রামানিক বলেন , মানুষের এই ভালোবাসা আজীবন ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাবো।
ভিদিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এসবের মধ্যে ও এই দাপুটে নেতা প্রভাব একচুলও কমেনি। কখনো তাকে দেখা যায় অটোগ্রাফ দিতে আবার কখনো বা কর্মী-সমর্থকদের সাথে সেলফি তে। " মানুষের জন্য করে গেছি, মানুষের জন্য করে যাব। সব সময় সবার পাশে ছিলাম আছি এবং ভবিষ্যতে থাকার চেষ্টা করব।" বলে উল্লেখ করেন বিজেপি র এই তরুণ সাংসদ। পাশাপাশি সাংসদ নিশীথ প্রামানিক বলেন , মানুষের এই ভালোবাসা আজীবন ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাবো।
Sunday, 12 May 2019
জীতবে নিশীথ , বলছে যুব সম্প্রদায়
শিরোনাম ২৪ ডেস্ক, ১২ মেঃ কোচবিহার
লোকসভা কেন্দ্রের ভোট হয়ে গেছে প্রায় একমাস। ফল ঘোষণায় বাকি দশ দিন। এর মধ্যেই
সাধারন ভোটার দের মতে জয়ীর তালিকায় দেখা গেলো নিশীথ কে। পাশাপাশি পিছিয়ে নেই তৃনমূল
প্রার্থী পরেশ চন্দ্র অধিকারি।
কোচবিহার এর সীমান্তবর্তী মহকুমা দিনহাটা , সিতাই , শিতলকুচি , মাথাভাঙ্গা , নাটাবাড়ি, কোচবিহার উত্তর , কোচবিহার দক্ষিন মিলেয়ে মোট সাতটি বিধানসভায় সাধারণ ভোটারদের কাছে বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের নামই উঠে আসতে দেখা যায় । একেই মোদী হাওয়া দেশজুরে বইছে তাঁর মধ্যে কোচবিহারের মতো একটি লোকসভা কেন্দ্রে উদ্যমী যুবক কে প্রার্থী করায় বেশীরভাগ ভোটার বিজেপি মুখি । কার্্যত যুবক যুবতী থেকে শুরু করে নতুন ভোটার রা নিশীথ প্রামাণিক ওরফে বিট্টুর “ ফ্যান ” । যুব সমাজ শুধু নয় পাশাপাশি বয়স্ক ভোটারের অধিকাংশই নিশীথের জেতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না ।
যদিও
কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের শীতলকুচি সহ বেশ কয়েকটি বিধান সভায় তৃণমূল প্রার্থী
পরেশ চন্দ্র অধিকারি জীতবে বলে দাবি করতে দেখা গেছে ভোটারদের। ধর্ম সহিনষুতার
কারনেই বিজেপি কে পেশনে রেখে বিরাট পরিমান ভোটার তৃণমূল কংগ্রেসেই আস্থা রাখছেন ।
পাশাপাশি
নিশীথ প্রামানিককে বিজেপি স্টার
ক্যাম্পেনার হিসেবে দেখছে। সদ্য বিজেপি তে যোগদানকারী নিশীথ প্রামাণিক ইতিমধ্যেই
বিজেপি রাজ্য নেতা মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ।
কোচবিহারের বিজেপির লোকসভা
প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক কে ইতিমধ্যেই জলপাইগুড়ি , মালদা উত্তর , রায়গঞ্জ ,
বিষ্ণুপুর , ঝাড়গ্রাম , বালুরঘাট, বাঁকুড়া , মেদিনীপুর সহ একাধিক জায়গায় ভোট
প্রচারে দেখা যায় । এমনকি নিশীথের এই ভোট প্রচার চলে চ্যাটার্ড বিমান সহ
হেলিকাপ্টারে । বিগত কয়েক বছরে কোচবিহারের কোন বিজেপি প্রার্থিকে চ্যাটার্ড বিমান বা
হেলিকাপ্টারে করে অন্য লোকসভায় প্রচারে দেখা যায়নি । 
















































