আবির ভট্টাচার্য, শিরোনাম 24, 11 আগস্ট: কুচবিহার এর সাংসদকে দেখা গেল চায় পে চর্চা করতে। রবিবার সন্ধ্যায় কোচবিহারের সেলিব্রেটি সাংসদ নিশিথ প্রামাণিককে দেখা গেল একেবারে সাধারণ মানুষের মতো টোটো তে চেপে চায়ের দোকানে এসে আড্ডা দিতে। এদিন নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে টোটো তে চোরে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করতে দেখা যায় জেলার বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতৃত্ব কে। হাতের নাগালের মধ্যে এই সেলিব্রেটি সংসদ তথা তরুণ নেতা নিশিথ প্রামাণিককে দেখতে ভিড় জমান বহু উৎসুক জনতা। প্রত্যেকের সঙ্গে সে ভাবে কথা না বলতে পারলেও দীর্ঘক্ষন শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চায়ের দোকানে আড্ডা দিতে দেখা যায় কোচবিহারের সাংসদ নিশিথ প্রামাণিককে।
উচ্চ জীবন যাপন করলেও বিজেপির এই সাংসদকে এর আগেও দেখা গেছে সাধারণের মধ্যে একেবারে মিশে যেতে। অনেকের মতেই কোচবিহার লোকসভা তথা উত্তরবঙ্গের সকল সংসদ এর মধ্যে থেকে এর জনপ্রিয়তা গগনচুম্বী। অটোগ্রাফ থেকে শুরু করে সেলফি সবকিছুতেই সাংসদ নিশিত প্রামানিক ওরফে বিট্টু দা কে দেখা গেছে হাসিমুখে সামাল দিতে। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের থাকাকালীন সময় থেকেই রয়েছে তার অগাধ ফ্যান। বিশেষ করে যুবক যুবতীদের আইডিয়াল হিসেবে নিশীথ প্রামাণিকের নাম বারংবার উঠে এসেছে। কোচবিহার জেলা তথা উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ সেলুনে দেখা যায় বিট্টু কাট দাড়ি বানাতে। সেরকম একজন সেলিব্রেটি সাংসদকে একেবারে সাধারণ মানুষের মতো সাধারণ টোটো তে চেপে এসে চায়ের দোকানে আড্ডা মানে তার ফ্যানেদের কাছে বিরাট পাওনা। দীর্ঘক্ষন এই পরিক্রমা সহ চায় পে চরচা তে সাধারণ মানুষের দাবীদাওয়া দুঃখ হতাশা সবকিছুই জানতে চায় জেলার এই দাপুটে তথা সেলিব্রেটি সাংসদ নিশিত প্রামানিক। যদিও রাজনৈতিক মহলের মতেমুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিদিকে বল প্রচারে জনসাধারণের মধ্যে ছুটে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব কে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষকে বিজেপি মুখি করার প্রয়াসেই চায় পে চরচা বা শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। যদিও নিশিথ প্রামানিক বলেন, যেই সাধারণ মানুষেরা আমায় দুহাত ভরে আশীর্বাদ দিয়ে বিপুল সংখ্যক ভোটে তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে সেই সেবক হিসেবেই তাদের পাওয়া না পাওয়া দুঃখ কষ্ট জানতেই এদিন শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা সহ চায়ের দোকানে আড্ডা হয়। যদিও সর্বক্ষণ সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ পাওয়া না পাওয়া জানার জন্য আমি অপেক্ষা করি। তবু অনেক সময় দেখা যায় তারা নানান কারণবশত আমার বাড়ি বা কার্যালয়ে আসতে দ্বিধা বোধ করতেই পারে। সে কারণে আজকে যাতে তাদের কোনো রকম অসুবিধে না হয় সেজন্য তাদের দরবারেই আমি উপস্থিত হয়েছি। ভবিষ্যতেও তাদের সেবা করার জন্য সব সময় তারা আমাকে পাশে পাবে।
উচ্চ জীবন যাপন করলেও বিজেপির এই সাংসদকে এর আগেও দেখা গেছে সাধারণের মধ্যে একেবারে মিশে যেতে। অনেকের মতেই কোচবিহার লোকসভা তথা উত্তরবঙ্গের সকল সংসদ এর মধ্যে থেকে এর জনপ্রিয়তা গগনচুম্বী। অটোগ্রাফ থেকে শুরু করে সেলফি সবকিছুতেই সাংসদ নিশিত প্রামানিক ওরফে বিট্টু দা কে দেখা গেছে হাসিমুখে সামাল দিতে। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের থাকাকালীন সময় থেকেই রয়েছে তার অগাধ ফ্যান। বিশেষ করে যুবক যুবতীদের আইডিয়াল হিসেবে নিশীথ প্রামাণিকের নাম বারংবার উঠে এসেছে। কোচবিহার জেলা তথা উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ সেলুনে দেখা যায় বিট্টু কাট দাড়ি বানাতে। সেরকম একজন সেলিব্রেটি সাংসদকে একেবারে সাধারণ মানুষের মতো সাধারণ টোটো তে চেপে এসে চায়ের দোকানে আড্ডা মানে তার ফ্যানেদের কাছে বিরাট পাওনা। দীর্ঘক্ষন এই পরিক্রমা সহ চায় পে চরচা তে সাধারণ মানুষের দাবীদাওয়া দুঃখ হতাশা সবকিছুই জানতে চায় জেলার এই দাপুটে তথা সেলিব্রেটি সাংসদ নিশিত প্রামানিক। যদিও রাজনৈতিক মহলের মতেমুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিদিকে বল প্রচারে জনসাধারণের মধ্যে ছুটে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব কে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষকে বিজেপি মুখি করার প্রয়াসেই চায় পে চরচা বা শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। যদিও নিশিথ প্রামানিক বলেন, যেই সাধারণ মানুষেরা আমায় দুহাত ভরে আশীর্বাদ দিয়ে বিপুল সংখ্যক ভোটে তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে সেই সেবক হিসেবেই তাদের পাওয়া না পাওয়া দুঃখ কষ্ট জানতেই এদিন শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা সহ চায়ের দোকানে আড্ডা হয়। যদিও সর্বক্ষণ সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ পাওয়া না পাওয়া জানার জন্য আমি অপেক্ষা করি। তবু অনেক সময় দেখা যায় তারা নানান কারণবশত আমার বাড়ি বা কার্যালয়ে আসতে দ্বিধা বোধ করতেই পারে। সে কারণে আজকে যাতে তাদের কোনো রকম অসুবিধে না হয় সেজন্য তাদের দরবারেই আমি উপস্থিত হয়েছি। ভবিষ্যতেও তাদের সেবা করার জন্য সব সময় তারা আমাকে পাশে পাবে।


No comments:
Post a Comment