Tuesday, 15 December 2020

বিজেপি ছেড়ে কয়েক'শ কর্মী তৃণমূলে যোগদান করলো সিতাইয়ে

 


আবির ভট্টাচার্য সিতাই, 15 ডিসেম্বর: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোচবিহার সফরের আগে বিজেপির কয়েক'শ কর্মী-সমর্থক সিতাই এর বিধায়ক জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া র হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে পাশাপাশি মহা মিছিল করল তৃণমূল কংগ্রেস। জানা গিয়েছে দিনহাটা মহকুমার সিতাইয়ে এদিন সকালে এক মহামিছিলের আয়োজন করে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। প্রায় কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক নিয়ে এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের এই মিছিল সিতাই এর বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। এদিনের এই মহা মিছিলের নেতৃত্ব দেন সিতাই বিধায়ক জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়া, স্থানীয় নেতা নুর মহম্মদ প্রামানিক সহ প্রমুখ। সিতাই এর বিধায়ক জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া বলেন, এদিন সকালে বিজেপি ছেড়ে নুর মহম্মদ প্রামাণিকের নেতৃত্বে 300 টি পরিবার এর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি আগামীকাল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোচবিহার এর সভা কে সফল করতে কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক নিয়ে এক মহা মিছিল সিতাই ব্লকের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে বলে তিনি জানান। বিষয়টি নিয়ে নূর মহম্মদ প্রামাণিক বলেন, বর্তমানে সিতাই ব্লক এ বিজেপি বলতে কোন রাজনৈতিক দল এর অস্তিত্ব নেই। আগামী 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনকে লক্ষ্যে রেখে সকলে মিলে একসঙ্গে মমতা ব্যানার্জীর উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে একসঙ্গে কাজ করব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Sunday, 4 October 2020

মিছিলে অংশ নিতে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মী কে মারধরের অভিযোগ তৃনমূলের বিরুদ্ধে


শিরোনাম ২৪ ,আবির ভট্টাচার্য: কৃষক বিলের  সমর্থনে মহামিছিলের অংশ নিতে যাওয়ার সময় এক বিজেপি কর্মীর কে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রবিবার দিনহাটা সিতাই ব্লকে এই ঘটনা ঘটে। ওই বিজেপি কর্মীর পিন্টু বর্মন বর্তমানে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার বাড়ি সিতাই এর কায়েতের বাড়ি এলাকায় বলে জানা গিয়েছে।
বিজেপি নেতা প্রশান্ত রায় বলেন কৃষকদের নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সাথে সাথে সিতাই ব্লক এ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।সেই মিছিলে অংশ নিতে যাওয়ার সময় সিতাই হাই স্কুলের সামনে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মী পিন্টু বর্মন এর উপর হামলা চালায় মারধর করে। এরপর তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। তাকে আহত অবস্থায় দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। গোটা ঘটনা নেতৃত্বকে জানানোর পাশাপাশি পুলিশকে জানানো হচ্ছে।
বিজেপির অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক জগদীশচন্দ্র বর্মা বসনিয়া  বলেন এ ধরনের ঘটনা কত তার জানা নেই।নিজেদের অভ্যন্তরীণ গন্ডগোল কে তৃণমূলের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে বিজেপি।

Wednesday, 16 September 2020

অভিনব কায়দায় সোচ্চার কৃষকরা, বিজেপি মিথ্যেবাদী সরকার বললেন আবু আল আজাদ

 


শিরোনামঃ ২৪ ডেস্ক:  কৃষাণ মজদুর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পুরো রাজ্যের পাশাপাশি দিনহাটা মহকুমা জুড়ে বিক্ষোভ দেখালো দলীয় কর্মী সহ কৃষকেরা। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কাছে বেশ কয়েক দফার দাবিসহ নানান বঞ্চনার অভিযোগ তুলে অভিনব কায়দায় প্রতিবাদ জানালো কিসান খেতমজুর তৃণমূল কংগ্রেসের কৃষকরা। কিষান খেতমজুর তৃণমূল কংগ্রেসের দিনহাটা 1 নং ব্লক সভাপতি পরবানন্দ বর্মন বলেন , কৃষকদের চাষের প্রয়োজনীয় সার সহ কৃষি ঋণ মকুব করে পুনরায় ঋণ দেওয়ার দাবি সহ নানান দাবি-দাওয়া নিয়ে এদিন দিনহাটা জুড়ে বিক্ষোভ দেখায় সাধারণ কৃষক থেকে শুরু করে দলীয় কর্মীরা। তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম নেতা আবু আল আজাদ বক্তব্য রাখতে গিয়ে কার্যত কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখা গেল। তৃণমূলের দাপুটে নেতা আবু আল আজাদ বলেন, কেন্দ্রের মোদি সরকার মিথ্যেবাদী সরকার। যাদের জন্য দুবেলা খাওয়া জুটছে সেই কৃষকদের কে পর্যন্ত  বঞ্চনা করে গেছে। পাশাপাশি রেল সহ অতি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর গুলিকে একের পর এক বেসরকারিকরণ করে চলছেন। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেমন মিথ্যেবাদী ঠিক তেমনি তার দলের সাংসদ থেকে শুরু করে সাধারণ নেতৃত্ব। নাম না করে তিনি কার্যত কটাক্ষ করেন কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ কে। আবু আল আজাদ বলেন, আশা করেছিলাম এক যুবক কোচবিহারের সাংসদ হয়েছেন। তিনি ভালো কিছু করবেন কিন্তু সাংসদ কোন রকমের উন্নয়ন মূলক কাজ করছে না বলে প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা আবু আল আজাদ বলেন। যদিও বিষয়টি নিয়ে বিরোধী পক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

কেন্দ্রের মন্ত্রীসভায় ঠাই পেতে চলেছে নিশীথ সহ কয়েকজন




শিরোনামঃ২৪ ডেস্ক:   করোনা আবহের জন্য পিছিয়ে ছিল কেন্দ্রের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের কাজ। আন লকিং প্রক্রিয়া শুরু হতেই কেন্দ্রের মন্ত্রিসভায় বিরাট রদবদল হতে চলেছে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মন্ত্রিসভার নাম ঘোষণা করবে  কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বলে দলীয় সূত্রের খবর। মন্ত্রিসভার এই রদবদলে নতুন করে ঠাঁই পেতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকজন । পূর্ববর্তী সময়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার এক বছরের মধ্যেই মন্ত্রিসভার বেশ খানিকটা রদবদল করে । এবারও একই  ধাঁচে নতুন মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করতে চলেছে বলে দলীয় সূত্রে প্রকাশ। জানা গেছে, উত্তরবঙ্গের অন্যতম বিজেপি নেতা তথা কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক , রাজ্যসভার অন্যতম সদস্য স্বপন দাশগুপ্ত, হুগলির সাংসদ লকেট চ্যাটার্জি নাম থাকছে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের তালিকায়। 



 উত্তরবঙ্গ কে আরও সমৃদ্ধ করে তোলার পাশাপাশি রাজবংশী সম্প্রদায় কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া সহ যুবসমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে বিজেপি সরকার কেন্দ্রের রেল প্রতিমন্ত্রীর পদ দিতে চলেছে কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক কে। হুগলির সাংসদ লকেট চ্যাটার্জি , রাজ্যসভার অন্যতম সদস্য স্বপন দাশগুপ্ত সহ বেশ কয়েকজন কে প্রতিমন্ত্রীর পদ দিতে চলেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। 

 


এবিষয়ে কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক বলেন, দলের নেতৃত্ব যেটা ঠিক করবে সেটা আমি দলের সৈনিক হিসেবে মেনে চলা আমার কর্তব্য। বিষয়টি  নিয়ে ইতিমধ্যেই চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ২০২১ এ বিধানসভা নির্বাচন এ পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার কারণেই বাংলা থেকে বেশ কয়েকজনকে প্রতি মন্ত্রিত্ব দিতে চলেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।

Saturday, 12 September 2020

বিভূতি ভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম দিনে বিশেষ লেখা

                                                          আমার কলমে  বিভূতি

     


                          


   আদি প্রাণের আধুনিক বন্দনাকার বিভূতিভূষণ নাকি নিসর্গ চেতনার বাতিঘর বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়- এরকম নানাভাবে, বিভিন্ন অভিধায় তাকে অভিহিত করা যায়, যেতে পারে। কোনটাই অতিকথন বা অতিমূল্যায়ণ দোষে দুষ্ট হবে না হয়ত। বাংলা ভাষার সেই মহান কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টম্বর পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার কাঁচরাপাড়ার নিকটবর্তী ঘোষপাড়া-মুরারিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। মানুষের মহান কথাকারের স্মৃতির প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। উল্লেখ্য যে, তিনি ১৯৫০ সালের ১ নভেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আমার একজন প্রিয় লেখক বিভূতিভূষণ সম্পর্কে আরেকজন প্রিয় কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের আলোকিত বচন মনে পড়ছে, তিনি বলছেন,‘তুচ্ছের মধ্যে অমৃতের সন্ধান করে গেছেন বিভূতিভূষণ। কীভাবে তা মিলতে পারে অমৃতের স্বাদ নিতে নিতেই আমাদের তা জানিয়ে গেছেন। আমাদের নিজেদের অমৃত মিলুক আর না মিলুক, তাঁর লেখা পড়েই বুঝতে পারি সমস্ত জীবনে তাঁর এ বস্তুর গরমিল হয়নি।সাহিত্য সমালোচকগণ বলছেন, বিভূতিভূষণ যে মানবজগৎ সৃষ্টি করেছিলেন তা সারল্যে অসাধারণ। সনাতন গ্রামবাংলার জনজীবনের চিরায়ত ছবি তিনি এঁকেছেন নিপুণ, দক্ষ শিল্পকুশলতায়। গভীর মমতায়, শ্রমে তিনি এই কীর্তি স্থাপন করে গেছেন। কথাশিল্পী হিসেবে আশ্চর্যরকম সফল তিনি। গ্রামীণ জীবনের শান্ত, সরল, স্নিগ্ধ ও বিশ্বস্ত ছবি ফুটে ওঠে তাঁর নিরাসক্ত কথকতা ও বয়ানে, চুম্বকের মতো টেনে নেয় পাঠককে। মুগ্ধ করে, বিস্মিত করে। অথচ পথের পাঁচালী, অপরাজিত, আরণ্যক, ইছামতির মতো অসামান্য সব উপন্যাসের রচয়িতা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখালেখির জীবন ছিল স্বল্প। মাত্র আঠাশ বছর। এই লেখকের আয়ু ছিল মাত্র ৫৬ বছর।

  ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বিভাগে আইএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে বিএ পরীক্ষায়ও ডিস্টিংশনসহ পাশ করেন। এরপর তিনি কিছুদিন এম.এ এবং ল-ক্লাসে লেখাপড়া করেন। উল্লেখ্য, তিনি তাঁর তৃতীয় বার্ষিক পরীক্ষার সময় বসিরহাটের মোক্তার কালীভূষণ মুখোপাধ্যায়ের কন্যা গৌরী দেবীকে বিবাহ করেন। কিছুদিন পর এই স্ত্রী কলেরা রোগে মৃত্যুবরণ করেন। স্ত্রীর শোকে তিনি কিছুদিন প্রায় সন্ন্যাসীর মতো জীবনযাপন করেন। এরপর তাঁর লেখাপড়ার সমাপ্তি ঘটে। এই সময় তিনি হুগলি জেলার জাঙ্গীপাড়ায় মাইনর স্কুলে শিক্ষাকতা শুরু করেন। কিন্তু সেখানে তিনি অস্থিরতায় কাতর হয়ে, সোনারপুর হরিণাভিতে শিক্ষকতার চাকরি নিয়ে যান। এখানে থাকতেই তিনি প্রথম 'উপেক্ষিতা' নামক গল্প রচনা করেন। এবং গল্পের সূত্রে তাঁর সাহিত্যিক জীবনের শুরু হয়। গল্পটি প্রবাসী পত্রিকার ১৩২৮ বঙ্গাব্দের মাঘ সংখ্যায়(১৯২১ খ্রিষ্টাব্দ) প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর তিনি খেলাতচন্দ্র মেমোরিয়াল স্কুলে শিক্ষকতা করেন। এই সময় স্ত্রীর শোকে গভীরভাবে পরলোকতত্ত্ব চর্চা শুরু করেন।


 বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর (১৭ অগ্রহায়ণ, ১৩৪৭ বঙ্গাব্দ), ফরিদপুর জেলার ছয়গাঁও নিবাসী ষোড়শীকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয়া কন্যা রমা দেবীকে (ডাক নাম কল্যাণী) বিবাহ করেন। ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে দ্বিতীয় যুদ্ধের সময় তিনি খেলাতচন্দ্র মেমোরিয়াল স্কুল ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন এবং এখানকার গোপালনগর স্কুলে শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। এই সময় তিনি পৈতৃক ভিটার কাছে একটি পুরানো বাড়ি কেনেন এবং এই বাড়ি মেরামত করে সস্ত্রীক বসবাস শুরু করেন। বিয়ের পর তাঁর দুটি মৃত কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। এরপর পুত্র তারাদাস বন্দোপাধ্যায় (ডাকনাম বাবলু) জন্মগ্রহণ করেন। সংসার জীবনে তিনি তাঁর পিতার মতোই কিছুটা ভবঘুরে জীবনযাপন করেন। ১৯৪২-৪৩ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত, তিনি বন্ধু এবং বিহার সরকারের বন বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মচরী যোগেন্দ্রনাথ সিন্হার সাথে ছোটনাগপুর বিভাগের সিংভূম, হাজারীবাগ এবং রাঁচী ও মানভূম জেলার অরণ্য ভ্রমণ করেন। এছাড়া দুই-একবার তিনি সারান্দা বনের নিভৃত অরণ্যে বাস করেন।


  তাঁর রচনাসম্ভারের মধ্যে রয়েছে ১৫টি উপন্যাস, সাতখানা কিশোর উপন্যাস, দুইশ’র বেশি ছোটগল্প। পনেরোটি উপন্যাসের মধ্যে একটি ছিল অসমাপ্ত।শিশু-কিশোর উপন্যাসের মধ্যে তিনটি হলো বয়স্কপাঠ্য উপন্যাসের কিশোর সংস্করণ। এসবের বাইরে অন্যান্য বিষয়েও তিনি লিখে গেছেন। সেগুলোর সংখ্যা নিতান্ত কম নয়। তার মধ্যে রয়েছে ভ্রমণকাহিনী, ডায়েরি, প্রবন্ধ, অনুবাদ। ব্যাকরণ বইও তিনি লিখেছেন। উপন্যাস ও ছোটগল্প, ভ্রমণ-দিনলিপি এবং কিশোরদের উপযোগী রচনা-গদ্য সাহিত্যে এ চারটি কীর্তিস্তম্ভের ওপর বিভূতিভূষণের সাহিত্যিক কৃতিত্ব। এ চারটি কিন্তু একে অপরের থেকে কোনো অর্থেই ভিন্ন নয়। সুরে, বিষয়-নির্বাচনে, প্রশান্ত চিত্তের সহৃদয়তায় এগুলো যেমন সরস তেমনি জীবনরসে পূর্ণ।

 

 ইংরেজ শাসনের অব্যবহিত ফল হিসেবে বাংলাদেশে যে সাহিত্যের জন্ম, রামমোহন থেকে রবীন্দ্রনাথ পর্যন্ত যার বিস্তার। তাকে বাংলা সাহিত্যের ‘স্বর্ণযুগ’ বলা যাক বা না যাক, মার্কসীয় পদ্ধতিতে তার বিচার করতে গেলে আমাদের মনে রাখতে হবে, মার্কসবাদী-লেনিনবাদী সাহিত্যবিচারের মূল সূত্র : সাহিত্য হচ্ছে সামাজিক বাস্তবের প্রতিফলন, সমাজের স্তরে স্তরে শ্রেণী সংঘর্ষের প্রভাবে নিত্য যে আলোড়ন চলছে, বিভিন্ন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বিভিন্নভাবে তাতে সাড়া দেয়। এই শ্রেণীদ্বন্দ্বের ভেতর দিয়ে নির্বাচিত হয় সমাজের বিন্যাস কীভাবে পরিবর্তিত হয়, এ সমাজের গতি যাবে কোন দিকে। সাহিত্য এই শ্রেণীচেতনা হতে সৃষ্ট হয়ে সামাজিক পরিবেশের ওপর প্রতিঘাত করে। ‘লেখকমাত্রই মেধাবী’ কথাটি নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে সাহিত্য বোদ্ধামহলে। তবে একজন লেখক যে প্রখর আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন হবেন তা নিয়ে সন্দেহ থাকার কথা নয়। একজন বড় সাহিত্যিকের ‘টোটাল’ পরিচয় নিহিত থাকে তার সাহিত্যকর্মের ব্যাপ্তি ও বহুমুখীনতায়। বহুবিধ সংযোগ ও লিখন প্রতিভার গুণে একজন সৎ সাহিত্যিক নিজের জন্য পাঠক-বোদ্ধামহলে স্থায়ী আসন করে নিতে সম। এ ক্ষেত্রে লেখক তার চারিত অভিজ্ঞানের বিস্তৃতি ঘটান তার সৃষ্টিকর্মে। সমাজ, রাষ্ট্র, পরিবেশ, প্রতিবেশ, অর্থনীতি থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিষয়াবলী তাকে পরিমার্জিত শৈলীতে উপস্থাপন করতে হয় তার সাহিত্যে। যাপনের এমন কোনো বিষয়-আশয় নেই যা একজন সাহিত্যিক স্পর্শ করতে অম। যে কারণে সৎ সাহিত্যিকের হাতে রচিত সাহিত্যকর্ম যুগ যুগ ধরে পাঠক তার অন্তঃস্থলে ধরে রাখে। অনেক সময় দেখা যায়, আপাতসরল দৃষ্টিতে সমাজ সম্পর্কে উদাসীন সাহিত্যিকের রচনাতেও গভীরভাবে উঠে আসে তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থার অনুপুঙ্খ বাস্তবতা। এক্ষেত্রে সাহিত্যিক অনেকটা অজ্ঞাতসারেই তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে সম হন। এরূপ রচনা পাঠে আলোচকরা প্রথমদিকে রচনাটির শিল্পমূল্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলেও সেটির নিবিড় পাঠ ও পর্যালোচনায় আবিস্কৃত হয় অপরিমেয় শিল্পমূল্য এবং সমাজ মূল্য। এ ধরণের সাহিত্য পাঠে সাহিত্যিকের এক ধরণের নিরীক্ষাপ্রবণ মানসিকতার সঙ্গে পাঠকের পরিচয় ঘটে। উন্মেষ ঘটে লেখকের শ্রেণীসচেতনতার। লিখনীতে মানব-সংসারের বিচিত্রতা তেমনভাবে ফুটে ওঠেনি এমন অভিঘাতে জর্জরিত হতে হয় ‘পথের পাঁচালী’র অমর রূপকার বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাহলে প্রশ্ন জাগে- বিভূতিভূষণ কি শ্রেণীচেতন ছিলেন না? মানুষের জীবন-যাপনের প্রতিমুহূর্তের বিবর্তিত অবস্থা, সংঘাত জানতেন না তিনি? প্রকৃতার্থে বিভূতিভূষণ রচিত উপন্যাস কিংবা ছোটগল্পের চরিত্র স্থান, কাল, পাত্র সমন্বয়িত হতে দেখা যায় সুষম বিন্যাসে। উপন্যাসিক হিসাবে বিভূতিভূষণের খ্যাতি বেশি হলেও তার গল্পগুলোতে আবেগঘন পরিস্থিতির প্রাধান্য থাকায় সমকালীন অনেক সমালোচক তার ব্যাপারে ঔদাসীন্য দেখিয়েছেন। সমাজতন্ত্রবাদী লেখক ও সমালোচকরাও তাকে এড়িয়ে গেছেন। অথচ তার ‘মেঘ মল্লার’ (১৯৩১), ‘মৌরীফুল’ (১৯৩২), ‘জন্ম ও মৃত্যু’ (১৯৩৮), ‘নবাগত’ (১৯৪৪) গ্রন্থের গল্পগুলো শ্রেণীচেতন বিভায় সমুজ্বল। বিভূতিভূষণের রচনাতে একদিকে যেমন ফুটে ওঠে শ্রেণী-বৈষম্য তেমনি রয়েছে নর-নারীর শ্বাশত রোমান্টিকতা। রয়েছে প্রকৃতি অবলোকনের অপূর্ব দর্শন। ইউরোপ-আমেরিকার নবজীবন-চেতনার প্রবাহ এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তীকালে সামাজিক ও নৈতিক অবস্থার পরিবর্তনের প্রবল হাওয়ায় তৎকালীন ভারতের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে নাগরিক জীবনের আলোড়ন, আক্ষেপ, হতাশা নানামুখী বৈশিষ্ট্য নিয়ে তার রচনাশৈলীতে স্পষ্টভাবেই মুদ্রিত। 

 নিভৃতচারী এই কথাশিল্পীই রচনায় পল্লীর জীবন ও নিসর্গ রূপায়ণে বাংলার আবহমানকালের চালচিত্র ও মানবজীবনের অন্তর্লীন সত্তা প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর রচনায় প্রকৃতি কেবল প্রকৃতিরূপেই আবির্ভূত হয়নি, বরং প্রকৃতি ও মানবজীবন একীভূত হয়ে অভিনব রসমূর্তি ধারণ করেছে। মানুষ যে প্রকৃতিরই সন্তান এ সত্য তাঁর বিভিন্ন রচনায় প্রতিফলিত হয়েছে। প্রকৃতির লতাপাতা, ঘাস, পোকামাকড় সবকিছুই গুরুত্বের সঙ্গে স্বস্বভাবে তাঁর রচনায় স্থান পেয়েছে। প্রকৃতির অনুপুঙ্খ বর্ণনার মধ্য দিয়ে বিভূতিভূষণ গভীর জীবনদৃষ্টিকেও তুলে ধরেছেন। তবে তাঁর রচনায় নিম্ন মধ্যবিত্ত বাঙালির জীনবচিত্র ও সমকালের আর্থসামাজিক বাস্তবতাও সমভাবে উন্মোচিত হয়েছে। তাই বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্রের পরে বিভূতিভূষণই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।


 বিভূতিভূষণ আপাদমস্তক একজন প্রকৃতিপ্রেমিক। তিনি অরণ্য-জঙ্গল-ঝোপঝাড়ের গাছ-গাছালির মধুর সৌন্দর্য শুধু নিজেই বিমুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেননি, পাঠকদের কাছেও সেই সুন্দর মনোহর রূপটি তুলে ধরেছেন। তার উপন্যাস পড়ার পর পাঠক এতটাই অভিভূত ও তৃপ্ত হন যে বিভূতিভূষণের বর্ণিত অপরূপ ছবি নিজের চোখে না দেখলেও তা জীবন্ত হয়ে তাদের মনের পর্দায় ভেসে থাকে। এ কথা যেমন 'পথের পাঁচালী'র বেলায় সত্য তেমনি সত্য 'আরণ্যক' বা 'ইছামতী'র বেলায়ও। ‘পথের পাঁচালী’ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনন্য কীর্তি। বিশ্বনন্দিত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় এটির চলচ্চিত্রায়ন করেন। ফলে এই উপন্যাসের খ্যাতির পরিধি বহির্বিশ্বেও ছড়িয়ে পড়ে। বিভূতিভূষণ সাহিত্য অঙ্গনে প্রবেশ করেন এই উপন্যাসটির মধ্য দিয়েই। এটিই তাঁর প্রথম উপন্যাস, একই সঙ্গে প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থও। পথের পাঁচালী প্রথমে ধারাবাহিকভাবে বের হয়েছিল মাসিকপত্র ‘বিচিত্রা’য়। এক বছরেরও বেশি সময় লেগেছিল এতে। বই আকারে এটি বের হয় ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে, ১৩৩৬ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে। এ বই বেরুবার আগে সাময়িকপত্রে এই লেখকের কয়েকটি ছোটগল্প প্রকাশিত হয়। লেখক হিসেবে সামান্য পরিচিতি ছিল তখন। সেই সময় এ বিশাল আয়তন উপন্যাসের প্রকাশক জোগাড় করার কাজটি সহজ ছিল না। ঝুঁকি নিয়ে এ দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছিলেন সজনীকান্ত দাস। তার নিজস্ব কোনো প্রকাশনা সংস্থা ছিল না। শুধু এ বইটা বের করার জন্যই তিনি ‘রঞ্জন প্রকাশালয়’ প্রতিষ্ঠা করেন। ‘পথের পাঁচালী’ বই হিসেবে বেরুবার আগেই বিচিত্রা পত্রিকায় এর বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হতে থাকে। সেই বিজ্ঞাপনে বলা হয়, বইটির দাম রাখা হবে তিন টাকা। বিজ্ঞাপন ছিল এরকম : “শ্রীবিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রণীত বাঙলা ভাষায় সম্পূর্ণ নূতন ধরনের উপন্যাস। শিশুমনের দুর্জ্ঞেয় রহস্য ইতিপূর্বে আর কেহ এদেশে এরূপভাবে উদ্ঘাটিত করেন নাই; অন্য দেশেও কেহ করিয়াছেন কি না আমাদের জানা নাই। উপন্যাসখানি ‘বিচিত্রা’য় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হইতেছে। ইতিমধ্যেই সাহিত্য-রসিক মহলে ইহার সম্বন্ধে বিস্তর আলোচনা হইয়াছে।”রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন যে, ‘বইখানা দাঁড়িয়ে আছে আপন সত্যের জোরে।’


 বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আরণ্যক’ আমার প্রিয় উপন্যাস। যখন জঙ্গলমহালের কর্মরত ছিলেন, তখনই ভেবেছিলেন অরণ্যজীবনসংশ্লিষ্ট কাহিনী লেখার কথা। অনেকে মনে করেন, ‘আরণ্যক’ হচ্ছে তাঁর শ্রেষ্ঠ লেখা। ‘স্মৃতির রেখা’ নামের দিনলিপিতে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেনও সেকথা।বিভূতিভূষণ জানতেন মানুষ একসময় অরণ্য থেকে বহুদূরে চলে যাবে তাদের নগরায়ণের নামে এক ধ্বংসলীলার দিকে। তাদের সেই ভবিষ্যৎ জীবনের কথা ভেবে তিনি রচনা করে গেছেন প্রকৃতির অকৃত্রিম উপাদান ‘আরণ্যক’ উপন্যাসটি। যেখানে মানুষ খুঁজে পাবে তার আসল গন্তব্য এবং সত্যিকারের আশ্রয়ের ঠিকানা। কারণ মানুষ প্রকৃতি ছাড়া বেঁচে থাকতে পারে না। প্রকৃতিই তার আসল সঙ্গী। জল যেমন যেতে চায় জলের কাছে তেমনই মানুষও যেতে চায় প্রকৃতির মাঝে। নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পায় সে। প্রকৃতি আর মানুষের মধ্যে এভাবেই তো গড়ে উঠেছে আদিম প্রেম এবং যৌথ জীবনের সংসার। ‘আরণ্যক’ উপন্যাসে মানুষ আর প্রকৃতির নিজস্ব নিঃসঙ্গতাও ফুটে উঠেছে। যেখানে শরীরের প্রয়োজনে শরীর নেই কিন্তু মনের প্রয়োজনে মন আছে। সত্যিকথা বলতে বিভূতি সবসময় তার একটি ব্যক্তিগত জগৎ-কে তৈরি করতে চেয়েছেন। যেখানে সব কিছুই সুন্দর, আবার সব কিছুই অসুন্দর। যেখানে প্রেম আছে আবার তীব্র ঘৃণা আছে। সব মিলে একটা ব্যক্তিগত পুরাণ ভেসে ওঠে তার চিত্রকল্পে। প্রকৃতির গভীর ভালোবাসাকে সে গ্রহণ করতে চেয়েছেন নিজস্ব কৌশলে। যার কিছুটা স্বাদ পাঠকও লাভ করে উপন্যাসটি পড়ে। কিন্তু মানুষ দিনে দিনে যান্ত্রিক হয়ে উঠছে। গ্রাম হয়ে উঠছে আধুনিক শহর। বন উজাড় করে তৈরি হচ্ছে ফসলের মাঠ। যতো সময় যাচ্ছে আমরা আমাদের মনের মতো প্রকৃতির সবুজকেও হারাচ্ছি। বন্য পশুপাখি হারাচ্ছে তাদের নিরাপদ আশ্রয়। সবমিলে আমরা যাচ্ছি কেথায়? ধ্বংসের দিকে! বিভূতি যদিও তার উপন্যাসে এই সত্যের প্রকাশ এতো পরিষ্কারভাবে করেননি। তিনি প্রকৃতির প্রেম, প্রকৃতির নিজস্বতা, প্রকৃতির সাথে সাথে মানুষের সম্পর্ককে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। আসলে শিল্পের রস শিল্পেই থাকে। তাকে গ্রহণ করতে হয় শৈল্পিকভাবে।


 অন্নদাশঙ্কর রায় লিখেছেন,“এমন প্রকৃতি-পাগল সাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যে বিরল। প্রকৃতিকে চোখে দেখে ভালো লাগে না কার কিন্তু তাকে ভালোবেসে তার গভীরে অবগাহন করা অন্য জিনিস। বিভূতিকে সেই জন্যে বছরে কয়েকমাস অরণ্যবাস করতে হতো। আর কয়েক মাস পল্লীর কোলে কাটাতে হতো। ইছামতী নদীর কূলে। তাঁর জীবনের যুগল মেরু ছিল অরণ্য ও দক্ষিণায়ন। শহরে থাকলেও তিনি শহুরে ছিলেন না। কোনোদিন হতে চাননি। নাগরিক সভ্যতা তাকে বশ করতে পারেনি। তার পোশাকে-আশাকে নাগরিকতার লেশ ছিল না। বৈঠকখানায় তিনি বেমানান। চিড়িয়াখানায় যেমন চিড়িয়া।”


 মহান কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৫০ সালের ১ নভেম্বর (১৫ কার্তিক ১৩৫৭) বুধবার, রাত্রি ৮টা ১৫ মিনিটে বিহারের (বর্তমানে ঝাড়খণ্ড) ঘাটশিলায় মৃত্যুবরণ করেন।

 আবির ভট্টাচার্য

Thursday, 10 September 2020

গীতালদহ তে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী কনভেনশন অনুষ্ঠিত হলো



আবির ভট্টাচার্য, কোচবিহার,9 সেপ্টেম্বর: এক বিরাট সংবর্ধনা সভার পাশাপাশি কর্মী কনভেনশন অনুষ্ঠিত হলো দিনহাটা মহকুমার সীমান্ত সংলগ্ন প্রত্যন্ত গ্রাম গীতালদহ এলাকায়। সদ্য নির্বাচিত তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কোচবিহার জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত অভিজিত দে ভৌমিক (হিপ্পি) কে সংবর্ধনা দেওয়ার পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের এই সভা মঞ্চ থেকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ রেখে বিরোধীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখা গেল। এদিনের এই সংবর্ধনা সভা সহ কর্মী কনভেনশনের মূল দায়িত্বে ছিলেন দিনহাটার অন্যতম তৃণমূল কংগ্রেস নেতা পাশাপাশি গীতালদহ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান আবু আল আজাদ। গীতালদহ হরিরহাট স্কুলের মাঠে বিরাট কর্মী কনভেনশন এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে সকল বক্তা বিজেপি সরকারের প্রতি কার্যত তোপ দাগেন। এ দিনের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন , জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেস নেতা অভিজিৎ দে ভৌমিক, তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম নেতা আবু আল আজাদ, তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুবল রায়, পরবানন্দ বর্মন, দিনহাটার তৃণমূল যুব কংগ্রেস নেতা অজয় রায়, যুবনেতা জাকারিয়া বাপ্পা হোসেন সহ প্রমুখ নেতৃত্ব। এদিন এই মঞ্চ থেকে কার্যত 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল শুরু হয় বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। এদিনের এই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দিনহাটার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা আবু আল আজাদ বলেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের উন্নয়ন কে বারংবার বাধার মুখে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বাধাকে উপেক্ষা করে একের পর এক উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছে ন। জন্ম থেকে মৃত্যু সম্পূর্ণ জীবন এ একজন সাধারন মানুষের যা যা প্রয়োজন তা সবকিছুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর হাতে তুলে দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ বিজেপির মত সাম্প্রদায়িক দল কে ছুঁড়ে ফেলে দেবে বলে তিনি কটাক্ষ করেন। পাশাপাশি সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলার যুব নেতা অভিজিত দে ভৌমিক যুব ও মূলধনের ব্যবধান ভুলে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার, উন্নয়নে শামিল হওয়ার আহ্বান তিনি জানান। এছাড়াও সকল তৃণমূল কংগ্রেস ও তৃণমূল যুব কংগ্রেস নেতৃত্ব কে বিজেপির প্রতি সোচ্চার হতে দেখা যায়।

Saturday, 29 August 2020

চোরাই বাইক সহ বাইক চুরির মূল পান্ডা দিনহাটা পুলিশের জালে ধৃত



আবির ভট্টাচার্য, দিনহাটা, 29 আগস্ট:  চুরি যাওয়া মোটর বাইক সহ দুই জন কে গ্রেফতার করলো দিনহাটা থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সত্য রঞ্জন সরকার নামের চিলকির হাট এলাকার এক বাসিন্দার মোটর বাইক চুরি যাওয়ার অভিযোগ জমা পড়তেই নড়েচড়ে বসে কোচবিহার জেলা পুলিশ। সূত্র মোতাবেক খবর পেয়ে গতকাল গভীর রাতে দিনহাটা শহরের চওড়া হাট বাজার এলাকা থেকে দিনহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত সাব ইন্সপেক্টর দীপক রায়ের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী গিয়ে দুই জন ব্যক্তি সহ চুরি যাওয়া মোটর বাইক টি উদ্ধার করে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে দিনহাটা থানার আই সি সঞ্জয় দত্ত বলেন , একটি চুরি যাওয়া মোটর বাইক সহ দুই ব্যক্তি কে বাইক চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েচে। এবং ধৃত দের মধ্যে এক জন বাইক চুরি চক্রের পান্ডা বলে তিনি জানান।

Saturday, 22 August 2020

লকডাউন এর জেরে উত্তরবঙ্গের সর্বশ্রেষ্ঠ গণেশ উৎসব জৌলুস হারালো

 

দিনহাটা,22 আগস্ট: লকডাউন এর জেরে ভাটা পরল উত্তরবঙ্গের সর্বশ্রেষ্ঠ  ভেটাগুড়ি র গণেশ উৎসবে। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে দিনহাটা মহকুমার প্রত্যন্ত গ্রাম পঞ্চায়েত ভেটাগুড়ি এলাকায় কোচবিহারের সেলিব্রিটি সাংসদ তথা যুব সমাজের আইকন নিশীথ প্রামাণিকের গণেশ উৎসব হয়ে আসছে। বলাবাহুল্য নিশীথ প্রামাণিকের নিজের হাতে সৃষ্টি করা ভেটাগুড়ি গণেশ উৎসব ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গ ছাড়িয়ে রাজ্য তথা দেশের মধ্যে অন্যতম নজির গড়ে তুলেছে। বিগত কয়েক বছর ধরে উত্তরবঙ্গের এই শ্রেষ্ঠ গণেশ উৎসব জৌলুষপূর্ণ হলেও করনার প্রকোপ এ এ বছর আরম্ভর পূর্ণভাবে হলো না। এর জেরে স্বভাবতই মন খারাপের পালা চলছে দিনহাটা মহকুমার সহ গোটা উত্তরবঙ্গের সাধারণ মানুষের। যদিও নিয়ম রক্ষার জন্য ভেটাগুড়ি র নিজ বাসভবনে গণেশ পুজো করতে দেখা গেল কোচবিহার সংসদ নিশিথ প্রামানিক কে। বিগত বেশ কিছু বছর ধরে কয়েক কোটি টাকার বাজেটে ভেটাগুড়ির গণেশ উৎসব পালিত হচ্ছে যার অন্যতম কান্ডারী তৎকালীন যুব নেতা তথা বর্তমান কোচবিহার সাংসদ নিশীথ প্রামানিক। কিন্তু কোরোনা র মতন মহামারীর প্রকোপে এবছর পুজো তেমন ধুমধামের সাথে পালন করতে না পেরে খারাপ লাগছে খোদ সেলিব্রেটি সংসদের। বিজেপির সাংসদ নিশীথ প্রামানিক বলেন, গণপতি বাপ্পার পুজোর যথাযোগ্য নিয়ম রক্ষার কারনে এবছর পুজো করলেও কোথায় যেন একটু খারাপ লাগছে। প্রতিবছর এই দিনটায়  সমগ্র উত্তরবঙ্গ তথা রাজ্যের অধিকাংশ জেলার বাসিন্দারা ভেটাগুড়ির দিকে তাকিয়ে বসে থাকে। কারণ প্রতি বছর উত্তরবঙ্গের তথা রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ গণেশ উৎসব পালিত হয় দিনহাটা মহকুমার ভেটাগুড়ি  ময়দানে। কিন্তু এ বছর দীর্ঘ লকডাউন পর্ব চলার পর করোনা মহামারীর প্রকোপ এখনো কমেনি। সে কারণেই এবছর জৌলুস হীন ভাবে সিদ্ধিদাতা গণেশের পুজো হয়। তিনি আরো বলেন, বাবা গনেশের আশীর্বাদে আগামী বছর পৃথিবী সুস্থ হলে দ্বিগুণ আয়োজনে ভেটাগুড়ি গণেশ উৎসব পালিত হবে বলে আশা করি। সাধারণ বাসিন্দারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভেটাগুড়ি গণেশ উৎসবের জন্য রাজ্য ছাড়িয়ে দেশে অন্যতম স্থান গ্রহণ করেছে। যার মূল উদ্যোক্তা খোদ সাংসদ নিশীথ প্রামানিক। কিন্তু এ বছর করণার কারণে উৎসব বন্ধ থাকলেও আগামী বছরের জন্য দিন গুনতে শুরু করেছে বাসিন্দারা।




















তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে দিনহাটা এফ-ব্লক জুড়ে পালিত হল দেশের স্বাধীনতা দিবস

 দিনহাটা, 15  আগস্ট: দিনহাটা 1 ব্লকের যুবনেতা মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে দিনহাটা1 ব্লক জুড়ে যথাযোগ্য সম্মান এর সঙ্গে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা পালন করল দেশের 74 তম স্বাধীনতা দিবস। জানা গিয়েছে দিনহাটা এক ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় যুবনেতা মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে তৃণমূল যুব কংগ্রেস ব্লগ জুড়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সঙ্গে সঙ্গে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে। দিনহাটা এক ব্লকের গীতালদহ, ওকড়াবাড়ি, থেকে শুরু করে দিনহাটা শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন এলাকায় যুব তৃনমূলের পক্ষ থেকে কয়েক হাজার চারা গাছ রোপন কর্মসূচী পালিত হয়। যুবনেতা মাহফুজুর রহমান বিষয়টি নিয়ে বলেন, জেলা তৃণমূল কংগ্রেস ও তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নির্দেশ অনুযায়ী দিনহাটা এক নম্বর ব্লকে দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি র মাধ্যমে দেশের 74 তম স্বাধীনতা দিবস পালন করে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা।

Thursday, 16 July 2020

দিনহাটা শহরে ভর- দুপুরে তৃণমূলের কোন্দল, ভাঙচুর গাড়ি

শিরোনাম ২৪, দিনহাটা, 16 জুলাই: ফের যুব মাদার দ্বন্দ্ব শুরু হল দিনহাটা শহরের সংহতি ময়দানে। এদিন বিকেলে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের শালমারা অঞ্চল সভাপতি তপন বর্মন কে মারধরসহ তার গাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ উঠল দিনহাটা পুরসভার 1 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জয়দীপ ঘোষ এর বিরুদ্ধে। পাশাপাশি জয়দীপ ঘোষ এর গাড়ি ও বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে দলেরই শাখা সংগঠন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি তপন বর্মণ বলেন, এদিন দুপুরে তিনি স্থানীয় কয়েকজন পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে দিনহাটা মহকুমা শাসকের কাছে কিছু জরুরী কাজে আসেন। সে সময় উদয়ন গুহ ঘনিষ্ঠ 1 নম্বর ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর জয়দীপ ঘোষ উদয়ন গুহ ফোনে অনুমতি পাওয়া মাত্রই তার ওপর চড়াও হয়। তাকে ব্যাপক মারধর করার পাশাপাশি গাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে যাওয়ার পর তিনি দিনহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এদিকে বিষয়টি চাউর হতেই তৃণমূল যুব কংগ্রেসের অসংখ্য কর্মী-সমর্থক থানায় এসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। যদিও তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জয়দীপ ঘোষ। তিনি বলেন কোথাও কোনো ঝামেলা হলেই রীতিমতন পরিকল্পনামাফিক তার নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সাথে তার কোনো রকম সম্পর্ক নেই।
 এদিকে থানায় বিক্ষোভের পর অভিযুক্ত 1 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জয়দীপ ঘোষের বাড়িতে চড়াও হয় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা। ভাঙচুর করা হয় জয়দীপ ঘোষের বাস ও একটি গাড়ি। তথ্য বিজ্ঞ মহলের মতে গিরগিটির মতো রং বদলে এতদিন যারা তৃণমূলের মূল সংগঠন এ ছিল তারই একটা বৃহৎ রূপ বদলে যুবর সংগঠনে মিশেছে। বিষয়টি নিয়ে কোনরকম মন্তব্য করতে চাননি দিনহাটার বিধায়ক তথা বনন নিগমের চেয়ারম্যান দিনহাটা পুরসভার পুরপ্রধান উদয়ন গুহ।

Tuesday, 14 July 2020

ফের লকডাউন এর পথে রাজ্য সরকার

শিরোনাম ২৪ ডেস্ক, ১৪জুলাই: ফের পুরোপুরি লকডাউন হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। এদিন রাজ্য সরকারের এনফোর্সমেন্ট টাস্কফোর্সের অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারি ও চেয়ারম্যান আলাপন বন্দোপাধ্যায় জানান, আগামীকাল থেকে  থেকে পুরোপুরি  লক ডাউন কোচবিহার, মালদা, রায়গঞ্জ , জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়ি শহরে চলবে। এখনো পর্যন্ত জানা যাচ্ছে,
অনির্দিষ্ট কালের জন্য ঘোষণা করলো রাজ্য সরকার ।

Wednesday, 8 July 2020

দিনহাটায় বিস্ফোরণের অভিযোগ বিজেপির




আবির ভট্টাচার্য দিনহাটা, ৮ জুলাই: বিজেপি কর্মীর বাড়ির সামনে বোমা বিস্ফোরণের জেরে কেঁপে উঠল দিনহাটা শহর সংলগ্ন আটিয়াবাড়ী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। ঘটনার  প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই ময়দানে নেমে পড়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। বুধবার দিনহাটা শহরের নির্বাচনী কার্যালয় এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিক বৈঠক করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। অভিযোগ, সোমবার গভীর রাতে দিনহাটা 1 ব্লকের আটিয়াবাড়ী এলাকার বিজেপি কর্মী দিলীপ বর্মন এর বাড়ির সামনে কে বা কারা রাতের অন্ধকারে বেশ শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণ করে । এর জেরে কেঁপে ওঠে সংশ্লিষ্ট এলাকা। এদিন এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব অশোক মন্ডল, দীপ্তিমান সেনগুপ্ত, ডালিম রায় সিংহ, লেবু খান, নারায়ণ বর্মন সহ প্রমুখ দিনহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পরবর্তীতে দিনহাটা শহরের নির্বাচনী কার্যালয় এ সাংবাদিক বৈঠক করেন। সাংবাদিক বৈঠকে দীপ্তিমান সেনগুপ্ত বলেন, গত পরশুদিন মধ্যরাতে বিজেপির একজন কার্যকর্তা র বাড়িতে রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে কে বা কাহারা বোমা বিস্ফোরণ করে। ঘটনা ঘটার পর দিনহাটা থানা থেকে পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিল। এবং গতকাল বিজেপি নেতৃত্ব ঘটনাস্থল দেখতে যান। পাশাপাশি বিজেপি নেতা দীপ্তিমান সেনগুপ্ত পুলিশ এর উপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ঘটনা ঘটার প্রায় ৭২ ঘন্টা কেটে গেলেও পুলিশের তরফ থেকে এখনো পর্যন্ত সেরকম কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। তিনি আরো বলেন, আজকে জেড পি ২৪ এর মন্ডল সভাপতি ডালিম রায় সিংহের নেতৃত্বে দিনহাটা থানায় লিখিত ভাবে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। পাশাপাশি তিনি বলেন, সামনেই বিধানসভা নির্বাচন তার প্রাক্কালে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় কার মত অস্ত্রের শক্তি প্রদর্শন যাতে শুরু না হয় সেজন্য পুলিশের কাছে আবেদন সুয়োমোটো মামলা করে ঘটনার প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। পাশাপাশি সংগঠনের তরফ থেকে বলা হয় অবিলম্বে দোষীদের সনাক্তকরণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনে নাম্বার হুঁশিয়ারিও তারা দেন।

Sunday, 5 July 2020

নিশীথ কে ঘিরে জয়ের আশায় বুক বাঁধছে উত্তরের বিজেপি কর্মীরা

শিরোনাম 24 ডেস্ক, কোচবিহার: আবারো ধস তৃণমূল শিবিরে। রবিবার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিল 30 টি পরিবার। বিজেপি নেতৃত্ব অশোক মন্ডল, দীপ্তিমান সেনগুপ্ত ও রফিক লেবু তাদের হাতে বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে দেন। দিনহাটা মহকুমার আটিয়াবাড়ী এলাকা কার্যত শাসক দল তৃণমূলের গড়। সেখানেই এত বিপুল পরিমাণ কর্মী সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান এর ঘটনাকে সামান্য নজরে দেখছে না বিরোধী দলগুলি। স্বভাবতই ২১ এর ভোটের আগে গুটি সাজাতে ব্যস্ত বিজেপি। আর সেই কারণে ক্রমেই গোটা রাজ্য জুড়ে চলছে ব্যাপক পরিমাণে অভিযান। বিশেষ করে কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক ফুল অ্যাকশনে ইতিমধ্যেই নেমে গেছেন। কোচবিহার জেলা সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে মূলত তরুণ সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের টানেই যুবসমাজ সমস্ত দল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করছে।শুধু নেতা, কর্মী আর সমর্থকদের বিজেপিতে নিয়ে এসেই খান্ত থাকছেন না তিনি। গোটা রাজ্য জুড়ে চালাচ্ছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান।

 রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানান ইস্যুতে সরব হওয়ার জন্য কখনো তিনি থানার সামনে আবার কখনো রাস্তার মাঝে বসে পড়তে দেখা গেছে । আগামী বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপির ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন কোচবিহারের এই সাংসদ। আর তৃণমূলের প্রধান মাথা ব্যাথার কারণও হয়ে উঠেছেন তিনি। দিনকে দিন ওনার যেমন জনপ্রিয়তা বেড়েছে। তেমনই তৃণমূলের যুব সমাজের মুখ অভিষেক ব্যানার্জীর জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। আর এই নিয়ে গভীর চিন্তায় গোটা শাসক দল। তবে নিশিত প্রমানিক কে ঘিরে কোচবিহারের বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা একুশে ক্ষমতায় আসার আশায় বুক বাঁধছে। 

Tuesday, 16 June 2020

আর্থিক সহযোগিতা সহ খাদ্য সামগ্রী ও দুই ছাত্রীর শিক্ষা ভার গ্রহণ করল বিবর্তন

বিবর্তনের পক্ষ থেকে ওকড়াবাড়ি এলাকার বেশ কয়েকটি পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলির হাতে যাবতীয় খাদ্য সামগ্রী সহ অর্থ সাহায্য করা হলো। সংস্থার তরফ থেকে ডা: উজ্জ্বল আচার্য বলেন, ওকড়াবাড়ি এলাকায় বেশ কয়েকটি পরিবার আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়ার কথা জানতে পেরে বিবর্তনের পক্ষ থেকে আর্থিক সাহায্য সহ যাবতীয় খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
পাশাপাশি সংস্থার তরফ থেকে পঞ্চম ও দশম শ্রেণীর দুই ছাত্রীর পড়াশোনার যাবতীয় দায়িত্ব বিবর্তনের তরফ থেকে পালন করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ইতিপূর্বেই দিনহাটা সহ কোচবিহার জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিবর্তন এর তরফ থেকে সমাজসেবামূলক কাজের থেকে শুরু করে করোনা র এই আবহের মধ্যে লকডাউন এর জেরে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবার গুলিকে সাহায্য করা হয়েছিল। মঙ্গলবার দিনহাটা 1 ব্লকের ওকড়াবাড়ি এলাকায় এদিন ফের দুস্থ পরিবারগুলির হাতে খাদ্য সামগ্রী সহ অত্যাবশ্যকীয় জিনিস তুলে দেওয়া র এই মহান কর্মকাণ্ডকে বাহবা দিচ্ছে এলাকার গুণীজনেরা। সংগঠনের প্রায় সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে এদিন সংস্থার কর্ণধার তথা এলাকার বিশিষ্ট চিকিৎসক উজ্জ্বল আচার্য সহ সংগঠনের সদস্যরা চাল ডাল তেল নুন থেকে শুরু করে যাবতীয় খাবারসহ 1000 টাকা তুলে দেন দুস্থ পরিবার গুলির হাতে।

Wednesday, 3 June 2020

গর্ভবতী হাতিকে বিস্ফোরক বোঝাই আনারস খাইয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ

শিরোনাম ২৪ ডেস্ক: খিদের জ্বালাই মৃত্যুর কারণ হলো গর্ভবতী হাতির। দক্ষিণ  মাত্র ১৫ বছর বয়সী গর্ভবতী হাতিকে বিস্ফোরক ভরা আনারস খাইয়ে নিশংস ভাবে মেরে ফেলার ঘটনা ঘটলো। জানা গেছে, গর্ভবতী ওই হাতিটি খিদের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে বেশ কয়েকদিন আগে কেরালা রাজ্যের মালাপ্পুরম এ লোকালয়ে আসে। সে সময় একটি আনারস এ বিস্ফোরক ভরে কেউ বা কারা খাইয়ে দেয়। বিস্ফোরকে ভরা আনারস টি মুখে পুরতেই আনারসের ভেতরে থাকা বিস্ফোরক মুখের ভেতরে ফেটে যায়। ক্রমাগত মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে গর্ভবতী হাতির। সুর সহ মুখের ভেতরে বিভিন্ন স্থানে গভীর ভাবে ফেটে যায়  বিস্ফোরণের ফলে। সেই অবস্থায় টানা ২-৩ দিন দক্ষিণ ভারতের ওই গ্রামে ঘুরে বেড়ালেও দক্ষিণ ভারতের কেরালা রাজ্যের মালাপ্পুরাম এলাকার কোন বাসিন্দা গর্ভবতী ওই হাতিটি কে সহায়তা করতে এগিয়ে আসেনি। ক্ষুধা-তৃষ্ণায় কাতর সহ গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত ওই গর্ভবতী হাতিটি এলাকার বিন্দুমাত্র ক্ষয়ক্ষতি করা কিংবা কোন মানুষকে আঘাত পর্যন্ত করেনি। অবশেষে হাতিটি এলাকার ভেল্লিয়ার নদীতে নেমে দাড়িয়ে থাকে। পাছে যদি একটু স্বস্তি পাওয়া যায়। কিন্তু জলে নেমে তৃষ্ণা মিটলো খুদা কষ্টের বিন্দুমাত্র লাঘব হয়নি। বিষয়টি বনদপ্তর জানতে পেরে এদিন হাতিটিকে উদ্ধার করতে যায়। কিন্তু কয়েকদিন খেতে না পেরে গর্ভবতী ওই হাতিটি শারীরিকভাবে একদম ভেঙে যায় পাশাপাশি মুখের ভেতরে বিস্ফোরকের কষ্টে ততক্ষণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে হাতিটি। এলাকার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক মোহন কৃষ্ণন বলেন, টানা কয়েকদিন মুখের ভেতরে  বিস্ফোরণের মতো গুরুতর আঘাত সহ অভুক্ত অবস্থায় লোকালয় ঘুরে বেড়ালেও কোন মানুষকে আহত করা কিংবা কোন বাড়ি ঘর ভাঙ্গা র মত কাজ হাতে কি করেনি। এমনকি কোনো মানুষের দিকে তেড়ে যায়নি পর্যন্ত। তিনি আরো বলেন, দুটি হাতির সাহায্যে মৃত ওই হাতিটি কে জল থেকে তুলে এনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।  হাতিটিকে প্রাণে বাঁচাতে পারবে খুব ভালো লাগতো বলে তিনি উল্লেখ করেন। এমন অমানবিকতার কান্ড দক্ষিণ ভারতে এর আগেও ঘটেছে। তবে এবার হাতিটি গর্ভবতী থাকায় দক্ষিণ ভারতের এই নৃশংসতার শিকার হল হাতিটির গর্ভস্থ সন্তানটি পর্যন্ত। যদিও পুলিশ এখনো পর্যন্ত কাউকে এই ঘটনায় গ্রেফতার করতে পারেনি। এদিকে বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হতেই দক্ষিণ ভারতের এমন মর্মস্পর্শী ঘটনার জন্য দায়ী অপরাধীদের চূড়ান্ত থেকে চূড়ান্ত তর শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হচ্ছে নেটিজেনরা। পাশাপাশি এমন অমানবিকতার ঘটনা দেশের অন্যান্য জায়গায় খুব কম হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন অনেকে। 

Sunday, 24 May 2020

ঈদ সামগ্রী বিতরণ করলো দিনহাটার নস্যশেখ উন্নয়ন পরিষদ

 শিরোনাম ২৪:   নস্যসেখ  উন্নয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে কুচবিহার  জেলার বিভিন্ন প্রান্তের অসহায় গরীব দুস্থদের মধ্যে ঈদের সামগ্রী বিতরণ করা হল।করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ দিনে দিনে বেড়ে যাওয়াএবং লকডাউনের ফলে  ছোট ছোট গরীব ব্যবসায়ী  এবং দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলো সম্পূর্ণরূপে অসহায় হয়ে পরেছে। তার ফলে ঈদ পালনের জন্য সামান্য বাজার টুকু করার সামর্থ্য অনেকেরই নেই। এই অবস্থায় নস্যশেখ উন্নয়ন পরিষদের কুচবিহার জেলা কমিটির পক্ষ থেকে গরীব দুঃস্থ  মানুষদের বাড়িতে খুশির ঈদ পালনের সামান্য উপকরণসমূহ যেমন সেমাই, চিনি, দুধএবং অন্যান্য মশলাপাতি সমূহ নিয়ে  একটি করে প্যাকেট  তুলে দেওয়া হয়।নস্যশেখ উন্নয়ন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক আমিনাল হক বলেন যে "এত অনাড়ম্বর ঈদ এর আগে কখনো হয়নি।তাই সবাই মিলে ঈদের খুশিকে ভাগ করে নেবার জন্য এই আমাদের ক্ষুদ্র প্রয়াস।"  জেলা কমিটির সম্পাদক এডভোকেট আহসান উল আলম সরকার বলেন "মানুষের এই দূর্দিনে তাদের পাশে সামান্য এই ঈদ উপহার টুকু নিয়েও দাঁড়াতে পেরে নিঃসন্দেহে ভালো লাগছে ।"

Saturday, 28 March 2020

পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোর হাতে খাদ্য তুলে দিলো ভেটাগুড়ির উদ্যমী যুবক

শিরোনাম 24 ডেস্ক: লকডাউন এর জেরে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলির হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিলেন এক উদ্যমী যুবক। দিনহাটা 1 ব্লকের ভেটাগুড়ি এলাকায় লকডাউন এর জেরে কর্মহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে শ্রমিক পরিবারগুলি। টাকা না থাকার দরুন অর্ধাহারে কোন মতন ভাবে দিন গুজরান করছে তারা। এমন খবর জানতে পেরে এলাকার উদ্যমী তরুণ পেশায় ফল বিক্রেতা বিকি দত্ত বেশ কয়েকটি পরিবারের হাতে চাল,ডাল, ও আলু তুলে দেয়। এর জেরে পরিবারগুলি কিছুটা হলেও সুবিধা হয়। বিকি দত্ত বলেন, লোক মারফত জানতে পারি এলাকার বেশ কিছু পরিবার একবেলা না খেয়ে কাটাচ্ছে। লকডাউন এর জেরে গরিব পরিবারগুলির রোজগার একেবারেই বন্ধ। এমন অবস্থা জানতে পেরে আমার সামর্থ্য অনুযায়ী ভেটাগুড়ি এলাকার বেশ কিছু গরিব পরিবারের হাতে সাধ্যমত চাল-ডাল আলু তুলে দেই। এলাকারই এই স্বহৃদয় যুবক বিকি দত্ত র এহেন কর্ম কাণ্ডে দিনহাটা 1 ব্লকের ভেটাগুড়ি সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় কিছুটা হলেও উদ্বুদ্ধ হয়েছে যুব সম্প্রদায়।
দেশজুড়ে লকডাউন এর মতো মারাত্মক পরিস্থিতির মধ্যেও নিয়ম মেনে এলাকার পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মধ্যে নিজ আয়ের খাদ্য সামগ্রী বিলির ঘটনাকে বাহবা দিচ্ছে সমাজসেবী মহল।

Friday, 13 March 2020

শাসকদলের এক নেতার ঘনিষ্ঠ যুবককে পিস্তলসহ আটক করল এলাকার বাসিন্দারা

শিরোনাম 24: তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কোচবিহার জেলার শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি কে একটি দেশি পিস্তল সহ আটক করল এলাকার বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিনহাটার গীতালদহ 1 গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সন্দেহজনক ভাবে ঘুরতে দেখা যায় রাহুল হক নামের এক ব্যক্তি কে। এলাকার বাসিন্দারা সন্দেহজনকভাবে ঘুরতে থাকা ওই যুবককে আটকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে তার কথায় অসংগতি থাকে । পরবর্তীতে ওই যুবক কোমরের থেকে পিস্তল বার করে শূন্যে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। উত্তেজিত এলাকার বাসিন্দারা রাহুল হক নামের ওই যুবককে ব্যাপক মারধর করে স্থানীয় সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়।পরবর্তীতে দিনহাটা থানা থেকে বিরাট পুলিশ বাহিনী গিয়ে অভিযুক্ত ওই যুবককে নিয়ে আসে। ধৃত ওই যুবক দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে পুলিশ সেলে রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। গীতালদহ 1 গ্রাম পঞ্চায়েতের স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কোচবিহার জেলা সভাপতি বিষ্ণুপদ বর্মনের ঘনিষ্ঠ ওই যুবক বেশ কিছুদিন ধরে এলাকায় তোলাবাজি সহ নানান অসামাজিক কাজকর্ম করছিল। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে ধৃত ওই যুবক বলে, তাকে রাজনৈতিক হিংসার শিকার করা হয়েছে। বিষয়টি দিনহাটা থানা খতিয়ে দেখছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

Friday, 6 March 2020

রাষ্ট্রপতি রামনাথ কবিন্দের আমন্ত্রন পেলেন সাংসদ নিশীথ

শিরোনাম 24: একের পর এক অবিস্মরণীয় ঘটনার ইতিহাস গড়তে শুরু করেছে কোচবিহারের সাংসদ নিশিথ প্রামাণিক। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের 24 ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ভারতের মহামহিম রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ব্রেকফাস্ট টেবিলে আমন্ত্রণ পত্র পেল  কার্যত বাংলার জনপ্রিয় সাংসদ নিশীথ প্রামানিক। জানা গিয়েছে আগামী শুক্রবার সকাল সোয়া নয়টা টা থেকে সংসদ নিশির প্রামাণিক এর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট টেবিলে বৈঠকে বসবেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কবিন্দ। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষন একান্ত বৈঠকের পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে । তারই মধ্যে রাষ্ট্রপতির মতন দেশের প্রথম ব্যক্তির সঙ্গে জল খাবারের টেবিলে বৈঠকের আমন্ত্রণপত্র কোচবিহার তথা বাংলা প্রধানমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ জনপ্রিয় সংসদ নিশীথ প্রামাণিকের হাতে আসার ব্যাপারটি জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে বিভিন্ন রকম ধারণা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। কার্যত কোচবিহারের প্রথম সংসদ নিশীথ প্রামানিক এর চলাচল প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি ভবন পর্যন্ত। এর জেরে আনন্দের জোয়ার বইছে কোচবিহারের সাধারন বাসিন্দাদের মনে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে এর জেরে কার্যত ব্যাপক চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বিরোধী শিবিরে।  এদিকে বাংলার গেরুয়া শিবিরে নিশীথ প্রামাণিকের জয়জয়কার চলছে। পাশাপাশি কলকাতার শহীদ মিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ বলেছিলেন "ভূমিপুত্র" হবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সেই আশায় কোচবিহার থেকে শুরু করে পুরো বাংলা নিশির প্রামাণিক কে ঘিরেই আশায় বুক বাঁধছে। দেশের রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ কোচবিহারের জনপ্রিয় সাংসদ নিশিথ প্রামাণিক বলেন, মহামহিম রাষ্ট্রপতি জল খাবারের টেবিলে যোগদানের আমন্ত্রণপত্র পেয়েছি। ভীষণ আনন্দ লাগছে। বাংলার ও বিশেষ করে কুচবিহারের লোকো সংস্কৃতি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের পাওয়া না পাওয়ার ঘটনা ওনাকে জানাবো।

Thursday, 5 March 2020

নমো ও নিশীথের বৈঠক , জল্পনা তুঙ্গে রাজনৈতিক মহলের

শিরোনাম 24 ডেস্ক: কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক কে নিজের দপ্তরে ডেকে পাঠালেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার টানা কয়েক ঘন্টা দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন সাংসদ নিশীথ প্রামানিক। পিএম ও সূত্রে জানা গেছে, উত্তরবঙ্গ সহ পশ্চিমবঙ্গের লোকসংস্কৃতি থেকে শুরু করে চা শিল্প, রাজবংশী সম্প্রদায় সহ একাধিক বিষয় ও রাজনীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে দীর্ঘক্ষন আলোচনা চলে। যদিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘনিষ্ঠ সাংসদ নিশীথ প্রামানিক এ বিষয়ে তেমন কিছু বলতে চাননি। রাজনৈতিক মহলের মতে, সংসদ তালিকার এক নম্বর  সংসদ তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘনিষ্ঠ নিশীথ প্রামানিক কে হয়তো গুরুত্বপূর্ণ কোনো আলোচনার জন্য ডেকেছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ রেখেই হয়তো আজকের এই দীর্ঘক্ষন আলোচনা সভা চলে নরেন্দ্র মোদি ও নিশীথ প্রামাণিকের মধ্যে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে নাম ছড়িয়ে গেছে কুচবিহারের তরুণ সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের। পাশাপাশি বিজেপির শুধুমাত্র কোচবিহার জেলা উত্তরবঙ্গই নয় ইতিমধ্যেই পুরো রাজ্যে র একমাত্র পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছে প্রতাপী সাংসদ নিশীথ প্রামানিক। তবে কি বিজেপির তরফ থেকে বিশেষ কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব কিংবা ভোট পর্বের দায়িত্ব পেতে পারে নিশিথ? ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। বারংবার নিশিথ প্রামাণিক কে দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির খুব কাছেই। তার ওপর খোদ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় এ এদিন সাংসদ নিশীথ প্রামানিক কে প্রধানমন্ত্রীর তলব কে ঘিরে কার্যত চিন্তায় পড়েছে বিরোধী পক্ষ। বিষয়টি নিয়ে সাংসদ নিশীথ প্রামানিক রাজধানী দিল্লি থেকে বলেন,  প্রধানমন্ত্রীর অফিস বা পিএম ওতে আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী র  সঙ্গে কিছুক্ষণ নানান বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। যদিও রাজনৈতিক প্রশ্ন সমস্ত এড়িয়ে গেছেন কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক।

Wednesday, 4 March 2020

শিক্ষকের পাশে দাঁড়ালো সাংসদ ছাত্র নিশীথ

শিরোনাম 24: অসুস্থ শিক্ষকের পাশে দাঁড়ালো সাংসদ ছাত্র। কোচবিহার এর সাংসদ নিশীথ প্রামানিক তার শিক্ষার্থী জীবনের গৃহ শিক্ষক এর অসুস্থতার কথা শুনে বিশেষ তৎপর হতে দেখা গেল। জানা গেছে, দিনহাটা শহর সংলগ্ন মদনমোহন বাড়ি বাইপাস এলাকার বাসিন্দা বিকাশ সরকার পেশায় গৃহশিক্ষকতা কাজ করে ন। দীর্ঘদিন ধরে বিকাশ বাবুর দুটো কিডনিই অকেজো অবস্থায় পড়ে থাকে। আর্থিক অনটন এর কারণে চিকিৎসা মাঝপথেই থামিয়ে দিতে হয়েছিল বিকাশ বাবুর। বিষয়টি কুচবিহারের তরুণ দাপুটে সংসদ নিশীথ প্রামাণিকের কানে যেতেই বিকাশবাবু পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্কের এক অনন্য নজির গড়লেন। বিকাশবাবু বলেন, ছাত্র অবস্থায় বর্তমানে কোচবিহারের সাংসদ নিশিথ প্রমানিক আমার বায়োলজি বিষয়ের ছাত্র ছিলেন। আমার অসুস্থতার কথা জানতে পেরে তৎক্ষণাৎ বিশেষ তৎপরতার সঙ্গে চিকিৎসার দায়িত্বভার সহ বিশেষ পরিষেবায় বিমানে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দেয়। নিশিথ প্রমানিক যদি সহযোগিতার হাত না বাড়িয়ে দিত তাহলে হয়তো বিনা চিকিৎসায় পড়ে থাকতে হতো। বিকাশ বাবু বলেন, ছেলেবেলা থেকেই আদরের বিট্টু খুব দুর্দান্ত বুদ্ধিমান ও ভালো ছাত্র ছিল। আগেই বুঝেছিলাম ও ভবিষ্যতে ভালো একটা জায়গায় পৌঁছে যাবে। কিন্তু এত ভালো জায়গায় পৌঁছাবে সেটা কল্পনা করতে পারিনি। তিনি আরো বলেন, এমন প্রতাপশালী সাংসদ ছাত্র এভাবে আমায় সহযোগিতা করবে এ আমার কল্পনাতীত। বিকাশবাবু স্ত্রী কনিকা সরকার বলেন, শুনেছিলাম কোচবিহারের সাংসদ মানুষরূপী ভগবান । আজ বাস্তবে তার প্রমাণ পেলাম। উনি যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছে সেটা স্বপ্নেও ভাবা যায়নি। হয়তো উনার এই সহযোগিতার কারণে সুস্থ অবস্থায় ফিরতে পারবে বিকাশবাবু। বিষয়টি নিয়ে কোচবিহারের সাংসদ নিশিথ প্রামাণিক বলেন, ছেলেবেলা থেকেই শিক্ষক বিকাশ সরকারের কাছে বায়োলজি পড়তাম। গতকাল রাত্রে জানতে পারি শিক্ষক মহাশয় জটিল রোগে আক্রান্ত। বিষয়টি জানার পর থেকে মানসিকভাবে একেবারে ভেঙ্গে পড়ি। পরবর্তীতে রাজধানী দিল্লির এমইস এ চিকিৎসা সহ যাবতীয় দায়িত্ব ভার নিজের কাঁধে তুলে নেই। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর উচিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পাশে সর্বদা দাঁড়ানো, বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রসঙ্গত, কোচবিহার তথা উত্তরবঙ্গ সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের এক বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব কোচবিহারের তরুণ সাংসদ নিশীথ প্রামানিক। শুধু রাজনীতির ময়দানে গোল করেই তিনি থেমে থাকেন না। ঝাঁপিয়ে পড়তে দেখা যায় দরিদ্র থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা মানুষের বিপদের সময়। প্রতিনিয়ত তিনি আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া বিভিন্ন মানুষের সেবা করে যান। এদিন তার ছেলে বেলার শিক্ষকের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ার কর্মকান্ড শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্কের এক অনন্য নজির গড়লো।

Tuesday, 3 March 2020

লোক সংস্কৃতি নিয়ে বিরাট সাফল্যের পথে নিশীথ

শিরোনাম 24: এই প্রথম স্থানীয় লোকসংস্কৃতি জাতীয় স্তরে তুলে ধরতে কেন্দ্রীয় সরকারের পর্যটন ও সংস্কৃতি দফতরের উদ্যোগে কোচবিহারে অনুষ্ঠিত হবে রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি মহোৎসব। আজ দিল্লী থেকে ফোনে এখবর জানিয়েছেন কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক। ২৬ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ওই অনুষ্ঠান হবে কোচবিহারে। থাকবেন কেন্দ্রীয় পর্যটন ও সংস্কৃতি মন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল সহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও সাংসদরা।  তবে জেলার কোথায় ওই অনুষ্ঠান করা হবে তা এখনও ঠিক হয় নি। ৭ মার্চ কোচবিহারে ফিরে সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক স্থানীয় স্তরে বৈঠক করে অনুষ্ঠানের স্থান নির্বাচন করবেন বলে জানা গিয়েছে।  সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক বলেন, “কোচবিহার সহ উত্তরবঙ্গের যে সমৃদ্ধ সংস্কৃতি রয়েছে।যা গোটা দেশের মানুষের কাছে তো বটেই আন্তর্জাতিক স্তরেও পৌঁছানো প্রয়োজন, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের পর্যটন ও সংস্কৃতি দফতরের মন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেলের সাথে কথা বলেছি। তারপরেই এবছর ২৬ জানুয়ারির দিল্লীর অনুষ্ঠানে কোচবিহারের চন্ডী নৃত্য তুলে ধরা হয়েছে। এবার রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি মহোৎসবের মত অনুষ্ঠান কোচবিহারে করার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের ওই মন্ত্রক।”সাংসদ জানিয়েছেন, প্রত্যেক বছর কেন্দ্রীয় সরকারের পর্যটন ও সংস্কৃতি মন্ত্রক দেশের দুটি জায়গায় এই রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি মহোৎসব হয়। তবে কোচবিহারে এর আগে এই অনুষ্ঠান হয় নি। কিন্তু কোচবিহারের ভাওয়াইয়া গান, বৈরাতী নৃত্য, চণ্ডী নৃত্য, বিষহরা সহ বিভিন্ন ধরনের সংস্কৃতি যেমন রয়েছে। সংস্কৃতি মহোৎসবে সে সব তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি লোকশিল্পীদের সম্মান জানানো ও আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

এছাড়াও কোচবিহার জেলার একটি রাজ ইতিহাস রয়েছে। রয়েছে রাজাদের নির্মিত বহু প্রাচীন স্থাপত্য। যা দেশ বিদেশের পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু এর আগে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সেই বার্তা সেভাবে কেউ পৌঁছাতে পারে নি বলে সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক দাবি করেছেন। আর তাই তিনি এবার কোচবিহার থেকে বিজেপির সাংসদ হয়ে দিল্লীতে পৌঁছানোর পর রাজ আমলের নারায়ণী সেনার নামে ভারতীয় সেনাতে রেজিমেন্ট তৈরির জন্য যেমন লোকসভায় সোচ্চার হয়েছেন।
একই ভাবে কোচবিহার সহ উত্তরবঙ্গের সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছানোর জন্য তাঁকে তৎপর হতে দেখা যাচ্ছে। সাংসদ বলেন, “লোকসংস্কৃতি শিল্পী, সাহিত্য সংস্কৃতির সাথে যুক্ত কৃতি ব্যক্তিত্বদের সম্মান জানানো এবং সরকারি আর্থিক সুবিধা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের বেশ কিছু প্রকল্প রয়েছে। সেই সব প্রকল্প থেকেও সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য কাজ করার চেষ্টা করে যাবো।

Monday, 2 March 2020

ব্যাপক খারাপ অবস্থায় মা গঙ্গা

শিরোনাম 24 ডেস্ক: বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে দক্ষিণেশ্বর ঘাটের মা গঙ্গা।  পশ্চিমবঙ্গের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ভয়াবহ তথ্য দেওয়া হয়েছে ১৭টি নদী সম্পর্কে। ১৭টি নদীর জল স্নান করার অযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই নদীকে কেন্দ্র করেই লক্ষ লক্ষ মানুষের বাস এবং সেখানেই স্নান করেন তাঁরা।
সবচেয়ে খারাপ অবস্থা দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন গঙ্গার জলের। প্রতিদিন এই ঘাটে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পূণ্যস্নান করেন। প্রায় ৪৪টি জায়গা থেকে গঙ্গার জল তুলে পরীক্ষা করা হয়েছে। দক্ষিণেশ্বরের জলের পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ। এতে বায়োকেমিকাল অক্সিজেন ডিমান্ডের পরিমাণ অত্যন্ত খারাপ। জলে অক্সিজেনের মাত্রা এতটাই কম যে মাছও বেঁচে থাকতে পারবে না। এতে ভয়াবহ রোগের হাতছানি রয়েছে মানুষের।
গঙ্গার জল ১৪টি জায়গা থেকে নেওয়া হয়েছে। উত্তর ও হিমালয় সংলগ্ন এলাকা থেকে ৫টি নদীর জল, পশ্চিম থেকে ১৯টি এবং দামোদরের ১০টি জায়গা থেকে জল পরীক্ষা করা হয়েছে। এই প্রতিটি জায়গার জলই স্নানের অযোগ্য বলে দাবি করেছে PCB-র রিপোর্ট। যোগ্যতায় থাকা প্রয়োজন (5mg/litre dissolved oxygen; 3ml/litre biochemical oxygen demand and 500MPN/100ml coliform bacteria)
নদীগুলির অবস্থা মৃতপ্রায়। নিকাশি ব্যবস্থা নদীগুলি থেকে দ্রুত দূরে সরানো উচিত। পর্ষদের চেয়ারম্যানও নদীগুলির ভয়াবহ দূষণের কথা মেনে নিয়েছেন। কয়েক দশক আগে নদীগুলির দূষণ পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেই সময় থেকে বর্তমান পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ বলে মনে করেন তিনি।
বিষয়টি নিয়ে বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামানিক বলেন , বিষয়টি খুবই চিন্তার। পুরান মতে যুগ যুগ ধরে মানুষের পাপ নাশ করে পূর্ণ প্রদানকারী মা গঙ্গার এমন অবস্থা খুবই খারাপ। অবিলম্বে মা গঙ্গা কে স্বচ্ছ ও নির্মল করার বিষয় সবাই কে উদ্যোগ নিতে বলেন।

Sunday, 23 February 2020

যোগীরাজ্যে স্বর্ণখনি নেই বলছে ভূতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ সংস্থা

শিরোনাম 24 ডেস্ক:  উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রে বিশাল সোনার খনির হদিশ পাওয়ার খবর ঘিরে আলোড়নের মধ্যেই যাবতীয় জল্পনা-কল্পনায় জল ঢালল ভারতের ভূতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ সংস্থা (জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া বা জিএসআই)। এ ব্যাপারে সোনভদ্র জেলার খনি আধিকারিকের দাবি খারিজ করে দিয়েছে জিএসআই। এর আগে জেলার এক খনি আধিকারিক জানিয়েছিলেন যে, সোনভদ্রে প্রায় ৩,০০০ টন সোনার খনির হদিশ মিলেছে। সেই দাবি খারিজ করে জিএসআই-এর ডিরেক্টর জেনারেল এম শ্রীধর সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, এ ধরনের কোনও তথ্য জিএসআই-এর পক্ষ থেকে কাউকে দেওয়া হয়নি। সোনভদ্র জেলায় এই বিপুল পরিমাণ সোনা মজুত থাকার হিসেবও করেনি জিএসআই। সমীক্ষার পর আমরা খনিজ সম্পদ নিয়ে পাওয়া তথ্য আমরা রাজ্য শাখাকে জানাই...আমরা (জিএসআই, উত্তরাঞ্চল) ওই অঞ্চলে ১৯৯৮ ও ১৯৯৯-২০০০-এ সমীক্ষা করেছিলাম। এই সমীক্ষার রিপোর্ট উত্তরপ্রদেশের ডিজিএম-কে তথ্য ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জানিয়েছিলাম। সোনার জন্য জিএসআই-এর অনুসন্ধান কাজ সন্তোষজনক ছিল না এবং সোনভদ্র জেলায় সোনার মতো সম্পদ বেশি আকারে থাকার মতো কোনও উত্সাহব্যঞ্জক ফল পাওয়া যায়নি।

Wednesday, 19 February 2020

ইন্দরেও দেখা গেলো নিশীথ কে ঘিরে উন্মাদনা

শিরোনাম 24: জেলা তথা রাজ্য ছাড়িয়ে দেশের মধ্যে জনপ্রিয়তার প্রভাব দেখা গেল কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের। মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর এ ও দেখা গেল কোচবিহারের তরুণ সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে।  বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় র কনিষ্ঠ পুত্রের বিয়েতে পুরো দেশের বিভিন্ন সেলিব্রেটির মধ্যে মধ্যমণি ছিলেন কোচবিহার তথা পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় আইকন নিশিথ প্রমানিক। বিয়ে উপলক্ষে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ইন্দোরের একটি অভিজাত হলে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান করেন। অভিজাত এই অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে 30 হাজারের বেশি অতিথি আমন্ত্রিত ছিলেন। তাদের মধ্যে নিশীথ প্রামানিক কে ঘিরে ব্যাপক উচ্ছাস দেখা যায়। কুচবিহারের সংসদ কে ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানের মধ্যেই চলে দেদার সেলফি তোলার হিড়িক। জনপ্রিয়তার খাতিরে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক স্তরে স্থান পেয়েছেন কোচবিহারের প্রত্যন্ত গ্রাম ভেটাগুড়ির যুবক নিশীথ প্রামানিক। মূলত তার ব্যবহার বাচনভঙ্গি , পোশাক-আশাক এবং মানুষের বিপদে পাশে দাড়ানোর কারণেই আকৃষ্ট করে আট থেকে আশি সকলকে। দলীয় কর্মসূচি থেকে শুরু করে প্রচার কিংবা তার কার্যালয় সব জায়গাতেই দেখা যায় অটোগ্রাফ বা সেলফি তোলার জন্য হাজির হয়ে যায় তার ফ্যানেরা। ঠিক তেমনি দেখা গেল দেশের  হেভিওয়েট ব্যক্তিদের মধ্যেও জনপ্রিয়তার নিরিখে নিশীথ মধ্যগগনে।

স্বামীর পছন্দের পথেই জীবন কাটাতে চাইছেন স্ত্রী

শিরোনাম 24 ডেস্ক: এখনো মাঝে মাঝে ডুকরে কেদে উঠেন তিনি। তবুও স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা ও তার ভালোবাসার পথ অনুসরন করে চলছে স্ত্রী।  ওরা কারা? কেন ওঁকেই নিশানা করল? ওদের বুলেটগুলো একচুল সরলেই হয়তো জীবনটা অন্য রকম হত...বছর খানেক ধরে এ কথা ভেবে কত বার যে কেঁদেছেন নিকিতা, তার ইয়ত্তা নেই। তবে থামেননি তিনি। পুলওয়ামায় জৈশ জঙ্গিদের গুলিতে নিহত স্বামীকে শ্রদ্ধা জানাতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর শর্ট সার্ভিস কমিশনের (SSC) পরীক্ষায় বসেন।  এখন অপেক্ষা মেধা তালিকার। সব ঠিক থাকলে সেনায় ‘ক্যাডেট’ হিসেবে যোগ দেবেন তিনি। প্রয়াত স্বামীর মতোই।সেনার শৃঙ্খলিত জীবন সম্পর্কে ধারণা থাকলেও ২৮ বছরের নিকিতা কর্পোরেট কর্মী। ফলে পেশা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কঠিন ছিল। তবে ‘বিভুর’ কথা যত বারই ভাবতেন, তত বারই মনে হত, এইটি একমাত্র পথ। বিভু অর্থাৎ মেজর বিভূতি শঙ্কর দৌন্ডিয়াল। গত বছর ফেব্রুয়ারিতে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জৈশ-ই-মহম্মদের জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মারা গিয়েছিলেন এই তরুণ সেনা অফিসার। নিকিতার সঙ্গে বিয়ের তখনও এক বছর হয়নি।

তার পর থেকে দিল্লিতে মা-বাবার সঙ্গেই রয়েছেন তরুণী। তবে ঘটনার পর স্মৃতি ও যন্ত্রণাই নিত্যসঙ্গী হয়ে গিয়েছিল। ভুলতে কাজে ডুবে থাকতে চাইতেন। কিন্তু স্মৃতির দিগন্তে কবেই বা কর্মব্যস্ততা দেওয়াল তুলতে পেরেছে? নিকিতার কথায়, ‘সময় লেগেছে। শর্ট সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় বসার সিদ্ধান্তও ভেবেচিন্তে নিয়েছি।’ এখনও তাঁর মনে রয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর বয়ানে, ‘তার পর মনে হল উনিও তো এক পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছিল...মনে হল বিভু আমার পাশেই।’

Tuesday, 18 February 2020

রাজ্য সরকারকে চাপে ফেললেন নিশীথ


শিরোনাম 24: নিশীথের তৎপরতায় কার্যত কোণঠাসা তৃণমূল কংগ্রেস।  ভেটাগুড়িতে সুধীর মণ্ডলের দুই হাত এবং পা কেটে নেওয়ার ঘটনায় অভিযোগ ছিল শাসক দল তৃণমূলের বেশ কিছু নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, রাজ্যের ক্ষমতায় তৃণমূল কংগ্রেস এর সরকার থাকার কারণে পুলিশ সঠিক ভাবে কাজ করেনি। বারংবার বিজেপি কর্মী সুধীর মণ্ডলের মেয়ে ভেটাগুরি 1 গ্রাম পঞ্চায়েত এর সদস্য ববিতা মন্ডল বিভিন্ন জায়গায় জানিয়েও কোনো ফল হচ্ছিল না। পরবর্তীতে লড়াকু সাংসদ নিশীথ প্রামানিক ভারতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদর দপ্তর দিল্লিতে বিষয়টি জানালে আট সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চায় কমিশন। যার জেরে কিছুটা হলেও হাসি ফুটেছে সুধীর বাবুর পরিবারের। এর জেরে একা নিশীথের প্রভাবে কিছুটা হলেও চিন্তার ভাজ দেখা যাচ্ছে রাজ্যের তৃণমূল শিবিরে। প্রসঙ্গত, কোচবিহারের দাপুটে সাংসদ নিশীথ প্রমানিক সঠিক বিচার হয়নি এমন কেস গুলিকে নিয়ে দিল্লির মানবাধিকার কমিশনের করনে এর আগেও ছুটে গেছেন। পুলিশ হেফাজতে গোসানিমারির বিজেপি কর্মীর মৃত্যু র পরেও তিনি মানবাধিকার কমিশনের সদর দপ্তরে ছুটে যান। এবার সুধীর মণ্ডলের বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকার কে রিপোর্ট পাঠাতে বাধ্য করেন। বিষয়টি নিয়ে কোচবিহার এর এই তরুণ সাংসদ নিশীথ প্রামানিক বলেন, এলাকার মানুষ আমাকে তাদের অমূল্য ভোট দিয়ে তাদের সেবা করার জন্য বেছে নিয়েছে। তাদের সেবা আমি করবই। রাজ্যের তৃণমূল সরকার যে হারে মানুষের ক্ষতি করেছে তার হিসেব মানুষ গুনে গুনে মানুষ কে ফেরৎ দেবার সময় এসেছে। একের পর এক প্রলোভন, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে আর এই রাজ্যের মানুষ কে বোকা বানানো যাবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Saturday, 15 February 2020

মাদ্রাসা ও টোল বন্ধ হতে যাচ্ছে আসামে


শিরোনাম 24: ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রাখতে মাদ্রাসা ও টোল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল অসম সরকার। সম্প্রতি অসমের সরকারি মাদ্রাসা ও সরকারি টোল গুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে। সেসব জায়গায় আধুনিক স্কুলে পরিণত করা হবে। এমনটাই ঘোষণা করল আসামের শিক্ষা মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, মাদ্রাসা বা টোল চালানো কোনও ধর্ম নিরপেক্ষ সরকারের কাজ হতে পারে না। তাই অসম জুরে যেসব মাদ্রাসা এবং সংস্কৃত টোল রয়েছে সব বন্ধ করে দেওয়া হবে। বরং উন্নত সরকারি স্কুল চালু করে সেখানে দরিদ্রদের পড়াশোনার সুযোগ করে দিয়ে, রাজ্য জুরে শিক্ষার প্রসার ঘটানোর চিন্তা ভাবনা করেছে অসম সরকার।

Wednesday, 12 February 2020

প্রতিবেশীর হাত টুকরো করে দেওয়ায় উত্তেজিত জনতা ভাঙচুর করল বাড়ি

শিরোনাম 24: জমী বিবাদ কে কেন্দ্র করে দুই হাত কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠল  প্রতিবেশী দুই ভাইয়ের উপর। এদিন দুপুরে দিনহাটা 2 ব্লকের আবুতারা স্টেশন সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা হবেন শীলের দুই হাত কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠল প্রতিবেশী হারাধন দাস ও প্রাণধন দাসের বিরুদ্ধে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত হারাধন ও প্রাণধন বাবুদের পৈত্রিক জমি কিনেছিলেন প্রতিবেশী ভবেন শীল। তা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে দুই পরিবারের বিবাদ চলছিল। আজ সকালে ভবেন বাবু তার জমিতে কাঠ কাটার সময় অভিযোগ প্রতিবেশী দুই ভাই হারাধন দাস ধারালো অস্ত্র নিয়ে এসে ভবেন বাবুর দুই হাত কেটে দেয়। পরবর্তীতে তাকে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কুচবিহার এমজিএম হাসপাতালে রেফার করা হয়। এদিকে অভিযুক্তদের বাড়ি ব্যাপক ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত এলাকার বাসিন্দারা। পরবর্তীতে সাহেবগঞ্জ থানা থেকে বিরাট পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযুক্ত দুই ভাই বর্তমানে পলাতক বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

টানা আট দিন এ রাজ্যে বন্ধ থাকতে পারে ইন্টারনেট!

শিরোনাম 24 ডেস্ক: রাজ্যে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকতে পারে টানা আট দিন। এমনটাই আভাস মিলেছে প্রশাসনের তরফ থেকে। শুক্রবার একটি বেসরকারি সংবাদ সংস্থার তরফে একটি খবর প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে লেখা রয়েছে রাজ্যে আট দিন বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। আগামী 18 ই ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে রাজ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষা। মূলত সে কারণেই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের চিন্তাভাবনা করছে প্রশাসন। বিগত বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই প্রশ্নপত্র হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরেই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখলেও রাখতে পারে প্রশাসন। এখনো পর্যন্ত প্রশাসনের তরফ থেকে বেশকিছু স্পর্শ কাতর স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। পুলিশকর্মীরা ইতিমধ্যেই সেখানে টহল দিচ্ছেন।

Tuesday, 11 February 2020

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ এরপরেও হাজার হাজার টাকা বিদ্যুতের বকেয়া শাসক দলের কিছু নেতার

শিরোনাম 24 ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারংবার কোচবিহারের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেউ বিপুল পরিমাণ অর্থ এখনো তুলতে হিমসিম খেতে হচ্ছে রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তরকে। বিদ্যুৎ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, খোদ শাসকদলের বেশ কিছু প্রভাবশালী নেতা সহ বড় ব্যবসায়ী, ঠিকাদার, এমনকি সরকারি উচ্চপদস্থ আমলার হাজার হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ে রয়েছে দিনহাটা ১ এবং 2 নং ব্লক সহ বিদ্যুৎ দপ্তরের  দিনহাটা ডিভিশন অফিসের বিস্তীর্ণ এলাকায়। যেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 75 ইউনিট বিদ্যুতের বিল মুকুব করেছেন তার পরেও  তার দলেরই নেতাকর্মীদের বাড়িতে প্রায় লক্ষাধীক টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ে রয়েছে। নোটিশ দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ  বিচ্ছিন্ন করতে গেলে  বিদ্যুৎ কর্মীদের ওপর নানান রকম হুমকি দিতে থাকে বলে দপ্তর সূত্রের দাবি । এদিন ফের দিনহাটা শহর ও শহরতলীর বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ দপ্তর থেকে  বকেয়া বিদ্যুৎ বিল যে সকল গ্রাহকদের কাছে  রয়েছে তাদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। সম্প্রতি শাসকদলের দিনহাটা ব্লকের এক নেতার গত এক বছর ধরে বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের পরিমান প্রায় ৮০ হাজার টাকা। তথ্য বিজ্ঞ মহলের মতে, খেটে খাওয়া আমজনতার কমবেশি 2 হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া হলে যেখানে বিদ্যুৎ দপ্তর থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় সেখানে শাসকদলের নেতৃত্বর হাজার হাজার টাকা বাকি থাকা সত্ত্বেও  বিদ্যুৎ দপ্তর থেকে তার বিরুদ্ধে কোনো রকম কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বললেই চলে। এদিন বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ দপ্তরের রিজিওনাল ম্যানেজার সাধন কুমার গায়েন  বলেন, বিদ্যুৎ দপ্তর তাদের কাজ সঠিকভাবে পালন করছে। নিয়মের বাইরে কাউকেই ছাড়া হবে না। এমনকি বাকি বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেবেন বলে জানান।

विश्व की जनप्रिय सांसद के तालिका में निशीथ का नाम

शिरोनाम 24: विश्व की जनप्रिय सांसद के तालिका में कोच बिहार की जनप्रिय सांसद निशित प्रमाणिक का नाम आया है। एक विदेशी संस्था ग्रेट्टी ईमेज की तालिका में भारत की कुछ चुने हुए सांसद के साथ निशित प्रमाणिक का नाम प्रकाश किया गया। ग्रेट्टी ईमेज की अपनी वेबसाइट में निशित प्रामाणिक के छवि के साथ लिखा विश्व के सबसे प्रसिद्ध सांसदों में से निशित प्रमाणिक भी एक है। कोच बिहार जिला के साथ-साथ उत्तरबंग से लेकर पूरे बंगाल में निशित प्रमाणिक सबसे प्रमुख जनप्रिय सांसद है। 8 से लेकर 80 तक सबके पसंद का व्यक्तित्व है कोच बिहार की भाजपा का युवा सांसद निशित प्रमाणिक। पिछले कई सालों से युवा पीढ़ी से लेकर बूढ़े तक सबके पसंद का राजनीतिक व्यक्तित्व रहा निशित प्रमाणिक। हाल ही में प्रथम साड़ी का यह संस्था केपालिकाओं में निशित प्रमाणिक का नाम आने से खुशी का माहौल छा गया कुछ बिहार जिले की बीजेपी कर्मी समर्थकों में। यहां क्लिक करके देखिए

পৃথিবীর সেরা সাংসদদের তালিকাতে নিশীথের নাম

শিরোনাম 24 ডেস্ক ঃ  পৃথিবীর সেরা সংসদের মধ্যে  স্থান পেল কুচবিহারের লড়াকু সাংসদ নিশীথ প্রামানিক।  গ্রেটটি ইমেজের মতন  একটি প্রতিষ্ঠিত সংস্থার তরফ থেকে পৃথিবীর সেরা সাংসদদের তালিকা নিশীথ প্রামাণিকের ছবি প্রকাশ করতে দেখা যায়।   ভারত সহ পৃথিবীর  সামান্য কয়েকজন সাংসদ  এর তালিকার মধ্যে  নিশীথ প্রামাণিকের নাম ও ছবি তালিকায় দেখা যায়।  প্রসঙ্গত নিশীথ প্রামানিক একজন সাংসদ হলেও তার প্রচার এবং প্রসার আট থেকে আশি সকলের মধ্যেই।  কোচবিহার জেলা তথা উত্তরবঙ্গ এমনকি পশ্চিমবঙ্গের এখন এক অন্যতম মুখ নিশীথ প্রামানিক।  ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা থেকে শুরু করে পরিসংখ্যানে  নিশীথ প্রামাণিকের নাম স্থান পেয়েছে তার জনপ্রিয়তার জন্য।  এই বৈদেশিক সংস্থার তালিকাতে নিশীথ প্রামাণিকের নাম প্রকাশ হওয়ায় তাঁর মুকুটে নতুন পালক জুড়ল । দেখতে হলে এখানে ক্লিক করুন

Saturday, 4 January 2020

সি এ এ চালু হতে পারে ফেব্রুয়ারীতে, কি বলছো নিশিথ


শিরোনাম ২৪ ডেস্ক: চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকেই শুরু হতে পারে সি এ এ এর কাজ। এমনটাই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে। গতকাল কলকাতা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা শিব প্রকাশ বাবু বলেন, ফেব্রুয়ারি থেকে সে এ এ এ কাজ শুরু হতে পারে। এর আগেই রাজ্যের প্রত্যেকটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে সঠিক তথ্য দিয়ে বোঝাতে হবে। যাতে মানুষ বিভ্রান্ত না হয়। পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের তিনি রাজ্যের সমস্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিজেপি কর্মীদের সিএএ বোঝানোর নির্দেশও দেন। এ প্রসঙ্গে কোচবিহার সাংসদ নিশিথ প্রামাণিক বলেন, কিছু স্বার্থান্বেষী দল তাদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য মানুষকে নানান রকম ভুল তথ্য দিয়ে বাংলার মাটিতে উত্তেজনা তৈরি চেষ্টা করছে। সি এ এ কোন জনবিরোধী আইন না। সি এ এ ভারতের  নাগরিকের নাগরিকত্ব কেরে নেবে না । বিদেশের মাটিতে সংখ্যালঘুদের উপরে যে অত্যাচার হচ্ছে সেই অত্যাচারিত সংখ্যালঘুদের এদেশের মাটিতে আশ্রয় প্রদান করাই হলো এই আইনের মূল লক্ষ্য। সংসদ নিশিথ প্রামাণিক আরও বলেন, সি এ এ নিয়ে যারা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে তাদেরকে চিহ্নিত করণ করুন। তাদের বিরুদ্ধে হিন্দু-মুসলিম একজোট হয়ে রুখে দাঁড়ানোর বার্তা তিনি দেন।