শিরোনাম 24 ডেস্ক, ১৮ ডিসেম্বর: গ্রেফতারের কিছুক্ষণের মধ্যেই মুক্তি পেল কোচবিহারের সেলিব্রেটি সাংসদ নিশীথ প্রামানিক খগেন মুর্মু ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বুধবার সকালে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর সংলগ্ন ক্ষতিগ্রস্ত স্টেশন পর্যবেক্ষণ ও আক্রান্ত কর্মী-সমর্থকদের দেখতে এক বিরাট প্রতিনিধিদল যায়। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় মালদা জেলা পুলিশের তরফে বেরিকেট বিয়ে দেওয়া হলে তার সামনেই বসে পড়ে কুচবিহারের বিজেপির তরুণ সাংসদ নিশীথ প্রামানিক সহ খগেন মুর্মু ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। সেখানেই সোচ্চার হতে দেখা যায় কোচবিহার সাংসদ নিশীথ প্রামানিক কে। দীর্ঘদিন ধরে মানুষ ঘরছাড়া অবস্থায় রয়েছে , ফিরতে পারছে না স্বাভাবিক জীবনে। সরকারের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি জ্বালিয়ে ভাঙচুর করে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে' তখন পুলিশ রা বাঁচাতে পারিনি । অথচ শান্তির বার্তা নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যাওয়া বিজেপি দলকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুলিশ আটকে দিচ্ছে। পাশাপাশি সোচ্চার হতে দেখা যায় পার্শ্বশিক্ষকদের বিরুদ্ধে বঞ্চনা নিয়ে। এসব নিয়ে বেরি গেটের সামনে নিশিথ প্রামাণিক বলার পরেই পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।গ্রেফতার করে পরবর্তীতে তাদের মালদার ইংরেজবাজার থানায় নিয়ে আসে। নিশীথ প্রামানিক কে গ্রেফতার করে নিয়ে আসা মাত্রই কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক ভিড় জমাতে শুরু করে। থানা চত্বরে চলতে থাকে নানান স্লোগান। কিছুক্ষণের মধ্যে অবশেষে মুক্তি দেওয়া হয় নিশির প্রামাণিক সহ গ্রেফতার করে আনা বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের। নিশীথ প্রামানিক বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পেয়ে গেছেন। সেই কারণে পুলিশকে তার দল দাস বানিয়ে নিজের রাজনৈতিক ফায়দা লুটছেন। এমন জঘন্যতম কাজ এর কোন বর্ণনা হয় না। সাধারন মানুষদের অভাব-অভিযোগ বঞ্চনা শোনার জন্য এক পর্যবেক্ষণ দল মালদার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হরিশ্চন্দ্রপুর সহ একাধিক জায়গায় যাচ্ছিল সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুলিশ আমাদের আটকে দিয়ে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। মানুষ এর যোগ্য জবাব খুব শিগগিরই দিয়ে দেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
Wednesday, 18 December 2019
গ্রেফতার নিশীথ প্রামানিক
শিরোনাম 24 ডেস্ক, 18 ডিসেম্বর: গ্রেফতার হলো নিশীথ প্রামাণিক সহ দুই জন সাংসদ। রাজ্যজুড়ে এন আর সি ও সি এ বি নিয়ে চলছে ব্যাপক উত্তেজনা। এরইমধ্যে মালদার উত্তেজনাপূর্ণ এলাকাগুলি পর্যবেক্ষণে যায় নিশীথ প্রামানিক আরো একজন সাংসদ। এদিন সকালে বিজেপির তরফ এ একটি বিরাট মিছিল মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় ক্ষতিগ্রস্থদের দেখতে ও সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করতে যায়। সে সময় হরিশ্চন্দ্রপুর এ ঢোকার মুখে এক বিরাট ব্যারিকেড দিয়ে রাখে মালদা জেলা পুলিশ। সেই বেরিয়ে গেটের সামনে গিয়ে দাঁড়ানো মাত্রই পুলিশ কুচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক ও সাংসদ খগেন মুর্মু সহ বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থক কে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। মালদা জেলা পুলিশের তরফ থেকে দুইজন সাংসদসহ বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করে ইংরেজবাজার থানায় নিয়ে আসা হয়।
উত্তেজনার পারদ ক্রমেই বেড়ে চলেছে ইংরেজবাজার থানা চত্বরে। কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে মালদার ইংরেজবাজার থানা এলাকায়। বিস্তারিত পরবর্তীতে আসছে ..
উত্তেজনার পারদ ক্রমেই বেড়ে চলেছে ইংরেজবাজার থানা চত্বরে। কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে মালদার ইংরেজবাজার থানা এলাকায়। বিস্তারিত পরবর্তীতে আসছে ..
"এন আর সি বা সি এ বি র জেরে মৃত্যু হয়নি"- বললেন নিশীথ
শিরোনাম 24 ডেক্স: রাজ্য জুড়ে এখনো চলছে অশান্তির বাতাবরণ। জায়গায় জায়গায় বিভিন্ন দলের বিক্ষোভ এর পাশাপাশি পুড়ছে প্রধানমন্ত্রী সহ একাধিক মন্ত্রীর কুশপুতুল। আজও রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় বন্ধ রয়েছে মোবাইলের নেটওয়ার্ক পরিষেবা । বন্ধ রয়েছে রেল পরিষেবা। এরইমধ্যে এক ব্যক্তির মৃত্যু কে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিতে পারে রাজ্যে। জানা গেছে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া এলাকার বাসিন্দা নজরুল মিয়া (৫৯) গতকাল সন্ধ্যায় মারা যায়। পরিবারের লোকজনের দাবি, নাগরিকত্ব আইন পাস হওয়ার পর থেকেই বাড়ির ও জমির দলিল নিয়ে চিন্তায় ছিলেন নজরুল মিয়া। বেশ কয়েকদিন ধরে ইতিউতি খুঁজছিলেন হারিয়ে যাওয়া বাড়ি ও জমির দলিল। গতকাল সারাদিন স্থানীয় সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এর করণে জমির ওবাড়ির দলিলের জন্য ছিলেন। এর পরেই গতকাল সন্ধ্যায় মৃত্যু হয় নজরুল মিয়ার। বিরোধীরা নজরুল মিয়ার মৃত্যুর কারণ হিসেবে এন আর সি ও সি এ বি কেই দায়ী করছেন। যদিও বিজেপির তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। কোচবিহারের তরুণ বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামানিক বলেন, হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে নজরুল মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুর জন্য নাগরিকত্ব আইন দায়ী না। তিনি আরো বলেন, যারা নজরুল বাবুর মৃত্যু কে নিয়ে রাজনীতি করছে তাদের লজ্জা পাওয়া উচিত। নাগরিকত্ব আইন কখনোই কারণ মৃত্যুর কারণ হতে পারে না। দেশের যারা প্রকৃত নাগরিক তাদের সুবিধার্থেই এই আইন। এই আইনকে ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। এই আইন কে ভয় দেখিয়ে কিছু দুষ্টু লোক তাদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। যারা নানান গুজব ছড়াচ্ছে সেই সমস্ত লোকেদের চিহ্নিতকরণ করতে হবে। সংবিধানের বিরোধিতা করে কিছু রাজনৈতিক দল ভোটের রাজনীতি করছে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন।
Tuesday, 17 December 2019
কার্ফু প্রত্যাহার হল আসামে
শিরোনাম ২৪ ডেস্কঃ অশান্ত আসাম ক্রমশ শান্ত হতে চলেছে। মঙ্গলবার কার্ফু প্রত্যাহার করলো আসাম সরকার । আসামের অর্থ মন্ত্রী তথা নর্থ - ইস্ট ডেমোক্রেটিক এলায়েন্স এর চেয়ারম্যান হেমন্ত বিশ্বশর্মা এদিন আসাম থেকে কার্ফু প্রত্যাহার এর কথা ঘোষণা করেন । অসম পুলিশের এডীজী জী পী সিং বলেন , গুয়াহাটি সহ সমগ্র আসাম শান্ত হতে চলেছে । সে কারনেই দিনের কার্ফু তূলে নেওয়া হল বলে তিনি জানান । যদিও এখনো ইন্টারনেট পরিসেবা চালু হবে না বলে সাফ জানিয়ে ডেণ পুলিসের এঈ শীর্ষ কর্তা । বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার এর সাংসদ বলেন, আসামের এই পরিস্থিতি সত্যিই চিন্তার বিষয় ছিল। তবে অশান্ত আসাম ফের শান্ত হতে চলেছে । আসামের মানুষ বুঝতে পেরেছে কেন্দ্র তাদের পাশে আছে। এক শ্রেণীর কিছু দাদাল নেতা মানুষের মধ্যে ভূল তথ্য প্রচার করে দিকভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে । ক্যাব বিল মানুষের সুবিধের দিকে নজর রেখে পাশ হয়েছে । সংবিধান কখনো কাঊকে আঘাত করে না। মানুষের ন্যায্য বিচারের জন্য সংবিধান সেটা মনে রাখতে হবে বলে তিনি জানান।
আপামর বাঙালীর ঘরে ঘরে সাড়ম্বরে পুজো চলছে বাল গোপালের পূজো
পল মৈত্র,দক্ষিন দিনাজপুরঃ আজ গোপাল পূজা শ্রীকৃষ্ণের জন্ম ভূমি বৃন্দাবন থেকে শুরু করে সারা পৃথিবী জুড়ে বাঙালি অবাঙালি দেশী-বিদেশী প্রত্যেকের ঘরে ছোট বাল গোপালের পুজো হচ্ছে| বাঙালির ঘরে গোপাল পুজো এই পৌষ মাসের শুরুতে যথেষ্ট শোভা পায়| তা বলাই বাহুল্য দিন থেকে বলা হয় শুরু হয়ে যায় পৌষ মাসের সূচনা গোপাল পুজোর দিন সকলে ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে শুদ্ধ বস্ত্রে সুচি কাপড়ে মাল গোপালের পুজো করেন |
ফুল ফলাদি প্রসাদ সবকিছু থাকলেও গোপালের প্রিয় খাবার মাখন না থাকলে যেন শিবু যা তা সম্পূর্ণই হয় না তাই প্রত্যেক বাড়িতে গোপাল প্রতিমার সামনে বাটি ভর্তি মাখন রাখা থাকে| বাড়ির বড়রা বলে গোপাল ঠিক এ মাখন গুলো খেয়ে ফেলবে এই পুজো নিয়ে বাড়ির সদস্য থেকে শুরু করে ভক্তদের উদ্দীপনা থাকে চোখে পড়ার মতন। সারা দেশের পাশাপাশি শুধু দক্ষিণ দিনাজপুর ও রবিবার সাড়ম্বরে পালিত হলো গোপাল পুজো|
পুজো নিয়ে কিছু গল্প রয়েছে একটি জনশ্রুতি বা বলা যেতে পারে যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে হিন্দু বা সনাতন ধর্মের মধ্যে, কোন পূজা উপলক্ষে অনেকের বাড়িতে বড় করে অনুষ্ঠান করা হয় গরীব দুঃখীদের দান করা হয় সুদূর দক্ষিণ দিনাজপুরে ও নানান বাড়িতেই সকাল থেকে শুরু হয়েছে গোপাল পুজোর শঙ্খ ধ্বনি ও গোপাল মন্ত্র উচ্চারণে হিন্দু ধর্ম সনাতন ধর্মের পরম ভক্তি ও শ্রদ্ধার সাথে পূজিত হচ্ছেন বাল গোপাল পুজো শেষে সকলেই প্রসাদ নিতে ভিড় জমান পাড়ার বড় বড় মন্দির গুলোতে সাথে বাড়ির পুজো গুলো তো বেশ সুস্বাদু নিরামিষ খাবার গুলো তৈরি করা হয় এ গোপালপুর ব্লক অনেকে বলেন বাড়িতে ছোট গোপন রাখলে জীবনের চলার পথে সমস্যার সমাধান হয়ে যায় পালকি একটু মাখন মন ভরে ভক্তি সমাদর করলে গোপাল পরিপূর্ণ করে সে তার ভক্ত কে পরিপূর্ণ করে তুলবে তুলবে এই প্রসঙ্গে গোপাল পুজো নিয়ে একটি গল্প আছে। যশোদানন্দন গোপাল নীলমণি যখন হাটতে শিখল যশোদার আঙ্গিনায় তখন ঘর থেকে বাইরে, ব্রজের গোপালের অনেক বন্ধু হল, সুবল, বসুদাম, শ্রীদাম, মধুমঙ্গল, অংশুমান আদি অনেক মিত্র হল। সবাই মিলে প্রতিদিন মাখন চুরি করতে লাগল। শ্রীদামাদি সখা একটা চোরমন্ডলী তৈরি করল। ঐ চোরমন্ডলীর অধ্যক্ষ হলেন আমাদের মাখনচোর প্রধান স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ ।
সব জায়গায় তারা চুরি করে এবং নতুন পদ্ধতিতে চুরি করার কথা যোজনা বানায় এবং গোপীর ঘরে চুরি করে।
আজ গোপাল আর তার সখা চোরমন্ডলী চুরি করতে চলল চিকসৌলী গ্রামে। গোপাল গোপীর ঘরের পাশে সকল বন্ধুদের লুকিয়ে দিলেন। আর স্বয়ং গোপীর ঘরে পৌছে গেল। দরজায় আওয়াজ করতে লাগলেন । ভগবান নিজের মুখের কাজল ও চুল উলটাপালটা করে দিলেন। গোপী দরজা খুলতে দেখলেন কৃষ্ণ দাড়িয়ে আছে।
গোপী বলল- ” আরে লালা, আজ সকাল সকাল এখানে কেন ?
কানাইয়া বলল– “গোপী, কি বলব ! আজ সকাল উঠলে মা বলল, লালা তুই চিকসৌলী গোপীর ঘরে যা, ওকে বলল আজ আমাদের ঘরে সাধুসন্ত আসবে, আমি তো সকালে তাজা মাখন বের করি নি। ওতো রোজ তাজা মাখন বের করে। ওর থেকে তাজা মাখন বের করে । ওর থেকে তাজা মাখনের এক হাড়ি নিয়ে আয়। আমি পরে দুইটা মাখনে হাড়ি ওকে দিয়ে দেব। তাই এখানে এলাম গোপী।”
গোপী বলল, ” লালা, আমি মাখনের হাড়ি নিয়ে আসছি।আর মাকে বলবে, হাড়ি আমাকে দেবার প্রয়োজন নেই রে লালা। বলসি আমি হাড়ি দিয়ে সাধুসেবা করলাম।” তখন গোপী ভিতরে গিয়ে মাখনের হাড়ি নিয়ে এল আর সঙ্গে কিছু মিশ্রীও নিয়ে আসল আর বলল, লালা মাখন নও সঙ্গে এই মিশ্রীও নাও সাধুসেবায় দিও।”
মাখন নিয়ে কৃষ্ণ বাহিরে আসল। গোপী দরজা বন্ধ করে দিল। ভগবান তখন সকল সখাদের ডেকে শ্রীদাম, সুবল, মধুমঙ্গল তাড়াতাড়ি আয়। সব সখা তাড়াতাড়ি এলে সবাই ওখানে বসল। কানাইয়া বলল — যার ঘরের মাখন তার ঘরের সমানে বসে খাওয়ার আনন্দ আলাদা। ভগবান সবার পাতে মাখন মিশ্রী দিল। মাঝখানে বসে কানাইয়া আরাম করে মাখন মিশ্রী খেতে পটপট আওয়াজ আর মিশ্রী কটকট আওয়াজ হতে লাগল । যখন এই আওয়াজ শুনে, গোপী দরজা খুলল। দেখল গোপাল সখাদের সাথে আরাম করে মাখন খাচ্ছে আর হাসছে ।
গোপী বলল- ” কি রে কানাইয়া, মাখন কি সাধুসেবার জন্য ছিল, না তুই চুরি করলি রে?
তখন ভগবান বলল, দেখ গোপী, আমার সখারা কি কোন সাধু থেকে কম নাকি, সব নাগা সাধু তুমি দেখ, কারো বস্ত্র আছে, কারো নেই। এই দেখ এরা তো বড় সাধু এদের প্রণাম করো।
গোপী বলল– আচ্ছা কানাইয়া, এদের দন্ডবৎ প্রণাম করব, দাঁড়াও আমি দন্ডা নিয়ে আসছি, গোপী ঘরের ভিতর থেকে দন্ডা নিয়ে আসল।
গোপাল বলল, “বন্ধু সখা, পালাও। তা না হলে গোপী এখনই আমাদের পূজা করবে।”
গোপী চুরির কথা মা যশোদার কানে তুলল।
একদিন যখন মা নালিশ শুনতে শুনতে ক্লান্ত হয়ে গিয়ে আজ গোপালকে ঘরে বেঁধে রাখল। যে ভগবান যোগীদের সাধনার ধন, সেই ভগবানকে মা ঘরে বেধে রাখলেন।যখন আজ গোপীরা গোপালকে ব্রজের ঘরে গলিতে দেখল না। তখন নালিশ করার বাহনা নিয়ে আসল মা যশোদার আঙ্গিনায় । নন্দরাণীকে বলল–” যশোদা তোমার লালা খুব দুষ্ট গো, অসময়ে এসে গাভী বাছুরীদের খুলে দেয়। মাখন লুকিয়ে রাখে না জানি কি করে খুজে নেয়। আর যে দিন মাখন পায় না সে দিন ঘুমন্ত শিশুকে চিমটি কাটে চলে যায় । যদি মাখন খায়, মাখনের হাড়ি ভেঙ্গে দেয় ।”
যশোদা গোপালের হাত ধরে বললেন, ” দেখ লালা, গোপীর গলিতে তুই আর যাবি না। মাখন খাবি না।”
যখন গোপীরা এটা শুনল বলতে লাগল, ” যশোদা রে আমরা নালিশ করতে আসি নি। আজ লালাকে তুই বেঁধে রেখেছিস, তাই বেঁধে রেখেছিস, তাই লালাকে দেখতে পাই নি। তাই এলাম একটু দেখতে লালাকে। তাই নালিশের বাহনা দিয়ে এক ঝলক দেখতে আসলাম । যখন যশোদা তা শুনল শুনে বলল- গোপী, তোমরা আমার লালাকে এত ভালবাস, আজ থেকে গোপাল শুধু আমার না, গোপাল সারা বৃন্দাবনের লালা।
বন্ধ একাধিক ট্রেন উদ্বিগ্ন যাত্রীরা, কি বললেন নিশীথ ?
শিরোনাম ২৪ ডেস্ক, ১৭ ডিসেম্বরঃ উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের তরফে এদিন মোট ৪৭ টা ট্রেন বাতিলের নির্দেশিকায় চাপ বাড়লো পর্যটক থেকে শুরু করে সাধারন যাত্রীদের । এদিন উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের চিফ পাবলিক রিলেশন অফিসার শুভানন চন্দ্র বলেন , উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের থেকে দক্ষিন রেলের যোগাযোগ এর পথে বিরাট ক্ষতি হওয়ায় বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় রেল পথ থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্টেশন এমনকি রেলের কামরাও পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ হয়। মূলত এরই জেরে বন্ধ ৪৭ খানা ট্রেন। এর মধ্যে ১২০৪১ ও ১২০৪২ হাওড়া - নিউ জলপাইগুড়ি শতাব্দী এক্সপ্রেস , ১২৩৪৪ দার্জিলিং মেল, সরাইঘাট এক্সপ্রেস , পদাতিক এক্সপ্রেস , উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস, তিস্তা তোরষা এক্সপ্রেস, কাঞ্চন জংঘা এক্সপ্রেস, কাঞ্চন কন্যা এক্সপ্রেস সহ কলকাতা ও কাটিহার গামী প্রায় সব কয়টি ট্রেনই বাতিল। এবিষয়ে কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক বলেন , রেল সরকারি সম্পত্তি। কিছু রাজনৈতিক দল তাদের সার্থ চরিতার্থ করার কারনে মানুষ কে ভুল বুঝিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সহ বিভিন্ন রাজ্যে দাঙ্গা পাকানোর চেষ্টা করছে। এর জেরে বিভিন্ন রকমের অসুবিধের সম্মুখীন হতে হচ্ছে সাধারন যাত্রী থেকে শুরু করে আপামর জনসাধারণকে । এই অবস্থার বিরুদ্ধে জাতি ধর্ম বর্ন ভেদাভেদ ভুলে সকলকে একত্রীত হতে হবে। রাজ্য সহ দেশে যাতে আবার শান্তি ফিরে আসে তার জন্য সকলকে চক্রান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা তিনি বলেন। কোচবিহার সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক আর বলেন , বাংলায় যে চক্রান্তকারী রাজনৈতিক দল তাদের সার্থে দেশের ক্ষতি করছে তাদের খুব শীঘ্রই মানুষ ছুরে ফেলে দেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
Friday, 13 December 2019
সংসদে রেকর্ড গড়লো নিশীথ
শিরোনাম 24 ডেস্ক, ১৩ডিসেম্বর: শীতকালীন অধিবেশনে দিল্লির সংসদে নতুন রেকর্ড করল কুচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক। সংসদের এক বিবৃতিতে জানা গেছে, উপস্থিতির হার এ সর্বনিম্নে রয়েছে যুব তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা ডায়মন্ড হারবারের সংসদ অভিষেক ব্যানার্জি । জানা গেছে দিল্লির সংসদ ভবন ৫৪৩ জন সাংসদের মধ্যে উপস্থিতির হারে সবাইকে পেছনে ফেলে প্রথমে রয়েছে কুচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক সহ 3 জন সাংসদ 100% উপস্থিতির হার নিয়ে রেকর্ড করেছে। সাংসদ সূত্রে আরো জানা যায়, অভিষেক ব্যানার্জীর নাম সর্ব নিম্নে রয়েছে। যুব তৃনমূলের এই নেতার উপস্থিতির হার এতটাই কম যে তার নাম রয়েছে সর্বনিম্নে। পুরো দেশের মধ্যে নিশীথ প্রামাণিকের জন্য কুচবিহারের নাম রয়েছে প্রথম সারিতে। সেই কারণে ব্যাপক উল্লাস দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এদিন সংসদে এই রেকর্ড গড়ার পর নিশির প্রামাণিক বলেন, কুচবিহারের মানুষ তাদের সেবা করার জন্য আমাকে সুযোগ করে দিয়েছে। সেই কারণেই কুচবিহার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা পাওয়া না পাওয়া সহ নানাবিধ সমস্যা দেশের সামনে তুলে ধরার জন্য উপস্থিত হতেই হবে।







