দিনহাটাঃ প্রয়াত জননেতা কমল গুহ ৯০ তম জন্মদিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্য মেলা এবং সংহতি মেলা শুরু হচ্ছে দিনহাটায়। উৎসব কমিটির সম্পাদক বিধায়ক উদয়ন গুহ বলেন, আগামী ১৮ই জানুয়ারী থেকে ২৩ শে জানুয়ারী পর্যন্ত চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ নানা অনুষ্ঠান পাশাপাশি বেলা গুহ দুস্থ মহিলা ও শিশু কল্যান সমিতির উদ্যোগে আগামী ২০ও ২১শে জানুয়ারী স্বাস্থ্য মেলা অনুষ্ঠিত হবে সংহতি ময়দান প্রাঙ্গনে । সারা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের থেকে চিকিৎসকরা বিনামুল্যে রোগীদের স্বাস্থ্য পরিক্ষা করেন এই মেলায় । আগামী ১৮ই জানুয়ারী থেকে ২৩ জানুয়ারী পর্যন্ত থাকছে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বলে উৎসব কমিটি সুত্রে জানা গেছে । আগামী ১৮ ই জানুয়ারী মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রথম দিন সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় থাকছেন রোজগেরে গিন্নী খ্যাত লাজবন্তী রায় , প্রসুন ব্যানার্জী , তমা দে ,দেবশ্রী কুন্ডু , ১৯ শে জানুয়ারী সন্ধ্যায়্ থাকছেন অন্বেষা দত্ত এবং সৌম্য চক্রবর্তী, ২০ই জানুয়ারী সন্ধ্যায় থাকছেন মনোময় ভট্টাচার্য , মধুরা ভট্টাচার্য, কার্তিক দাস বাউল, ২১ শে জানুয়ারী সন্ধ্যায় থাকছেন রুপরেখা ব্যানার্জী এবং দুর্নিবার সাহা , ২২শে জানুয়ারী সন্ধ্যায় থাকছে কলকাতার বিখ্যাত অপেরা দিগবিজয়ী পরিবেশিত যাত্রাপালা কুরুক্ষেত্রে কাঁদছে কৃষ্ণসখী দ্রৌপদী এবং ২৩ শে জানুয়ারী থাকছে দিগবিজয়ী অপেরা পরিবেশিত যাত্রাপালা জঙ্গী হামলায় রক্তাক্ত কাশ্মীর অনুষ্ঠিত হবে বলে উৎসব কমিটির সম্পাদক বিধায়ক উদয়ন গুহ জানান ।ইতিমধ্যেউ প্রয়াত জননেতা কমল গুহ র ৯০ তম জন্ম দিবস উৎযাপন উপলক্ষ্যে জোড় প্রস্তুতি শুরু হয়েছে দিনহাটায় ।
Saturday, 30 December 2017
কোচবিহার জেলা সাংবাদিক ও জেলা পুলিশের মধ্যে একটি প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হল কোচবিহার পুলিশ লাইনের মাঠে
কোচবিহার ঃ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়ের সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এই স্লোগান কে সামনে রেখে শনিবার কোচবিহার পুলিশ লাইনের মাঠে কোচবিহার জেলা সাংবাদিক ও জেলা পুলিশের মধ্যে একটি প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হল । এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সাংবাদিক একাদশ ৬৬ রানে আটকে যায়। পরে জেলা পুলিস সুপার ডঃ ভোলানাথ পান্ডের নেতৃত্বে পুলিশ একাদশ মাঠে ব্যাট করতে নামেন। তারাও তীব্র প্রতিদ্বন্দিতার সন্মুখীন হন । ১৫ ওভারে ম্যাচ জেতার জন্যে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় পুলিশ একাদশ। শেষ মেশ সাংবাদিক একাদশ কে হারিয়ে পুলিশ জয় লাভ করে। এদিন খেলা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশ সুপার ডঃ ভোলানাথ পান্ডের বলেন , সাংবাদিক ও পুলিশ একসাথে মিলে মিশে থাকলে জেলায় কোনো সমস্যা পুলিশের দৃষ্টীর বাইরে থাকবে না একই সাথে সাংবাদিক দের কাজ ও অনেকটা পুলিশের মতন, তারা উর্দী পরে না শুধু।
তারাও বছরের ৩৬৫ দিন ২৪ ঘন্টা করে কাজ করে। এটা উভয়ের জন্যেই মনোরঞ্জনদায়ক ।একই সাথে পুলিশের তরফে সকল কোচবিহার বাসীকে বাইক চালানোর সময় মাথায় হেলমেট ব্যবহারের আর্জি জানানো হয়েছে। পুলিশ সুপার বলেন , আগামী ১লা তারিখ থেকে আরো কড়া হচ্ছে প্রশাসন, তাই কোন বাসিন্দার সাথে পুলিশের অকারন মনোমালিন্য যাতে না হয় সেদিক বিচার করেই হেলমেট ব্যবহারের ওপর জোড় দেওয়া হয়েছে।
Thursday, 28 December 2017
ফের অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত হল একটি বাড়ি ঘটনাস্থল কোচবিহার ১ ব্লকের পিলখানা
![]() |
| ছবি ঃ প্রতীকি |
কোচবিহার মহারাজার তলোয়ার চুরি
সুভাষ মন্ডল,কোচবিহার : এবার মহারাজা
নৃপেন্দ্র নারায়ণের শ্বেত পাথরের মূর্তির সঙ্গে
থাকা তলোয়ারের একাংশ উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসল । কোচবিহার শহরের প্রানকেন্দ্র সাগরদিঘীর
পাড়ে জেলা আদালতের সামনে থাকা ওই শ্বেত পাথরের মূর্তিতে থাকা তলোয়ারের একাংশ চুরি হয়ে
গিয়েছে বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার ওই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে
আসার পর আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে অনেক মানুষ তাঁদের ক্ষোভ উগড়ে
দেন । সম্প্রতি রাজবাড়ী থেকে গায়েত্রীদেবীর ছবি চুরি হয়ে যাওয়ার
ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশি তৎপরতায় সেই ছবি উদ্ধার হয় । ছবি চুরির
অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গায়েত্রী দেবীর ওই ছবি তেমন গুরুত্বপূর্ণ না হলেও শ্বেত পাথরের মহারাজা নৃপেন্দ্র নারায়ণের ওই
মূর্তির তলোয়ার অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে জানা গিয়েছে। ওই মূর্তির দেওয়া
তথ্য অনুসারে লন্ডন থেকে তৈরি করা হয়েছিল। তৈরি করেছিলেন জে হোয়াইট
হেড নামে এক ভাস্কর্য শিল্পী। নির্দিষ্ট করে বলতে না পারলেও
১৯২৮ সালে ওই মূর্তি বসানো হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। ১৯৪৭ সালে
একবার ওই মূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। তখন মূর্তি ক্ষতিগ্রস্তকারী
দুষ্কৃতীদের ধরতে অর্থ মূল্য ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার ফের ওই
ঘটনা ঘটায় ক্ষুব্ধ কোচবিহারের বাসিন্দারা। কোচবিহার হেরিটেজ সোসাইটির
সম্পাদক অরূপ জ্যোতি মজুমদারসংগঠনের দিনহাটা শাখার সম্পাদক শঙ্খনাদ আচার্য প্রমূখ বলেন, “ মহারাজার তলোয়ার কোচবিহার বাসীর আত্মমর্যাদার প্রতীক। যেভাবেই হোক ওই তরোয়াল খুঁজে বের করে আনা উচিত। এই মূর্তি দেখতে পর্যটকরাও আসেন। তাঁদের সামনে এই ভাঙা তলোয়ার নিয়ে ভুল বার্তা যাবে। তাই দ্রুত এটাকে সারাই করার ব্যবস্থা করা হোক।”
দিনহাটায় পেঁচা উদ্ধার
![]() |
সুভাষ মন্ডল, দিনহাটা, ২৮
ডিসেম্বরঃ কাকের হাত থেকে পেঁচাকে উদ্ধার করে বন দপ্তরের হাতে তুলে দিল
অ্যাম্বুলেন্স চালকরা । বৃহস্পতিবার দিনহাটার কৃষি মেলা এলাকায় একটি গাছের ডালে
পেঁচাটিকে একটি কাক ঠোকরানোর চেষ্টা করছিল । সে সময় রাহুল হক নামে এক
অ্যাম্বুলেন্স চালক ওই পথ দিয়ে আসার সময় গাছের ডালে পেঁচাটিকে একটি কাক ঠোকরানোর
ছবি তার নজরে আসে । সঙ্গে সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স চালক ওই যুবক নিজেই গাছে উঠে বিরল প্রজাতির পেঁচাটিকে উদ্ধার
করে । রাহুল হক নামে ওই অ্যাম্বুলেন্স
চালক জানান এদিন কৃষি মেলা এলাকায় একটি গাছের ডালে পেঁচাটিকে একটি কাক ঠোকরানোর
ছবি তার নজরে আসতেই সে গাছে উঠে পেঁচাটিকে উদ্ধার করে । এরপর সেটিকে সে হাসপাতালে
নিয়ে আসে । উদ্ধার হওয়া বিরল প্রজাতির পেঁচাটিকে দেখতে এদিন ভিড় জমে যায় । খবর
দেওয়া হয় বন দপ্তর কে । খবর পেয়ে বন দপ্তরের কর্মীরা এসে বিরল প্রজাতির পেঁচাটিকে
উদ্ধার করে নিয়ে যায় ।
Wednesday, 27 December 2017
পুলিশের ৫৯তম স্পোর্টস এর সমাপ্তি হলো কোচবিহারে
সুভাষ মন্ডল , কোচবিহার, ২৭ ডিসেম্বরঃ কোচবিহার জেলা পুলিশের উদ্যোগে ৫৯তম
স্পোর্টস এর সমাপ্তি হল । বুধবার কোচবিহার
পুলিশ লাইনের মাঠে এই খেলার সমাপ্তি হয় । এদিন পুলিশের উদ্যোগে ৫৯তম স্পোর্টস এর সমাপ্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডি আই জি রাজেস যাদব , কোচবিহারের
জেলা শাসক কৌশিক সাহা , কোচবিহার জেলা পুলিশ সুপার ডঃ ভোলানাথ পান্ডে , অতিরিক্ত জেলা
শাসক চিরঞ্জীব ঘোষ , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডি দিব্যা , দিনহাটার এসডিপিও কুন্তল বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমূখ পুলিশ আধিকারিকরা । এদিন খেলার সমাপ্তি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপস্থিত ডি
আই জি রাজেস যাদব খেলাধুলার গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন । এদিন তীরন্দাজী থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিভাগে খেলাধুলা ছারাও পুরস্কার প্রাপকদের হাতে
পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় । এদিন খেলা চলাকালীন হকি , গলফ , মিউজিক্যাল বল , তীরন্দাজ সহ নানা খেলা অনুষ্ঠিত হয় । এদিন কোচবিহারের জেলা শাসক কৌশিক
সাহা , কোচবিহার জেলা পুলিশ সুপার ডঃ ভোলানাথ পান্ডে প্রমূখ
আধিকারিকদের তীরন্দাজ খেলতে দেখা যায় । এদিন গলফ খেলতে দেখা যায় পুলিশ
আধিকারিকদের । এছাড়াও মিউজিক্যাল বল খেলতে দেখা যায় দিনহাটা মহিলা থানার ওসি সোনম
মাহেশ্বরী থেকে শুরু করে অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকদের । এদিন খেলাকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন থানার পুলিশ কর্মী থেকে আধিকারিকদের উপস্থিতি ছিল
লক্ষ্যনীয় । উল্লেখ্য
পুলিশ প্যারেড গ্রাউন্ডে পুলিশ ৫৯ তম স্পোর্টস উদ্বোধন করেন মন্ত্রী রবীন্দ্র নাথ ঘোষ ।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে একজনের ঘর অন্যা জনকে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো তৃণমুল কংগ্রেস পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে
শিরনাম ডেস্ক , দিনহাটা, ২৭ ডিসেম্বরঃ একজনের ঘড় অন্যা জনকে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে । দিনহাটার বড় আটিয়াবাড়ি এলাকার বাসিন্দা রিন্টু হকের অভিযোগ, ইন্দিরা আবাস যোজনার অর্ন্তভুক্ত ২০১৫-২০১৬ আর্থিক বছরে তার একটি ঘড়ের টাকা বরাদ্দ হওয়ার পরেও সে কোন ঘড় পায়নি। উল্টো গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের ষড় যন্ত্র ও যোগশাসসে রিন্টু বাবুর প্রাপ্য ঘড় জনৈক সফিকুল আলী কে দেয় বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত বড় আটিয়া বাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে আসা এই অভিযোগ কে ঘিরে পঞ্চায়েত ভোটের আগে রাজ নৈতিক মহলে তীব্র আলোড়োন ছরিয়ে পড়েছে। বুধবার দিনহাটা ১ব্লকের সমষ্ঠি উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে বড় আটীয়াবাড়ি এলাকার রিন্টু হক নামের এক ব্যাক্তি সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান জানকী দাসের নামে এই অভিযোগ করে। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, তার পিতা সফিকুল ইসলামের নামে ২০১৫-২০১৬ আর্থিক বছরে ইন্দিরা আবাস যোজনার একটি ঘড় বরাদ্দ হয় যার আই ডি নং ডাব্লু বি-০৮-০০৫-০০২-০০৮ । অভিযোগ , দিনহাটার বড় আটিয়াবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান জানকী দাস ছাড়াও কয়েক জন স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য জনৈক সফিকুল আলী কে ইন্দিরা আবাস যোজনার অর্ন্তভুক্ত সেই ঘড় দেয় যার আই ডি নং ডাব্লু বি ডাব্লু বি-০৮-০০৫-০০২-০০৯/৪১০২৩ । বিষয়টি নিয়ে বড় আটীয়াবাড়ী গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান আব্দুল মান্নান রিন্টু হকের এই অভিযোগ ভিত্তি হীন বলে উওড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, সরকারি নিয়ম মেনেই ইন্দিরা আবাস যোজনার অর্ন্তভুক্ত ঘর গুলি প্রদান করা হয়।
Tuesday, 26 December 2017
দিনহাটা শহরের পাঁচ মাথা মোড়ে দেওয়াল ভেঙ্গে দুই শ্রমিক আহত
![]() |
| ভেঙ্গে যাওয়া দেওয়াল। -নিজস্ব চিত্র |
সুভাষ মন্ডল দিনহাটা ঃ বাড়ির দেওয়াল ভেঙ্গে দুই শ্রমিক আহত হলেও বড়সড়
দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল এলাকা ।
মঙ্গলবার দিনহাটা শহরের পাঁচ মাথার মোড়ে বলরামপুর রোড় জামতলা এলাকায় এক বাড়ির
দেওয়াল ভেঙ্গে এই দুরঘটনা ঘটে । দুর্ঘটনায় দুই শ্রমিক আহত হলেও তাদের মধ্যে এক
জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে । আহত ওই শ্রমিক সচীন্দ্র মোহন রায় ( ৪৮ ) বর্তমানে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন ।তার বাড়ি দিনহাটার ফুলবাড়ি মাশানপাট এলাকায় বলে জানা গেছে । নির্মীয়মাণ বাড়ির পাশে থাকা দীর্ঘ দিনের পুরোন
ঘরের একটি দেওয়াল এদিন শ্রমিকদের কাজ চলাকালীন ভেঙ্গে পড়াকে ঘিরে ব্যপক আলোড়ন
ছড়িয়ে পড়ে । এদিন শ্রমিকদের কাজ চলাকালীন হঠাত ই দীর্ঘ দিনের পুরোন ঘরের দেওয়াল টি ভেঙ্গে পড়লে নীচে এক শ্রমিক চাপা পড়ে
। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় এলাকার ব্যবসায়ী থেকে বাসিন্দারা সকলেই ছুটে আসে । ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে দিনহাটা
থানার পুলিশ এবং দমকল কর্মীরা সেখানে ছুটে এসে স্থানীয়দের সহযোগিতায় চাপা পড়া
শ্রমিক কে উদ্ধার করে । কর্মরত শ্রমিকদের
একজন বলেন এদিন তারা পুরোন দেওয়াল টির পাশেই নতুন বিল্ডিঙয়ের কাজ করছিলেন
। সেসময়ই দেওয়ালটি ভেঙ্গে পড়ে । দমকল বিভাগের আধিকারিক পি সি পাল বলেন পুরোন
ঘরের দেওয়াল ভেঙ্গে
দুই শ্রমিক আহত হয় । এদের মধ্যে এক
জনের আঘাত একটি বেশি বলে তিনি জানান । এদিন দেওয়ালের একটি অংশ ভেঙ্গে পরলেও বাকি
অংশ টি ভেঙ্গে দেওয়া হয় । স্থানীয় কাউন্সিলার গৌরী শঙ্কর মাহেশ্বরী বলেন শহরের
পাঁচ মাথার মোড়ে বলরামপুর রোড় জামতলা এলাকায় দীর্ঘ দিনের পুরোন ঘরের দেওয়াল টি ভেঙ্গে পড়লে দুই জন শ্রমিক আহত হয় । পুরনো এই দেওয়ালটির পাশেই কনশট্রাক
সনের কাজ চলছিল ।এদিন হঠাত করে দেওয়ালটি ভেঙ্গে
দুই জন শ্রমিক কমবেশি আহত হয় । এদের মধ্যে সচীন্দ্র মোহন রায় নামে আহত এক শ্রমিক দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন বলে কাউন্সিলার জানান ।
দিনহাটার সীমান্ত গ্রাম গীতালদহের হরির হাটে রক্ত দান শিবির
Monday, 25 December 2017
সর্ব ধর্ম সমন্বয়ে বড়দিনের আনন্দে মাতলো দিনহাটা বাসী
| বড়দিনে কেক কাটছে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কোচবিহার জেলা সাধারন সম্পাদক নিশীথ প্রামাণিক।- নিজস্ব চিত্র |
শিরনাম ২৪ ডেস্ক, দিনহাটা, ২৫ ডিসেম্বরঃ সর্ব ধর্ম সমন্বয়ে বড়দিনের আনন্দে
মাতলো দিনহাটা বাসী। দিনহাটা শহরের বৌ বাজার চার্চে পালিত হলো বড়দিন। বড়দিন
উপলক্ষ্যে চার্চে ভীর ছিল চোখে পড়ার মতো । এ দিন চার্চে এসে প্রভু যীশুর কাছে
কোচবিহার সাংসদ তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় , তৃণমূল
যুব কংগ্রেসের কোচবিহার জেলা সাধারন সম্পাদক নিশীথ প্রামাণিক, তৃণমূল ছাত্র
পরিষদের জেলা সভাপতি সাবির সাহা চৌধুরি, দিনহাটা শহর ব্লক সভাপতি অজয় রায়, নারায়ন
শর্মা সহ বিশিষ্ঠরা প্রার্থনা জানান। প্রার্থনা জানিয়ে
তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কোচবিহার জেলা সাধারন সম্পাদক নিশীথ প্রামাণিক কেক কেটে
বড়দিন পালন করেন। ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে বড় দিনের আনন্দ উপভোগ করার কথা
কোচবিহার জেলা সাধারন সম্পাদক নিশীথ প্রামাণিক বলেন।
শীতের হাত থেকে দুঃস্থ অসহায় মানুষদের বাচাতে এগিয়ে এল এক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান।
![]() |
| শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হচ্ছে |
Sunday, 24 December 2017
ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের নিরিক্ষনে থাকা কোচবিহার রাজ বাড়ি থেকে ছবি চুরি কান্ডে বড় সাফল্য কোচবিহার পুলিশের
![]() |
| চুরি হওয়া ছবি পুলিশের হাতে। |
সুভাষ মন্ডল , কোচবিহার ঃ ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের নিরিক্ষনে থাকা কোচবিহারের রাজমাতা তথা জয়পুরের মহারানী গায়েত্রী দেবীর ছবি রাজবাড়ির ভেতর থেকে উধাও হয়ে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করা ছারাও একজনকে গ্রেপ্তার করল কোচবিহার পুলিশ । রাজবাড়ির ভেতর থেকে রাতের বেলায় গায়েত্রী দেবীর ছবি উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় রাতেই কোতয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের হয় । রাজমাতা তথা জয়পুরের রাজরানী গায়েত্রী দেবীর ছবি চুরি যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত নামেন কোচবিহারের পুলিশ সুপার ডঃ ভোলানাথ পান্ডে স্বয়ং । রবিবার সকালে সাংবাদিক বৈঠকে পুলিশ সুপার ডঃ ভোলানাথ পান্ডে সাংবাদিকদের জানান গায়েত্রী দেবীর ছবি চুরি যাওয়ার ঘটনায় শনিবার রাতে পুলিশের কাছে অভিযোগ আশে । তদন্তে নেমে কোচবিহারের গুড়িয়াহাটি নতুন পল্লী এলাকার বছর কুড়ির মংলু দাস নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে । তাঁর বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয়েছে ছবিটি বলে পুলিশ সুপার জানান । অভিযোগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার মূল পান্ডাকে গ্রেপ্তার করা ছারাও ছবি উদ্ধারের ঘটনায় ব্যপক আলোড়ন পড়ে । উল্লেখ্য শনিবার রাজবাড়ির কর্মীরা দেখাতে পান , সিড়ির কাছে লাগানো গায়েত্রী দেবীর ছবিটি নেই। এর পরেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে।সারাদিন ছবিটির খোজ চলে রাজবাড়িতে, অবশেষে তদন্ত শুরু করে কোতয়ালী থানার পুলিশ । রাজ প্রসাদের দুই কর্মীকে আটক করা হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য । পরে তাঁদের ছেড়েও দেওয়া হয় । রবিবার ভোর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মংলু দাসের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ । তাঁর কাছ থেকেই উদ্ধার হয় ছবিটি । জেলার পুলিশ সুপার ডঃ ভোলানাথ পান্ডে সাংবাদিকদের বলেন নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কিভাবে ছবিটি ওই যুবক নিয়ে গেল তা তদন্ত হচ্ছে । রাজবাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো আটো সাটো করার জন্য রাজবাড়ির দায়িত্বে থাকা আর্কিলোজিক্যাল সার্ভে অব ইণ্ডিয়ার সঙ্গে কথা বলে হবে বলেও জেলার পুলিশ সুপার ডঃ ভোলানাথ পান্ডে জানান । রাজবাড়ির ভেতর থেকে রাতের বেলায় গায়েত্রী দেবীর ছবি উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় একই সাথে রাজবাড়ির সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন উঠেছে । গার্ড, পুলিশ, ক্যামেরা এরিয়ে ঘেরা থাকা স্বত্বেও কিভাবে ছবিটি নিয়ে জাওয়া সম্ভব হল তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে । সূত্রের জানা গেছে রাজবাড়িতে কর্মিদের বেতন নেই প্রায় ৩ মাস । প্রায় তিন মাস ধরে বেতন না পাওয়ার কারনেই একাধিক কর্মী আসছেন না কাজে । একই সাথে রাজবাড়ির ভেতরে ও বাইরে মিলিয়ে ৩৩ টি ক্যামেরা আছে যার মধ্যে মাত্র ৫ টি ক্যামেড়াই কাজ করছে, বাকি গুলি অচল হয়ে পড়ে আছে প্রায় ১ বছরের বেশি সময় ধরে । সন্ধ্যার পরে রাজবাড়ির সুরক্ষা কর্মী রা বেশির ভাগ ই বেড়তে ভয় পান বলেও জানা গেছে, সব মিলিয়ে এটা চোরেদের আদর্শ স্থান হয়ে উঠেছে বলে অনেকের অভিমত । বলা বাহুল্য এর আগেও এই ছবিটি চুড়ি হয়েছিল, তা পাওয়াও গেছে। জেলার পুলিশ সুপার ডঃ ভোলানাথ পান্ডে বলেন ধৃত মংলু দাস কোনো কাজ ই করেন না । মংলু দাসের বয়ান অনুসারে সে ছবি আকার জন্য নিয়ে গিয়েছিল এই ছবিটি ।এদিন জেলার পুলিশ সুপার ডঃ ভোলানাথ পান্ডে আরো বলেন, রাজবাড়ির সুরক্ষ্যা নিয়ে দ্রুত বৈঠকে বসবে জেলা পুলিশ । জেলা প্রশাসন কে সাথে নিয়ে এই বৌঠক করা হবে । সেখানে রাজবাড়ির সুরক্ষা নিয়ে একাধিক ফাক ফোকড় গুলি কে ভরাট করার ব্যপারে আলোচনা হবে। রাজবাড়ির ভেতরে থাকা পুলিশ পিকেটে রক্ষী সংখ্যা বাড়ানোর ব্যপারেও আলোচনা করা হচ্ছে ।রাজবাড়ি নিয়ে একাধিক অভিযোগ আগেই উঠেছিল। রাজবাড়ি তে প্রচুর শ্রমিক কাজ করে তাদের নীয়ন্ত্রন নিয়ে ও অভিযোগ আছে । তাছাড়া এই ঘটনার সাথে রাজবাড়ির কেউ যুক্ত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান জেলা পুলিশ সুপার । রাজবাড়ির ভেতর থেকে রাজমাতা তথা জয়পুরের রাজরানী গায়েত্রী দেবীর ছবি চুরি যাওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে কোচবিহার জেলা হেরিটেজ সোসাইটির সম্পাদক অরূপ জ্যোতি মজুমদার , হেরিটেজ সোসাইটির দিনহাটা শাখার সম্পাদক শঙ্খনাদ আচার্য প্রমূখ বলেন এই ছবিটি খুবই সাধারন মানের একটি ছবি । এটিকে ফ্লেক্স এর ওপরে প্রিন্ট করিয়ে বাধাই করানো হয়েছিল ।এই ছবিটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব তেমন না থাকলেও রাজবাড়ি থেকে সকলের আড়ালে ছবি উধাওটাই গুরুত্বপূর্ন । ১৯৯৪ এ এভাবেই কোচবিহারের মদনমোহন ঠাকুর চুড়ি হয়েছিল যা আজও উদ্ধার হয় নি। সাধারন ছবি চুড়ি হয়েছে এর আড়ালে অ্যান্টিক ছবি ও চুড়ি যেতে পারে । তাই সোসাইটির পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই আর্কিলোজিক্যাল সার্ভে অব ইণ্ডিয়া কে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে হেরিটেজ সোসাইটির সম্পাদক অরূপ জ্যোতি মজুমদার , হেরিটেজ সোসাইটির দিনহাটা শাখার সম্পাদক শঙ্খনাদ আচার্য উল্লেখ করেন ।
Saturday, 23 December 2017
রাজ্য খো খো প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে রওনা হলো কোচবিহারের দল
সুভাষ
মন্ডল,কোচবিহার ঃ রাজ্য খো খো প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে রওনা হলো কোচবিহারের দল । জুনিয়ার রাজ্য খো খো প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পূর্ব মেদিনিপুরে
রওনা দিল কোচবিহার জেলা দল । শনিবার ১৩ সদস্যের কোচবিহার জেলা খো খো দল পূর্ব
মেদিনিপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় ।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য খোখো সংস্থার পরিচালনায় ও পূর্ব মেদিনিপুর জেলা খো খো
সংস্থার ব্যবস্থাপনায় রাজু স্তরীয় ৪১ তম
জুনিয়ার এই খো খো প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পূর্ব মেদিনিপুরের সুতাহাটা
বাবুপুর এগ্রিকালচার হাইস্কুলের মাঠে । রবিবার ২৪ শে ডিসেম্বর থেকে দুই দিন ব্যাপী
এই প্রতিযোগিতা চলবে ২৫ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত বলে কোচবিহার জেলা খো খো সংস্থার সম্পাদক
অজিত চন্দ্র বর্মণ জানান । রাজ্য স্তরীয় এই প্রতিযোগিতায় কোচবিহার জেলা খো খো দলের
খেলোয়াড়রা হলেন সুদীপ বর্মণ , সজল বর্মণ , মমিনুর হক , জিয়ারুল হোসেন , গণেশ বর্মণ
, জনাব আলি , রাজীব হোসেন , দিলীপ বর্মণ , সফিকুল মিয়া , নয়ন আধিকারী , অসীম
চন্দ্র বর্মণ , ফারহাদ জামান , রাহুল হক বলে কোচবিহার জেলা খো খো সংস্থার সম্পাদক
অজিত চন্দ্র বর্মণ জানান ।দলের কোচ হলেন রাহুল সরকার এবং দলের
ম্যানেজার হলেন বিশাল বর্মণ ও
তন্ময় বর্মণ । পূর্ব মেদিনিপুরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া রাজ্য স্তরীয় এই প্রতিযোগিতায়
কোচবিহার জেলা অনূর্ধ্ব ১৮ বালক দল ভাল ফল করবে বলে আশাবাদী জেলা খো খো সংস্থার
সম্পাদক অজিত চন্দ্র বর্মণ সহ অন্যান্যরা ।
দিনহাটা হাসপাতালে অসামাজিক কাজ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিলেন দিনহাটা বিধায়ক
সুভাষ মন্ডল , দিনহাটা ঃ দিনহাটা মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে নানা অসামাজিক কাজ বন্ধ করতে ভিতরে থাকা বাইরের
সব গাড়ি সড়িয়ে দিল রোগী কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান বিধায়ক উদয়ন গুহ । শনিবার সকালে
রোগী কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান বিধায়ক উদয়ন গুহ আচমকাই মহকুমা হাসপাতালে ঢুকে
ভিতরে থাকা বাইরের সব গাড়ি সরিয়ে দেন ।
উল্লেখ্য বুধবার রাত দশটা নাগাদ
দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের ভিতরে মদের আসর বসে । হাসপাতালের
বহির্বিভাগের সামনে ফোর হুইলার গাড়ি নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের এক অংশের মদতেই
বহিরাগত কয়েকজন যুবক হাসপাতালের ভিতরে ঢুকে উচ্চস্বরে গান বাজিয়ে
মদের আসর বসাতে সক্ষম হয় । দিনহাটা
মহকুমা হাসপাতালের ভিতরে এভাবে প্রায়ই
মদের আসর বসে বলে হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের পরিবারের আত্মীয় পরিজনদের
অনেকেরই অভিযোগ । বহিরাগত যুবকরা কিভাবে মহকুমা হাসপাতালের ভিতরে মদের আসর বসাতে
সক্ষম হল তা নিয়ে প্রস্ন দেখা দেয় । হাসপাতালের
ভিতরে মদের আসর ও অসামাজিক কাজ বন্ধ করতে বিধায়ক উদয়ন গুহ
নিজে উদ্যোগী হয়ে আচমকাই এদিন সকালে হাসপাতালে অভিযান চালায় । এদিন পুলিশ কে সঙ্গে
নিয়ে রোগী কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান বিধায়ক উদয়ন গুহ হাসপাতালের ভিতরে থাকা
বেসরকারী বিভিন্ন গাড়ি সড়িয়ে দেন । তিনি বলেন
বেসরকারী কিছু গাড়ি সেখানে দাঁড়িয়ে থাকে । গাড়ি থাকা মানেই অনেক লোক সেখানে
থাকা । তারা কারা , রোগীর পরিবারের কিনা কেউ খোজ নেওয়ার নেই । সবাভাবিক ভাবেই একটা
জটলা হতে থাকে । নানা রকম অসামাজিক কাজ হওয়ার সম্ভবনা থাকে । রোগী কল্যান সমিতির
চেয়ারম্যান বিধায়ক উদয়ন গুহ বলেন ইতিমধ্যে একটা ঘটনা ঘটেছে । এগুলি বন্ধ করতে হবে
বলে তিনি উল্লেখ করেন । তিনি বলেন হাসপাতালের ভিতরে বাইক রেখে অনেকেই বিভিন্ন
জায়গায় কাজ করতে যায় । এটা একটা পারকিং স্থান হয়ে দাঁড়িয়েছে । এগুলিকে বন্ধ করতেই
পুলিশ কে খবর দেওয়া হয় । পুলিশ এসে হাসপাতাল চত্বর থেকে বাইক গুলি সরিয়ে দেয় বলে
রোগী কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান বিধায়ক উদয়ন গুহ জানান । চব্বিশ ঘন্টা হাসপাতালের
ভিতরে বেসরকারি বিভিন্ন গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকবে এটা হতে পারে না বলে তিনি উল্লেখ করেন
। অবৈধ পারকিং বন্ধ করতে হাসপাতালের সুপার ডাঃ রঞ্জিত মন্ডল কেও দেখতে বলা হয়েছে বলে রোগী কল্যান সমিতির
চেয়ারম্যান বিধায়ক উদয়ন গুহ জানান । প্রসঙ্গত দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে দালাল চক্র
বন্ধ করতে এবং অ্যাম্বুলেন্স চালকদের
হাসপাতাল থেকে সরানোর জন্য রোগী কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান বিধায়ক উদয়ন গুহ বেশ
কিছু দিন ধরেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে
। উদয়ন গুহর এই উদ্যোগ কে হাসপাতালে ভর্তি
থাকা রোগীদের পরিবারের আত্মীয় পরিজন রা সাধুবাদ জানালেও হাসপাতালের এক শ্রেণীর চিকিৎসক ও কর্মীদের একটি অংশের মদতেই এই অ্যাম্বুলেন্স চালকরা
হাসপাতাল চত্বরেই থাকার সাহস পাচ্ছিল বলে অভিযোগ
। বিধায়ক উদয়ন গুহ কড়া হাতে হাসপাতালে দালাল চক্র বন্ধ করতে এবং অ্যাম্বুলেন্স চালকদের হাসপাতাল থেকে অন্যত্র
সরানোর জন্য পদক্ষেপ নেওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই খুসি হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগী ও তাদের
আত্মীয় পরিজনরা ।প্রমিলা বাহিনীর ষষ্ঠ বর্ষ কোচবিহার জেলা সন্মেলন অনুষ্ঠিত হল দিনহাটার সীমান্ত গ্রাম গীতালদহে
সুভাষ মন্ডল, কোচবিহার ঃ প্রমিলা বাহিনীর ষষ্ঠ বর্ষ কোচবিহার
জেলা সন্মেলন অনুষ্ঠিত হল । শনিবার দিনহাটার সীমান্ত গ্রাম গীতালদহে গীতালদহ বিকাশ
সমিতির অফিস প্রাঙ্গণে অরাজনৈতিক এই সংগঠন প্রমিলা বাহিনীর ষষ্ঠ বর্ষ কোচবিহার
জেলা সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয় । সংগঠনের এদিনের এই সন্মেলনের উদ্বোধন করেন কোচবিহারের
সাংসদ তৃনমূল যুব কংগ্রেসের কোচবিহার জেলা সভাপতি পার্থ প্রতিম রায় । সন্মেলনে
উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনীয়া , অ্যাকশন এউড ইন্ডিয়ার সুধীর
কুমার সাও , অশোক নায়েক , গীতালদহ -২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান আমিনুল হক , তৃনমূল
কংগ্রেসের দিনহাটা-১ ব্লক সভাপতি নুর আলম হোসেন , দিনহাটা-১ পঞ্চায়েত সমিতির
কর্মাধ্যক্ষ জিল একরাম , গীতালদহ বিকাশ সমিতির সম্পাদক মউনুল হক , ছাত্র নেতা
দেবাশীষ বর্মণ প্রমূখ । প্রমিলা বাহিনীর
এদিনের জেলা সন্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংসদ পার্থ প্রতিম রায় , বিধায়ক
জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনীয়া থেকে সুরু করে উপস্থিত বিশিষ্টরা বর্তমান সমাজে
অরাজনৈতিক এই সংগঠনের নানা কাজের ভুমিকার কথা তুলে ধরেন । সন্মেলনে নারী নির্যাতন ,
শিশু পাচার রোধ থেকে সুরু করে সমাজে পিছিয়ে পড়া মহিলাদের উন্নয়নে প্রমিলা বাহিনীর
নানা কাজের কথা এদিন তুলে ধরেন সকলে । এদিন সন্মেলন শুরুর আগে সাংসদ পার্থ প্রতিম রায় , বিধায়ক জগদীশ চন্দ্র
বর্মা বসুনীয়া থেকে সুরু করে উপস্থিত বিশিষ্টদের বৈরাতী নৃত্যের মাধ্যমে বরন করে
নেওয়া হয় । সন্মেলনে সাজিদা পারভীন কে সম্পাদিকা , শঙ্করী বর্মণ কে সভানেত্রী ও
কনিকা সরকার কে কোষাধ্যক্ষ করে ৩০ জনের নতুন জেলা কমিটি গঠিত হয় বলে গীতালদহ বিকাশ
সমিতির সম্পাদক মউনুল হক জানান । প্রমিলা বাহিনীর ষষ্ঠ বর্ষ কোচবিহার জেলা এদিনের
সন্মেলনে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সদস্যারা অংশ গ্রহন করে ।
কৃষক ও কৃষির উন্নয়ন কে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে তিনদিন ব্যাপী কৃষি মেলা শুরু হল দিনহাটায়
সুভাষ মন্ডল, দিনহাটা ঃ কৃষক ও কৃষির উন্নয়ন কে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে তিনদিন ব্যাপী মাটি , কৃষি , উদ্যানপালন , মৎস্য , কৃষি বিপনন , সমবায় ও প্রানী সম্পদ মেলা শুরু হল দিনহাটায় । রাজ্য সরকারের কৃষি দপ্তরের উদ্যগে দিনহাটা ১ ব্লকের কৃষি মেলার কিষান মান্ডিতে শনিবার ওই মেলার সূচনা করেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বন মন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মণ , রাজ্য বন উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান দিনহাটার বিধায়ক উদয়ন গুহ , বিধায়ক জগদীস চন্দ্র বর্মা বসুনীয়া , কোচবিহার জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষা মমতাজ বেগম, দিনহাটা মহকুমা কৃষি অধিকর্তা যাদব চন্দ্র মণ্ডল , দিনহাটা -১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ঝর্না দাস , ব্লকের বিডিও পার্থ চক্রবর্তী , কাউন্সিলার অসীম নন্দী , গৌরী শঙ্কর মাহেশ্বরী , তৃনমূল কংগ্রেসের দিনহাটা-১ ব্লক সভাপতি নুর আলম হোসেন প্রমূখ । কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে এদিনের কৃষি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ এধরনের মেলার প্র্যজনীয়তার ও গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন । কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মেলার বিভিন্ন স্টলে এলাকার কৃষকদের উৎপাদিত ফসল প্রদর্শনী যেমন করা হয় । তেমনি মহিলাদের কৃষি কাজে এগিয়ে নিয়ে আসার জন্য মেলায় রন্ধন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে । কৃষকদের জমির মাটি পরীক্ষা করার জন্য একটি মাটি পরীক্ষা কেন্দ্র ছাড়াও এলাকার সমস্ত কৃষকদের ফসলকে বীমার আওতায় নিয়ে আসার জন্য আবেদনপত্র পূরণ করার কাজ শুরু হয় ।দিনহাটা মহকুমা কৃষি অধিকর্তা যাদব চন্দ্র মণ্ডল বলেন, “আলু সব থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ফসল। তাই আলুর বিমা করতে গিয়ে কৃষকদের কিছু অর্থ খরচ করতে হবে । কিন্তু ভুট্টা, সরিষা, গম কলাই জাতীয় রবি শস্যে বিনা পয়সায় বীমা করা যাবে। তাই কৃষি মেলায় স্টল করে বীমার জন্য কৃষকদের আবেদনপত্র পূরণ করার কাজ করা হচ্ছে ।”এদিন মেলা শুরুর আগে উপস্থিত বিসিশঠদের বরন করে নেওয়া হয় । দিনহাটা-১ ব্লকের কৃষি মেলায় কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে মেলার প্রথম দিনই ব্লকের বিভিন্ন স্থান থেকে কৃষক থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত ।মেলার দ্বিতীয় দিন রবিবার কৃষক দের নিয়ে কৃষক প্রশিক্ষণ শিবির অনুষ্ঠিত হবে বলে দপ্তর সূত্রে জানা গেছে ।
Friday, 22 December 2017
জুয়া খেলার সচেতনতা প্রচারে এগিয়ে এলেন দিনহাটা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কুন্তল ব্যানার্জি
শিরনাম ডেস্ক, দিনহাটা, ২২ ডিসেম্বরঃ জুয়া খেলার সচেতনতা প্রচারে এগিয়ে এলেন দিনহাটা এস ডি পি ও কুন্তল ব্যানার্জি। বৃহস্পতিবার রাতে সাবেক ছিট কড়লা এলাকায় একটি যাত্রপালার মঞ্চে উঠে এস ডি পি ও কুন্তল ব্যানার্জি নিঃশুল্ক যাত্রা ও জুয়া খেলার কারন সমন্ধে সচেতন করলেন এলাকার বাসিন্দাদের। দিনহাটা মহকুমায় বিগত কয়েক বছর জুয়া খেলা প্রায় বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি পুনরায় জুয়া খেলা শুরু হওয়ার আভিযোগ পেয়ে এমনি প্রয়াসে নামল দিনহাটা এস ডি পি ও ।দিনহাটা মহকুমার কিছু কিছু প্রত্যান্ত গ্রামে যাত্রা পালার নাম ভঙ্গিয়ে গজিয়ে ওঠে জুয়ার আসড়। আর সেই জুয়া খেলার কারনে পারিবারিক অশান্তি থেকে শুরু করে চুরি দিনকে দিন বাড়ছে বলে জানান এস ডি পি ও। তিনি আরো বলেন যাত্রা বা বিচিত্রানুষ্ঠান গ্রামের মানুষের মনরঞ্জন কিন্তু কিছু শ্রেনীর মানুষের মদতে চলছে এই জুয়া খেলা। উল্লেখ্য, অশ্লীল নাচ ও জুয়ার আসড়ের হাত থেকে গ্রামের মানুষকে রক্ষা করতে দিনহাটা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কুন্তল ব্যানার্জি যখন এহেন উদ্যগ নিয়েছেন ঠিক তখন পুলিশের একটি অংশের মদতেই চলে অশ্লীল নাচ ও জুয়ার আসড় বলে অভিযোগ ।প্রসঙ্গত শীত পড়তেই দিনহাটা মহকুমার বিভিন্ন থানে শুরু হয়েছে যাত্রাপালার নাম ভাংগিয়ে আশ্লীল নাচ ও জুয়া খেলা। বিগত কয়েক বছর জুয়া খেলা বন্ধ থাকলেও এ বছর কালিপুজোর পর থেকে আবার শুরু হয় এই খেলা। তার সাথে চলতে থাকে অশ্লীল নাচ।কার্যত পুলিশকে ম্যানেজ করেই চলে বলে অভিযোগ। এদিন পুলিশ আধিকারিক সাবেক ছিট কড়লার যাত্রাপালার মঞ্চে ঊঠে স্থানীয় বাসিন্দা সহ বিশেষ করে মহিলাদের নানা ভাবে সচেতন করেন। পুলিশের এই আধিকারিকের সচেতনতা স্থানীয় মহিলাদের মধ্যে ব্যাপক প্রভাব পড়ে।
Wednesday, 20 December 2017
দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে বসল মদের আসর
| দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে মদের আসড় |
এক্সক্লুসিভ শিরনাম ২৪ ডেস্ক,২০ডিসেম্বর, দিনহাটাঃ দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের ভিতরই বসল মদের আসর ।
বুধবার রাত দশটা নাগাদ দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের ভিতরে মদের আসর কে ঘিরে ব্যপক
চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে । এদিন রাতে বহিরাগত কিছু যুবক রীতিমত ফোর হুইলার নিয়ে মহকুমা
হাসপাতালের ভিতরে মদের আসর বসায় । এভাবে হাসপাতাল চত্বরে
প্রায়ই মদের আসর বসলেও করতিপক্ষের কোন হেলদোল নেই বলে অভিযোগ । এদিন বহিরাগত এই
যুবকেরা হাসপাতালের ভিতরে থাকা কয়েকজন অ্যাম্বুলেন্স চালক কে সঙ্গী করে ফোর হুইলার
নিয়ে উচ্চস্বরে গান বাজিয়ে মদের আসর বসাল । মহকুমা হাসপাতালের ভিতর মদের আসর বসার
খবর পেয়েই সাংবাদিকরা সেখানে ছুটে গেলে মদ্যপ অবস্থায় যুবকদের ছোটাছুটি
শুরু হয়ে যায় । হাসপাতালের বহির্বিভাগের সামনে ফোর হুইলার গাড়ি , মদের বোতল ,
মোবাইল ফোন সহ আনুষঙ্গিক নানা জিনিস থেকে
শুরু করে রেখেই তড়িঘড়ি পালিয়ে যায় । দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের ভিতরে এভাবে
প্রায়ই মদের আসর বসে বলে হাসপাতালে ভর্তি
থাকা রোগীদের পরিবারের আত্মীয় পরিজনদের অনেকেরই অভিযোগ । বহিরাগত যুবকরা কিভাবে
মহকুমা হাসপাতালের ভিতরে মদের আসর বসাতে সক্ষম হল তা নিয়ে প্রস্ন দেখা দিয়েছে । অ্যাম্বুলেন্স
চালকদের এক অংশের মদতেই বহিরাগত এই যুবকেরা রীতিমত গাড়ি নিয়ে হাসপাতালের ভিতরে
ঢুকে উচ্চস্বরে গান বাজিয়ে মদের আসর বসাতে সক্ষম হয় বলে অভিযোগ । এই অ্যাম্বুলেন্স
চালকদের হাসপাতাল থেকে সরানোর জন্য রোগী কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান বিধায়ক উদয়ন গুহ
বেশ কিছু দিন ধরেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ।
রোগী কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান বিধায়ক উদয়ন গুহর এই উদ্যোগ কে হাসপাতালে ভর্তি
থাকা রোগীদের পরিবারের আত্মীয় পরিজন রা সাধুবাদ জানালেও চিকিৎসকদের একটি অংশের মদতেই এই অ্যাম্বুলেন্স
চালকরা হাসপাতাল চত্বরেই বাধাহীন ভাবে থেকে যাচ্ছে বলে অভিযোগ । বিষয়টি নিয়ে
দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপার ডা উজ্জ্বল আচার্য বলেন এধরনের ঘটনা
কখনই কাম্য নয় । গোটা ঘটনা ক্ষতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের কথা বলেন
ভারপ্রাপ্ত সুপার ডা উজ্জ্বল আচার্য । পাশাপাশি তিনি বলেন বিষয়টি তিনি রোগী কল্যান
সমিতির চেয়ারম্যান বিধায়ক উদয়ন গুহর গোচরে আনবেন । ( ছবি ) #
Saturday, 16 December 2017
| রস জাল দিয়ে গুড় বানাচ্ছে শিল্পীরা।- নিজস্ব চিত্র |
শিরোনাম ২৪ ডেস্কঃ দিনহাটা,১৬ডিসেম্বরঃ হাড় কাপানো শীতের মধ্যেই বাঙ্গালীর পিঠে খাওয়া যার পোষাকি নাম পৌষ সংক্রান্তি । আর এই পিঠে উৎসব- খেজুর গুড় ছাড়া ভাবতে পারা যায় না। সেই কারনেই মহম্মদ আফজালদের মতো অনেকেই শীতকে উপেক্ষা করে রাত জেগে খেজুরের রস কে পরিনত করে খেজুর গুড়ে। দিনহাটা মহকুমার বিভিন্ন গ্রাম থেকে খেজুর রস সংগ্রহ করে বানানো হয় খেজুরের গুড়। এই গুড় বানাতে গিয়ে কত রাত যে তাদের অনিদ্রায় কাটে তার হিসেব খদ্দের দের কেউ রাখে না। তাদের রাত জেগে বানানো এই গুড় খদ্দেররা চায় কম দরে।এই সব কারনে কখনো কখনো অভিমান হয় এই গুড় শিল্পীদের। অভিজ্ঞ মহলের দাবী, সভ্যতার কড়াল গ্রাসে হারিয়ে যেতে বসেছে খেজুর গাছ। তবে কিছু কিছু প্রত্যান্ত গ্রামে এখনো এই খেজুর গাছের দেখা পাওয়া যায়। আর যেই যেই স্থানে খেজুর গাছ রয়েছে সেখানেই পৌছে যায় এই গুড় শিল্পীরা। এই শিল্পীদের হাতেই সেখানে গরে ওঠে খেজুর পাতা দিয়ে অস্থায়ী ঘড় যা “খুপরি” নামে জানা যায়। সেখানে থেকে দূর দুরান্তের খেজুর গাছ গুলি থেকে রস সংগ্রহ করে তারা।
ঘড়িতে তখন ভোর সাড়ে পাচটা । কনকনে শীতের মধ্যে কুয়াশা ঢাকা গোটা এলাকা । তারই মধ্যে দিনহাটা মহকুমার ভারত – বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার গিতালদহ ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের নিউ গিতালদহ এলাকায় সাংবাদিকিদের দল পৌছে যায় বিলুপ্ত প্রায় এই শিল্পের খবর সংগ্রহ করতে। গিয়ে দেখা যায়, শেষ রাতে সংগ্রহ করে আনা খেজুরের রসকে গুড় বানানোর প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে। হাড় কাপানো শীতকে উপেক্ষা করে লম্বা টিনের পাত্রে জাল দিয়ে চলেছে খেজুরের রস। এরই মধ্যে এক শিল্পী জানায় তাদের জীবনের কাহিনী। জানা যায়, পুরো বছরে হাতে গোনা কয়েক দিন মাত্র এই কাজ তারা করে। আর এই কয়েক দিনেইর রোজগারেই চলে কয়েক মাস। সামান্য কিছু টাকা আয় হয় বলে এই শিল্পে আসতে চায় না ভবিষ্যত প্রজন্ম। তাদের কথায়, তেমন একটা আয় নেই এই পেশায়। তবে সরকারি সাহায্য পেলে এই শিল্প কে ভবিষ্যতে এই বাচিয়ে রাখা যাবে।
***অনুমতি ছাড়া কোন খবর কপি করা যাবে না।***
Sunday, 10 December 2017
মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে এক মোবাইল ব্যাবসায়ীকে গ্রেফতার করলো দিনহাটা পুলিশ
| প্রতীকী ছবি। |
শিরনাম ২৪,দিনহাটা,১০ডিসেম্বরঃ দিনহাটা
শহর ও শহরতলীতে একের পর এক ছুরি -
ছিনতাইয়ের ঘটনায় ব্যবসায়ী থেকে সাধারন মানুষের যখন নিরাপত্তা নিয়ে
প্রশ্ন উঠলো ঠিক তখনই দিনহাটার বিধায়ক তথা
পৌরপিতা উদয়ন গুহর নেতৃতে আন্দোলন শুরু হতেই নড়ে চড়ে বসল দিনহাটা থানার পুলিশ । দিনহাটা
মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কুন্তল ব্যানার্জির নেতৃত্বে এক মোবাইল ব্যাবসায়ীকে
গ্রেফতার করে পুলিশ। দিনহাটা মহকুমার বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক ছুরি
ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় পুলিশের ভুমিকা
নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন স্বয়ং বিধায়ক উদয়ন গুহ ঠিক তার পরেই চুরি –
ছিনতাইয়ের কিনারা করতেই আসরে নামে দিনহাটা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক। পুলিশ
সূত্রে জানা যায়, দিনহাটা-২ ব্লকের নাগরের বাড়ী এলাকা থেকে
এক মোবাইল ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে । সূত্রের খবর, দিন কয়েক আগে এক যুবকের দামী একটি মোবাইল ছিনতাই
হয় বলে অভিযোগ । তদন্তে নামে দিনহাটা
মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কুন্তল ব্যানার্জির । অবশেষে পুলিশ এদিন মোবাইল খোয়া
যাওয়ার ঘটনায় প্রসেনজিৎ বর্মণ নামে এক মোবাইল ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে ।দিনহাটার এসডিপিও কুন্তল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ছিনতাই হওয়া মোবাইল উদ্ধারের পাশাপাশি প্রসেনজিৎ
বর্মণ নামে এক মোবাইল ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা
গেছে স্থানীয় এলাকাতেই ওই যুবকের মোবাইলের দোকান রয়েছে । গোপন সূত্রে পুলিশ জানতে পারে, যে গ্যাং টি মোটরসাইকেলে চেপে দিনহাটার বিভিন্ন জায়গায় ছিনতাই করে চলছে , তার সঙ্গে জড়িত রয়েছে প্রসেনজিৎ বর্মন । উল্লেখ্য দিনহাটা
শহরে একের পর এক ছুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা রোধে দিনহাটা থানার পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে শহরে একের পর এক চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা বন্ধে দাবী জানান বিধায়ক উদয়ন গুহ নিজে ।পৌরপ্রধান বিধায়ক উদয়ন গুহ র নেতৃতে
দিনহাটা থানায় ডেপুটেসন দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার কাউন্সিলার তথা তৃনমূল কংগ্রেসের দিনহাটা শহর ব্লক সভাপতি অসীম নন্দী , গৌরী শঙ্কর মাহেশ্বরী , তৃনমূল কংগ্রেসের দিনহাটা শহর ব্লক সহ সভাপতি বিশু ধর , তৃনমূল ছাত্র পরিষদের কোচবিহার জেলা সভাপতি সাবীর সাহা চৌধুরী প্রমূখ ।












