Thursday, 16 July 2020

দিনহাটা শহরে ভর- দুপুরে তৃণমূলের কোন্দল, ভাঙচুর গাড়ি

শিরোনাম ২৪, দিনহাটা, 16 জুলাই: ফের যুব মাদার দ্বন্দ্ব শুরু হল দিনহাটা শহরের সংহতি ময়দানে। এদিন বিকেলে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের শালমারা অঞ্চল সভাপতি তপন বর্মন কে মারধরসহ তার গাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ উঠল দিনহাটা পুরসভার 1 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জয়দীপ ঘোষ এর বিরুদ্ধে। পাশাপাশি জয়দীপ ঘোষ এর গাড়ি ও বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে দলেরই শাখা সংগঠন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি তপন বর্মণ বলেন, এদিন দুপুরে তিনি স্থানীয় কয়েকজন পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে দিনহাটা মহকুমা শাসকের কাছে কিছু জরুরী কাজে আসেন। সে সময় উদয়ন গুহ ঘনিষ্ঠ 1 নম্বর ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর জয়দীপ ঘোষ উদয়ন গুহ ফোনে অনুমতি পাওয়া মাত্রই তার ওপর চড়াও হয়। তাকে ব্যাপক মারধর করার পাশাপাশি গাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে যাওয়ার পর তিনি দিনহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এদিকে বিষয়টি চাউর হতেই তৃণমূল যুব কংগ্রেসের অসংখ্য কর্মী-সমর্থক থানায় এসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। যদিও তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জয়দীপ ঘোষ। তিনি বলেন কোথাও কোনো ঝামেলা হলেই রীতিমতন পরিকল্পনামাফিক তার নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সাথে তার কোনো রকম সম্পর্ক নেই।
 এদিকে থানায় বিক্ষোভের পর অভিযুক্ত 1 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জয়দীপ ঘোষের বাড়িতে চড়াও হয় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা। ভাঙচুর করা হয় জয়দীপ ঘোষের বাস ও একটি গাড়ি। তথ্য বিজ্ঞ মহলের মতে গিরগিটির মতো রং বদলে এতদিন যারা তৃণমূলের মূল সংগঠন এ ছিল তারই একটা বৃহৎ রূপ বদলে যুবর সংগঠনে মিশেছে। বিষয়টি নিয়ে কোনরকম মন্তব্য করতে চাননি দিনহাটার বিধায়ক তথা বনন নিগমের চেয়ারম্যান দিনহাটা পুরসভার পুরপ্রধান উদয়ন গুহ।

Tuesday, 14 July 2020

ফের লকডাউন এর পথে রাজ্য সরকার

শিরোনাম ২৪ ডেস্ক, ১৪জুলাই: ফের পুরোপুরি লকডাউন হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। এদিন রাজ্য সরকারের এনফোর্সমেন্ট টাস্কফোর্সের অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারি ও চেয়ারম্যান আলাপন বন্দোপাধ্যায় জানান, আগামীকাল থেকে  থেকে পুরোপুরি  লক ডাউন কোচবিহার, মালদা, রায়গঞ্জ , জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়ি শহরে চলবে। এখনো পর্যন্ত জানা যাচ্ছে,
অনির্দিষ্ট কালের জন্য ঘোষণা করলো রাজ্য সরকার ।

Wednesday, 8 July 2020

দিনহাটায় বিস্ফোরণের অভিযোগ বিজেপির




আবির ভট্টাচার্য দিনহাটা, ৮ জুলাই: বিজেপি কর্মীর বাড়ির সামনে বোমা বিস্ফোরণের জেরে কেঁপে উঠল দিনহাটা শহর সংলগ্ন আটিয়াবাড়ী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। ঘটনার  প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই ময়দানে নেমে পড়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। বুধবার দিনহাটা শহরের নির্বাচনী কার্যালয় এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিক বৈঠক করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। অভিযোগ, সোমবার গভীর রাতে দিনহাটা 1 ব্লকের আটিয়াবাড়ী এলাকার বিজেপি কর্মী দিলীপ বর্মন এর বাড়ির সামনে কে বা কারা রাতের অন্ধকারে বেশ শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণ করে । এর জেরে কেঁপে ওঠে সংশ্লিষ্ট এলাকা। এদিন এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব অশোক মন্ডল, দীপ্তিমান সেনগুপ্ত, ডালিম রায় সিংহ, লেবু খান, নারায়ণ বর্মন সহ প্রমুখ দিনহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পরবর্তীতে দিনহাটা শহরের নির্বাচনী কার্যালয় এ সাংবাদিক বৈঠক করেন। সাংবাদিক বৈঠকে দীপ্তিমান সেনগুপ্ত বলেন, গত পরশুদিন মধ্যরাতে বিজেপির একজন কার্যকর্তা র বাড়িতে রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে কে বা কাহারা বোমা বিস্ফোরণ করে। ঘটনা ঘটার পর দিনহাটা থানা থেকে পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিল। এবং গতকাল বিজেপি নেতৃত্ব ঘটনাস্থল দেখতে যান। পাশাপাশি বিজেপি নেতা দীপ্তিমান সেনগুপ্ত পুলিশ এর উপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ঘটনা ঘটার প্রায় ৭২ ঘন্টা কেটে গেলেও পুলিশের তরফ থেকে এখনো পর্যন্ত সেরকম কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। তিনি আরো বলেন, আজকে জেড পি ২৪ এর মন্ডল সভাপতি ডালিম রায় সিংহের নেতৃত্বে দিনহাটা থানায় লিখিত ভাবে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। পাশাপাশি তিনি বলেন, সামনেই বিধানসভা নির্বাচন তার প্রাক্কালে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় কার মত অস্ত্রের শক্তি প্রদর্শন যাতে শুরু না হয় সেজন্য পুলিশের কাছে আবেদন সুয়োমোটো মামলা করে ঘটনার প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। পাশাপাশি সংগঠনের তরফ থেকে বলা হয় অবিলম্বে দোষীদের সনাক্তকরণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনে নাম্বার হুঁশিয়ারিও তারা দেন।

Sunday, 5 July 2020

নিশীথ কে ঘিরে জয়ের আশায় বুক বাঁধছে উত্তরের বিজেপি কর্মীরা

শিরোনাম 24 ডেস্ক, কোচবিহার: আবারো ধস তৃণমূল শিবিরে। রবিবার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিল 30 টি পরিবার। বিজেপি নেতৃত্ব অশোক মন্ডল, দীপ্তিমান সেনগুপ্ত ও রফিক লেবু তাদের হাতে বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে দেন। দিনহাটা মহকুমার আটিয়াবাড়ী এলাকা কার্যত শাসক দল তৃণমূলের গড়। সেখানেই এত বিপুল পরিমাণ কর্মী সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান এর ঘটনাকে সামান্য নজরে দেখছে না বিরোধী দলগুলি। স্বভাবতই ২১ এর ভোটের আগে গুটি সাজাতে ব্যস্ত বিজেপি। আর সেই কারণে ক্রমেই গোটা রাজ্য জুড়ে চলছে ব্যাপক পরিমাণে অভিযান। বিশেষ করে কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক ফুল অ্যাকশনে ইতিমধ্যেই নেমে গেছেন। কোচবিহার জেলা সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে মূলত তরুণ সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের টানেই যুবসমাজ সমস্ত দল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করছে।শুধু নেতা, কর্মী আর সমর্থকদের বিজেপিতে নিয়ে এসেই খান্ত থাকছেন না তিনি। গোটা রাজ্য জুড়ে চালাচ্ছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান।

 রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানান ইস্যুতে সরব হওয়ার জন্য কখনো তিনি থানার সামনে আবার কখনো রাস্তার মাঝে বসে পড়তে দেখা গেছে । আগামী বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপির ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন কোচবিহারের এই সাংসদ। আর তৃণমূলের প্রধান মাথা ব্যাথার কারণও হয়ে উঠেছেন তিনি। দিনকে দিন ওনার যেমন জনপ্রিয়তা বেড়েছে। তেমনই তৃণমূলের যুব সমাজের মুখ অভিষেক ব্যানার্জীর জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। আর এই নিয়ে গভীর চিন্তায় গোটা শাসক দল। তবে নিশিত প্রমানিক কে ঘিরে কোচবিহারের বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা একুশে ক্ষমতায় আসার আশায় বুক বাঁধছে।