Tuesday, 16 June 2020

আর্থিক সহযোগিতা সহ খাদ্য সামগ্রী ও দুই ছাত্রীর শিক্ষা ভার গ্রহণ করল বিবর্তন

বিবর্তনের পক্ষ থেকে ওকড়াবাড়ি এলাকার বেশ কয়েকটি পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলির হাতে যাবতীয় খাদ্য সামগ্রী সহ অর্থ সাহায্য করা হলো। সংস্থার তরফ থেকে ডা: উজ্জ্বল আচার্য বলেন, ওকড়াবাড়ি এলাকায় বেশ কয়েকটি পরিবার আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়ার কথা জানতে পেরে বিবর্তনের পক্ষ থেকে আর্থিক সাহায্য সহ যাবতীয় খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
পাশাপাশি সংস্থার তরফ থেকে পঞ্চম ও দশম শ্রেণীর দুই ছাত্রীর পড়াশোনার যাবতীয় দায়িত্ব বিবর্তনের তরফ থেকে পালন করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ইতিপূর্বেই দিনহাটা সহ কোচবিহার জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিবর্তন এর তরফ থেকে সমাজসেবামূলক কাজের থেকে শুরু করে করোনা র এই আবহের মধ্যে লকডাউন এর জেরে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবার গুলিকে সাহায্য করা হয়েছিল। মঙ্গলবার দিনহাটা 1 ব্লকের ওকড়াবাড়ি এলাকায় এদিন ফের দুস্থ পরিবারগুলির হাতে খাদ্য সামগ্রী সহ অত্যাবশ্যকীয় জিনিস তুলে দেওয়া র এই মহান কর্মকাণ্ডকে বাহবা দিচ্ছে এলাকার গুণীজনেরা। সংগঠনের প্রায় সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে এদিন সংস্থার কর্ণধার তথা এলাকার বিশিষ্ট চিকিৎসক উজ্জ্বল আচার্য সহ সংগঠনের সদস্যরা চাল ডাল তেল নুন থেকে শুরু করে যাবতীয় খাবারসহ 1000 টাকা তুলে দেন দুস্থ পরিবার গুলির হাতে।

Wednesday, 3 June 2020

গর্ভবতী হাতিকে বিস্ফোরক বোঝাই আনারস খাইয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ

শিরোনাম ২৪ ডেস্ক: খিদের জ্বালাই মৃত্যুর কারণ হলো গর্ভবতী হাতির। দক্ষিণ  মাত্র ১৫ বছর বয়সী গর্ভবতী হাতিকে বিস্ফোরক ভরা আনারস খাইয়ে নিশংস ভাবে মেরে ফেলার ঘটনা ঘটলো। জানা গেছে, গর্ভবতী ওই হাতিটি খিদের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে বেশ কয়েকদিন আগে কেরালা রাজ্যের মালাপ্পুরম এ লোকালয়ে আসে। সে সময় একটি আনারস এ বিস্ফোরক ভরে কেউ বা কারা খাইয়ে দেয়। বিস্ফোরকে ভরা আনারস টি মুখে পুরতেই আনারসের ভেতরে থাকা বিস্ফোরক মুখের ভেতরে ফেটে যায়। ক্রমাগত মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে গর্ভবতী হাতির। সুর সহ মুখের ভেতরে বিভিন্ন স্থানে গভীর ভাবে ফেটে যায়  বিস্ফোরণের ফলে। সেই অবস্থায় টানা ২-৩ দিন দক্ষিণ ভারতের ওই গ্রামে ঘুরে বেড়ালেও দক্ষিণ ভারতের কেরালা রাজ্যের মালাপ্পুরাম এলাকার কোন বাসিন্দা গর্ভবতী ওই হাতিটি কে সহায়তা করতে এগিয়ে আসেনি। ক্ষুধা-তৃষ্ণায় কাতর সহ গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত ওই গর্ভবতী হাতিটি এলাকার বিন্দুমাত্র ক্ষয়ক্ষতি করা কিংবা কোন মানুষকে আঘাত পর্যন্ত করেনি। অবশেষে হাতিটি এলাকার ভেল্লিয়ার নদীতে নেমে দাড়িয়ে থাকে। পাছে যদি একটু স্বস্তি পাওয়া যায়। কিন্তু জলে নেমে তৃষ্ণা মিটলো খুদা কষ্টের বিন্দুমাত্র লাঘব হয়নি। বিষয়টি বনদপ্তর জানতে পেরে এদিন হাতিটিকে উদ্ধার করতে যায়। কিন্তু কয়েকদিন খেতে না পেরে গর্ভবতী ওই হাতিটি শারীরিকভাবে একদম ভেঙে যায় পাশাপাশি মুখের ভেতরে বিস্ফোরকের কষ্টে ততক্ষণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে হাতিটি। এলাকার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক মোহন কৃষ্ণন বলেন, টানা কয়েকদিন মুখের ভেতরে  বিস্ফোরণের মতো গুরুতর আঘাত সহ অভুক্ত অবস্থায় লোকালয় ঘুরে বেড়ালেও কোন মানুষকে আহত করা কিংবা কোন বাড়ি ঘর ভাঙ্গা র মত কাজ হাতে কি করেনি। এমনকি কোনো মানুষের দিকে তেড়ে যায়নি পর্যন্ত। তিনি আরো বলেন, দুটি হাতির সাহায্যে মৃত ওই হাতিটি কে জল থেকে তুলে এনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।  হাতিটিকে প্রাণে বাঁচাতে পারবে খুব ভালো লাগতো বলে তিনি উল্লেখ করেন। এমন অমানবিকতার কান্ড দক্ষিণ ভারতে এর আগেও ঘটেছে। তবে এবার হাতিটি গর্ভবতী থাকায় দক্ষিণ ভারতের এই নৃশংসতার শিকার হল হাতিটির গর্ভস্থ সন্তানটি পর্যন্ত। যদিও পুলিশ এখনো পর্যন্ত কাউকে এই ঘটনায় গ্রেফতার করতে পারেনি। এদিকে বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হতেই দক্ষিণ ভারতের এমন মর্মস্পর্শী ঘটনার জন্য দায়ী অপরাধীদের চূড়ান্ত থেকে চূড়ান্ত তর শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হচ্ছে নেটিজেনরা। পাশাপাশি এমন অমানবিকতার ঘটনা দেশের অন্যান্য জায়গায় খুব কম হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন অনেকে।