শিরোনাম ২৪, দিনহাটা, ২২
ফেব্রুয়ারিঃ আর্ন্তজাতিক চারুকলা উৎসব মঞ্চে বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পীদের সংবর্ধিত
করলো মহকুমা প্রশাসন । দিনহাটা শহরের হেমন্ত বসু কর্ণারে বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ
চারুকলা স্যোসাইটি ও দিনহাটা মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বংলাদেশের চার চিত্র
শিল্পীকে সংবর্ধিত করা হয় । এদিনের সংবোর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিনহাটা
মহকুমা শাসক কৃষ্ণাভ ঘোষ , মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কুন্তল ব্যানার্জি , দিনহাটা
থানার আই সি জহর জ্যোতি রায় , দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক উজ্জ্বল আচার্য, সমাজ কর্মী বিশু ধর, চারুকলা সোস্যাইটির অন্যতম
কর্তা তথা উত্তরের বিশিষ্ঠ চিত্র শিল্পী রথীন্দ্র নাথ সাহা সহ প্রমুখ । এদিনের এই
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের চার শিল্পিকে সংবর্ধিত করা হয় । বাংলা দেশের এই শিল্পীরা
হলেন , নাজমুর আক্তার , মোঃ মেহেন্দি হাসান , নাজিয়া মাসুদ খান , পীষুস কান্তি
সরকার । এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দিনহাটা মহকুমা শাসক কৃষ্ণাভ ঘোষ এস ডি পি ও কুন্তল ব্যানার্জি বলেন , উত্তরবঙ্গ
চারু কলা স্যোসাইটির এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শিল্পীদের অংশ গ্রন গোটা অনুষ্ঠানটিকে
আর্ন্তজাতিক মাত্রায় পৌছে দিয়েছে । এবং
প্রশাসনের তরফ থেকেও বাংলাদেশের শিল্পীদের ধন্যবাদ জানানো হয় । এদিনের এই
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শিল্পীরা উত্তরবঙ্গ চারুকলা স্যোসাইটি ও দিনহাটা মহকুমা
প্রশাসনের তরফে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অভিভূত বলেও তারা উল্লেখ করেন । পাশাপাশি এদিন
দিনহাটা শহরের হেমন্ত বসু কর্ণারে মৃৎ শিল্পীদের নানাবিধ কারুকৃত করতে দেখা যায় ।
Thursday, 22 February 2018
Tuesday, 20 February 2018
স্কুলে হানা দিলেন সমষ্ঠি উন্নয়ন আধিকারিক
শিরোনাম ডেস্ক, দিনহাটা, ২০ ফেব্রুয়ারিঃ
প্রাথমিক বিদ্যালয়য়ের মিড-ডে-মিলের খাবারের গুনগত মান পরিক্ষা করতে স্কুলে উপস্থিত
স্বয়ং সমষ্ঠি উন্নয়ন আধিকারিক । দিনহাটা ২ ব্লকের প্রত্যান্ত এলাকার কয়েকটি প্রাথমিক
বিদ্যালয়ে উপস্থিত হলেন সমষ্ঠি উন্নয়ন
আধিকারিক আমর্ত্য দেবনাথ । মঙ্গলবার দিনহাটা ২ব্লকের মোক্তারের বাড়ি নিম্ন
বুনিয়াদি প্রাথমিক বিদ্যালয় , জয়গোপাল গঞ্জ ৫ম পরিকল্পনা প্রাথমিক বিদ্যালয় ,
দক্ষিন কিসামত দশ গ্রাম এপি স্কুল সহ বেশ কয়েকটি স্কুলে হঠাৎ করে উপস্থিত হন স্বয়ং
সমষ্ঠি উন্নয়ন আধিকারিক । দিনহাটা ২ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে , দীর্ঘ দিন
ধরেই শিশু দের খাবারের গুনগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল । ব্লক প্রশাসনের কাছে এই
অভিযোগ একাধিকবার আসার পর এদিন বেশ কয়েকটি স্কুলে হাজির হন সমষ্ঠি উন্নয়ন আধিকারিক অমর্ত্য
দেবনাথ । ব্লক প্রশাসনের এই আধিকারিক স্কুল গুলিতে গিয়ে মিড-ডে-মিলের চাল দেখতেই আঁতকে ওঠেন । পচা চাল কি
ভাবে শিশু দের খাওয়ান হচ্ছে তা নিয়েও তিনি স্কুল কতৃপক্ষ গুলির কাছে কৈফিত তলব
করেন । জানা গিয়েছে , এদিন ব্লক প্রশাসনের এই আধিকারিক স্কুল গুলিতে গিয়ে প্যেকেট
করা চালের বস্তা খুলে তা খতিয়ে দেখেন । পোকা সমেত পচন ধরে যাওয়া চাল কিভাবে সিল করা বস্তায় থাকতে পারে
তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন । প্রশাসনিক কর্তার সারপ্রাইজ ভিজিটে অনেক স্কুলের শিক্ষকরা কার্যত
বিপাকে পড়ে যায় বলে তথ্যবিজ্ঞ মহলের মত । তবে স্কুল পড়ুয়া শিশুদের অবিভাবকরা দিনহাটা
২ব্লকের সমষ্ঠি উন্নয়ন আ্ধিকারিকের এহেন কর্ম কান্ড কে সাধুবাদ জানায় । বিষয়টি
নিয়ে দিনহাটা ২ব্লকের সমষ্ঠি উন্নয়ন আ্ধিকারিক অমর্ত্য দেবনাথ কে ফোন করা হলে তাকে
পাওয়া যায়নি । সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার পড়ুয়াদের শিক্ষা সামগ্রী বিতরন করলো সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী
Monday, 19 February 2018
ফের নাবালিকার বিয়ে রুখলো প্রশাসনের কর্তারা
শিরোনাম ২৪ ডেস্ক , দিনহাটা , ১৯ ফেব্রুয়ারিঃ
নাবালিকার বিয়ে রুখলো দিনহাটা ২ ব্লকের সমষ্ঠি উন্নয়ন আধিকারিক । দিনহাটা ২ ব্লকের
সীমান্তবর্তী গ্রাম বামনহাটের এলাকা থেকে দিনহাটা ২ ব্লকের সমষ্ঠি উন্নয়ন
আধিকারিকের নেতৃত্বে বিরাট পুলিশ বাহিনী গিয়ে নাবালিকা মেয়ের বিয়ে আটকে দেয় । জানা
গিয়েছে , সীমান্তবর্তী গ্রাম বামনহাটের কালমাটি এলাকায় নাবালিকার বিয়ের খবর পেয়ে ২ ব্লকের সমষ্ঠি উন্নয়ন আধিকারিক অমর্ত্য
দেবনাথ ও সাহেব গঞ্জ থানার মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তীর নেতৃত্বে বিরাট পুলিশ বাহিনী ছুটে যায় । পাত্রী পক্ষ
মেয়ের উপযুক্ত বয়সের প্রমান দেখাতে না পারায় বিয়ে আটকে দেয় প্রশাসন । পরবর্তীতে
ছেলে ও মেয়ে কে সাহেবগঞ্জ থানায় তুলে আনে পুলিশ । মেয়ের পক্ষ থেকে মুচলেখা দিলে
মেয়েকে ছেড়ে দেওয়া হলেও এদিন দিনহাটা আদালতে পাত্রকে তোলা হয় । এ প্রসঙ্গে দিনহাটা
ব্লকের সমষ্ঠি উন্নয়ন আধিকারিক অমর্ত্য
দেবনাথ বলেন , কন্যা পক্ষ বয়সের উপযুক্ত প্রমান দেখাতে পারেনি এবং মেয়ে নিজেই
স্বীকার করেছে তার বয়স ১৬ । সে কারনে বিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে । তিনি আরো বলেন ,
যেখানেই নাবালিকার বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলবে সেখানেই প্রশাসন পৌছে যাবে ।
স্টেট ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে দুর্ব্যাবহারের অভিযোগ , শাখা বদলের হুমকি অধিকাংশ গ্রাহকের
![]() |
শিরোনাম ২৪ , সুমন মন্ডল , দিনহাটা ঃ গ্রাহক দের হয়রানির অভিযোগ
উঠলো স্টেট ব্যাঙ্ক ওফ ইন্ডিয়ার টাউন শাখার বিরুদ্ধে । একের পর এক গ্রাহক সেবা বিঘ্নিত পাশাপাশি ম্যানেজার সহ ব্যাঙ্ক কর্মীদের
দূর ব্যাবহারের কারনে অনেক গ্রহকই এই ব্যাঙ্কে লেন্দেন বন্ধের ও হুমকি দেয় । ব্যাঙ্কের
ভিতরে আঁধার কার্ড তোলা নিয়ে হয়রানির অভিযোগ কে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল ।
দিনহাটার গোধুলিবাজার এলাকায় স্টেট ব্যাঙ্কের টাউন শাখায় গত কিছুদিন ধরেই শুরু
হয়েছে আঁধার কার্ড তোলার কাজ । আঁধার কার্ড করতে
মহকুমার বিভিন্ন গ্রাম গঞ্জের থেকে আসা বাসিন্দারা বলেন তারা গত কয়েক দিন
ধরেই ব্যাঙ্কে আঁধার কার্ড করতে এলেও নানা ভাবে হয়রানীর স্বীকার হতে হচ্ছে তাদের ।
আঁধার কার্ড করার জন্য সোমবার সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কে
আসা সম বিবি , গণেশ ভৌমিক , তমেজ ব্যাপারি , কমল বোস প্রমূখ বলেন বাইরে
আঁধার কার্ডের সেন্টার গুলি বন্ধ করে দেওয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে । তারা এই
কার্ড করার জন্য গত কয়েক দিন ধরে কার্ড করার জন্য ব্যাঙ্কে এসে ঘুরে যাচ্ছেন বলে
তাদের অভিযোগ । শুধু তাই নয় কার্ড করার জন্য তারা গত কয়েক দিন ধরে ভোর বেলায় এসে
লাইনে দারালেও শেষ পর্যন্ত করতে পারছেন না । কখনো দশটা , আবার কখনো পনেরো টা ,
আবার কখনো কুড়ি টা কার্ড করার পর ব্যাঙ্ক করতিপক্ষ বাকিদের কে ফিরিয়ে দিচ্ছেন ।
আঁধার কার্ড করতে আসা বাসিন্দারা আর বলেন এভাবে ঘুরতে থাকায় তাদের সময় ও অর্থ ব্যয়
হচ্ছে । আর ব্যাঙ্ক বাবুরা নিজেদের ইচ্ছামত কয়েক জনের কার্ড করে আবার বন্ধ করে
দিচ্ছেন । অবিলম্বে সমস্যা সমাধান না হলে
বাসিন্দারা দিনহাটার গোধুলিবাজার এলাকায় স্টেট ব্যাঙ্কের টাউন শাখায় প্রয়োজনে তালা
ঝুলিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন । কার্ড করার জন্য আসা মানুষ গুলি বলেন অন্যান্য দিনের মত
এদিনও তারা ভোর রাত থেকে এসে লাইনে দাঁড়ান । বেলা দশটা নাগাদ ব্যাঙ্ক খোলার পর
তাদের জানিয়ে দেওয়া হয় এদিন আঁধার কার্ড করা হবে না । কারন ব্যাঙ্কের ভিতরে যিনি
আঁধার কার্ড করেন তিনি আসেন নি । অথচ এই লোক গুলিকেই শনিবার বলে দেওয়া হয় তাদের
আঁধার কার্ড সোমবার করা হবে । অবিলম্বে হয়রানি বন্ধ করা ছারাও সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক
করতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যাঙ্কের কাজকর্ম নিয়ে অসহজোগীতার নানা অভিযোগ তুলে ধরেন
আঁধার কার্ডের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ গুলি । সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের সাখা প্রবন্ধক
লোকসাং ভুটিয়া সমস্যার কথা স্বীকার করে
নিয়ে বলেন আগামিতে যাতে আঁধার কার্ড করতে এসে কারো অসুবিধা না হয় তার জন্য চেষ্টা
করা হচ্ছে ।
“সে আসছে” ২৪শে মার্চ
শিরোনাম ডেস্ক , ১৯ফেব্রুয়ারঃ পেশাগত কাজের বাইরে সমাজ কে সচেতনতার বার্তা দেওয়ার লক্ষ্যে পেশায় চিকিৎসক হয়েও ফের টেলিফিল্ম তৈরি করেছেন দিনহাটা হাসপাতালের চিকিৎসক উজ্জ্বল আচার্য সহ একঝাক চিকিৎসক । ডাঃ আচার্যের উদ্যোগে বিবর্তন সাহিত্য গোষ্ঠীর এ বারের টেলিফিল্মের বিষয় বন্ধ্যাত্ব নিয়ে সচেতনতা । টেলিফিল্মের নাম, ‘সে আসছে’ । বিবর্তন সাহিত্য গোষ্ঠীর সপ্তম তম টেলিফ্লিম “সে আসছে ” অফিসিয়াল ট্রেলারের শুভ উদ্বোধন হল । দিনহাটা শহরের সুভাষ শিশু উদ্যানে রবিবার সন্ধ্যায় এই ট্রেলারের শুভউদ্বোধন হয় । এদিন এই ট্রেলারে শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিবর্তন সাহিত্য গোষ্ঠীর কর্নধার তথা দিনহাটার বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ উজ্জ্বল আচার্য , বিবর্তন গোষ্ঠীর অন্যতমসদস্য তথা ছবির পরিচালক কল্যাণময় দাস , সঞ্জিত কর্মকার , ধর্মেন্দ্র সিং , প্রসেঞ্জিত ভৌমিক , হিরক সরকার , সারদা প্রসন্ন ঘোষ , সৌভিক দেব , সঙ্গীত শিল্পী অপুর্ব অধিকারী , সুনন্দাসাহা , অপূর্ব দাস সহ আরো অনেকে । এদিন এই অফিসিয়াল ট্রেলার উদ্বোধনের পর তা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় । এদিনের এই ট্রেলার প্রকাশের মধ্য দিয়েআগামী ২৪ শে মার্চ মহারাজা নৃপেন্দ্র নারায়ন স্মৃতি সদনে তা সকলের সামনে প্রদর্শীত হবে বলে বিবর্তন সাহিত্য গোষ্ঠীর কর্নধার তথা সে আসছে টেলিফ্লিমের কর্ণধার বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃউজ্জ্বল আচার্য জানান । এদিন এই ছবি প্রসঙ্গে পরিচালক কল্যাণময় দাস বলেন , এই বার বিবর্তন গোষ্ঠীর সপ্তম নিবেদন সে আসছে তা আগামী ২৪ শে মার্চ মহারাজা নৃপেন্দ্র নারায়ন স্মৃতিসদনে সকলের সামনে প্রদর্শীত হবে । এদিন এই টেলিফ্লিমের ট্রেলার আনুষ্ঠানিক ভাবে সুচনা হলো বলে তিনি জানান । এই ছবির মধ্য দিয়ে সমাজে এক নিসন্তান দম্পতির করুন অবস্থার কথাতুলে ধরা হয়েছে । বিবর্তন সাহিত্য গোষ্ঠীর টেলিফিল্ম ‘ সে আসছে ’ কাহিনির শুরু এক বিত্তশালী দম্পতির কলেজ পড়ুয়া একমাত্র ছেলে দেবুর বেহিসেবি জীবনযাপন নিয়ে । ঘটনাচক্রে বিত্তশালীদম্পতি সুদীপ ও মৌলির ওই সন্তান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় । তার পরেই বদলে দম্পতির জীবনচিত্র । নিজের ছেলেকে অন্যের ছেলের মধ্যে খুঁজে বেড়াতেথাকেনসন্তানহারা মা। । বয়স, শারীরিক সক্ষমতার মত নানা সমস্যায় তাদের কাছে যা বাধা হয়ে দাঁড়ায় । আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে ওই বন্ধ্যাত্ব যন্ত্রণা ঘোচাতে পর্দায় উপস্থিতহন ভাড়াটে মা বীথিকা । টেস্টটিউবের মাধ্যমে কৃত্রিম ভাবে ভ্রূণ প্রতিস্থাপন করা হয় বীথিকার গর্ভে । তাঁর গর্ভেই পুত্র সন্তান প্রসব হয় । ফের অন্ধকার দশা ঘুচিয়ে দম্পতিরআলোয় ফেরা শুরু। সুদীপের চরিত্রে অভিনয় করছেন ডাঃ উজ্জ্বল আচার্য স্বয়ং । মৌলির চরিত্রে অভিনয় করছেন পায়েল পাল ছাড়াও টেলিফিল্মে অন্যান্য কলাকুশলীরা হলেন দিনহাটা হাসপাতালের সুপার রঞ্জিত মণ্ডল , ডাঃ কল্লোল ব্যানারজী , ডাঃ অনির্বাণ সামন্ত , ডা এস রায় , ডাঃ জয়ন্ত চৌধুরী , কোয়েলি পাল , সঞ্জিত কর্মকার , শ্রেয়ান কর্মকার , আব্দুল সামাদ , তপন সাহা , স্রাবন্তি বসাক , পায়েল পাল , উজ্জবর্না আচার্য , হীরক সরকার প্রমূখ । টেলিফিল্মের নির্দেশক কল্যাণময় দাস বলেন, বিবর্তন সাহিত্য গোষ্ঠীর এ বারের টেলিফিল্ম বন্ধ্যাত্ব নিয়েসচেতনতা সমাজে ইতিমধ্যেই বিশেষ নাড়া দিয়েছে।
বন্যা ও বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থদের চেক বিলি
শিরোনাম ২৪ ডেস্ক , দিনহাটা, ১৯ ফেব্রুয়ারিঃ সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ চাষিদের ক্ষতিপূরণ দিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানারজীর নেতৃতে রাজ্য সরকার । সোমবার দিনহাটা ২ নং ব্লক বিডিও অফিস চত্বরে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেওয়া হয় । এদিন ব্লক প্রশাসনের দপ্তর চত্বরে প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্যে দিয়ে কৃষকদের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাজ্য বন উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান তথা দিনহাটার বিধায়ক উদয়ন গুহ । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মমতাজ বেগম , দিনহাটা মহকুমা কৃষি আধিকারীক যাদব মণ্ডল , দিনহাটা ২ নং ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অমর্ত্য দেবনাথ , দিনহাটা ২ নং ব্লকের অতিরিক্ত সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক বিপ্লব ঘোষ , দিনহাটা ২ নং ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মুক্তি রায় , দিনহাটা ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি খগেশ্বর রায় , ব্লক কৃষি আধিকারীক ডঃ প্রবোধ মণ্ডল , বেসরকারি একটি ব্যাঙ্কের ম্যানেজার অনুরুদ্ধ সাহা প্রমুখ। দিনহাটা ২ নং ব্লক এলাকার প্রায় সতেরো হাজার ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের হাতে পর্যায়ক্রমে ক্ষতি পুরনের এই চেক তুলে দেওয়া হবে বলে কোচবিহার জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মমতাজ বেগম , দিনহাটা -২ ব্লক কৃষি আধিকারিক ডঃ প্রবোধ মণ্ডল জানান । এদিনের এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য বন উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান তথা দিনহাটার বিধায়ক উদয়ন গুহ বলেন দিনহাটা -২ ব্লকে ১৭ হাজার ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের হাতে ক্ষতি পুরনের চেক তুলে দেওয়া হবে । দিনহাটা সহ কোচবিহার জেলার প্রায় ৪৮ হাজার কৃষককে ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে বিধায়ক উদয়ন গুহ , কোচবিহার জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মমতাজ বেগম উল্লেখ করেন । এদিন দিনহাটা-২ ব্লক প্রশাসনের দপ্তর চত্বরে প্রায় ১০০০ কৃষকের হাতে চেক তুলে দেওয়া হলেও বাকি কৃষকদের হাতে ধাপে ধাপে চেক তুলে দেওয়া হবে বলে কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে । উল্লেখ , গত বছরের ব্যাপক ক্ষতির কবলে পরে কোচবিহার জেলার কৃষকরা । অতিবৃষ্টি ও বন্যার ফলে কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয় । ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের পাশে দাড়াতে মমতা ব্যানারজীর নেতৃতে রাজ্য সরকার এগিয়ে আসায় স্বাভাবিক ভাবেই খুশি ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা । কোচবিহার জেলার কৃষকদের সর্বনিম্ন এক হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে বলে বিধায়ক উদয়ন গুহ , কোচবিহার জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মমতাজ বেগম জানান । তারা আরো বলেন, “রাজ্য সরকার সবসময় কৃষকদের পাশে আছে, বন্যার জন্য কোন কেন্দ্রীয় সাহায্য না পেয়েও রাজ্য সরকার কৃষকদের কষ্ট লাঘব করতে সচেষ্ট হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এদিকে কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে আগামী কয়েক দিন ধাপে ধাপে দিনহাটা -২ ব্লকে ১৭ হাজার ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের হাতে প্রায় ৯ কোটি টাকা ক্ষতি পুরনের চেক প্রদান করা হবে ।


